রবিবার , ২৯শে নভেম্বর, ২০২০ , ১৪ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ , ১৩ই রবিউস সানি, ১৪৪২

হোম > গ্যালারীর খবর > ঐতিহ্যের পার্বতীপুর

ঐতিহ্যের পার্বতীপুর

শেয়ার করুন

জেলা প্রতিনিধি. দিনাজপুর ॥ বাংলাদেশের উত্তরবঙ্গে দিনাজপুর জেলা সদর থেকে ঠিক পূর্ব দিকে ২৫.১৯ হতে ২৫.৪৭ ডিগ্রী অক্ষাংশ, ৮৮.৪৯ হতে ৮৯.০৫ ডিগ্রী দ্রাঘিমাংশে পার্বতীপুর উপজেলা অবস্থিত। উপজেলার ভৌগোলিক পরিচিতি হচ্ছে পার্বতীপুর উপজেলার উত্তরে নিলফামারী জেলার সৈয়দপুর উপজেলা, দক্ষিণে ফুলবাড়ী ও নবাবগঞ্জ উপজেলা, পূর্বে রংপুর জেলার বদরগঞ্জ উপজেলা ও পশ্চিমে চিরিরবন্দর উপজেলা।

তবে সবচেয়ে মজার বিষয় হচ্ছে বিভিন্ন অঞ্চলের সাথে রেল জনশ্রম্মবিহু উপজেলা পার্বতীপুর নামকরণের তথ্যভিত্তিক ইতিহাস পাওয়া যায় না। তবে কেউ কেউ বলেন সুপ্রাচীনকালে হিন্দু অধ্যুষিত এই স্থানে ধুমধামের সাধে হিন্দু সম্প্রদায়ের বিভিন্ন পুজা পার্বন অনষ্ঠিত হতো। একই ধর্মের এক দেবতা ‘‘পার্বতী’’ ও নাম অনুসারে এ স্থানের নাম রাখা হয়েছিল পার্বতীপুর হয়। আবার কেউ কেউ বলে এ ধরনের বলে যে, খোলাহাটির সন্নিকটে রাজা কিচকের অপূর্ব সুন্দরী মেয়ে ছিল যার নাম পায়রাবতী। পায়রাবতী বাল্য বিধাব ছিল।

গড়ের অনতি দুরে ডিমালী নামক দীঘিতে দুর্বৃত্ত কর্তৃক অপহুত হবার পর তার শস্নীলতাহানী হয়। অতপর পায়রাবতী মনের দুখে ডিমালী দীঘির জলে আতœহত্যা করে। এই আতœহত্যাকে কেন্দ্র করে পরবর্তীতে এ স্থানের নাম নাকি পার্বতীপুর হয় । তবে এসব কিংবদমত্মী, প্রবাদ বা জনশ্রম্মতি সমর্থিত নামকরনের পাশ্চাত্যে কোন ঐতিহাসিক সত্যতা নেই । পার্বতীপুর উপজেলার আয়তন হচ্ছে ৯৭৬১৭.৪০ একর, ১৫২.৫২ বর্গ মাইল, ৩৯৫.০৪বর্গ কিলোমিটারকে ঘির রয়েছে ১০টি ইউনিয়ন ১নং বেলাইচন্ডি, ২নং মনমথপুর, ৩নং রামপুর, ৪নং পলাশবাড়ী, ৫নং চন্ডিপুর, ৬নং মোমিনপুর, ৭নং মোস্তফাপুর, ৮নং হাবড়া, ৯নং হামিদপুর, ১০নং হরিরামপুর ও ১টি পৌরসভা যার নাম পার্বতীপুর পৌরসভা।

অত্র উপজেলার মধ্যে সর্বমোট ভোটার সংখ্যা ৩৬৫১০৩ জন রয়েছে এর মধ্যে পুরুষ ৮৩৭৭২ জন, মহিলা ১৮১৩৩১ জন। বিভিন্ন ধর্মের মানুষও রয়েছে মুসলিম ৩১৩৫৩৪ জন, হিন্দু ৪৬০৭৭ জন, বৌদ্ধ ১১০ জন, খ্রিষ্টান ২৭৫৩ জন ও অন্যান্য ২৬২৯ জন । এ উপজেলায় প্রধান যোগাযোগ ব্যবস্থা রেল ও বাস পথের মাধ্যমে। রেল ও বাস পথে দিনাজপুর সদরের সাথে পার্বতীপুর উপজেলার যোগাযোগ।

এছাড়া বাস যোগে সৈয়দপুর হয়ে নিলফামারী, রেল পথে বদরগঞ্জ উপজেলা হয়ে রংপুর সাথে পার্বতীপুরের যোগাযোগ। রেল ও বাস পথে ঢাকারসাথে সরাসরি যোগাযোগ পার্বতীপুর উপজেলার। রেল পথের দৈর্ঘ প্রায় ৮৫ কিলোমিটার, পাকা রাস্তা ১১২ কিলোমিটার, আধাপাকা রাস্তা ২৬ কিলোমিটার, কাঁচা রাস্তা ৬৭৫ কিলোমিটার।

রেল ষ্টেশনের সংখ্যা ০৫ টি, বেলাইচন্ডি, মনমথপুর, খোলাহাটি, পার্বতীপুর ও ভবানীপুর। এছাড়াও গ্রাম অঞ্চলের সাথে বাই-সাইকেল, মটর-সাইকেল, রিক্সা, রিক্স-ভ্যান, অটো-রিক্সা অন্যতম যোগাযোগ মাধ্যম।

দর্ষনীয় স্থান ও খনিজ সম্পদের কথা না জানিয়ে বলেই পারছি না, বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সাথে রেলপথে উত্তরাঞ্চলের যোগাযোগে কেন্দ্রবিন্দু, চর্তুমুখী রেল পথ, অন্যতম রেলওয়ে জংশন পার্বতীপুর, পার্বতীপুর বাস টার্মিনাল থেকে ২ কি.মি. উত্তরে সৈয়দপুর রোডে পার্বতীপুর লোকোমোটিভ কারখানাটি অবস্থিত। এটি ১১১একর মাটির উপর বিস্তৃত একটি খারখানা যেখানে ট্রেনের ইঞ্জিন ঠিকের কাজ করা হয় এবং রেল ওযের বিশাল কারখানা রয়েছে। দর্শনীয় স্থান হিসাবে পর্যটকদের মন আকৃষ্ট করে এই স্থানটি। ঐতিহ্যবাহী স্থানে হিসাবে মনিরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের চীনাছাদ বিশিষ্ট মসজিদের নাম চলে আসে।

হরিরামপুর ইউনিয়নের অবস্থিত মধ্যপাড়া কঠিন শিলা প্রকল্প। এটি ১০৬ একরের উপরে একটি বিস্তৃত কঠিন শিলা প্রকল্প। এখান থেকে প্রতি বছরে ১৬.৫ মেট্রিক টন বা প্রতিদিনে ৫,৫০০ মেট্রিক টন হাকেটিন শিলা উত্তোলন করা হয়। এখানে কালো, কিছু গোলাপী, সাদা ও অন্যান্য রঙের কঠিন শিলা পা ওয়া যায়। কঠিন শিলা উত্তোলন করার জন্য এখানে অনুসন্ধানে কুপ রয়েছে ১৬টি।

পার্বতীপুর বাস টার্মিনাল থেকে ৪কি.মি. দক্ষিনে ফুলবাড়ী রোডে উত্তর পশ্চিম মৎস্য সম্প্রসারন প্রকল্পটি অবস্থিত। এখানে মাচের পোনা ও রেনু তৈরী করা হয়। এখানে রয়েছে ছোট বড় অনেক পুকুর। এই মৎস্য সম্প্রসারন প্রকল্পটির আয়তন ৫০ একর। এই প্রকল্পটি একটি মাত্র মৎস সম্প্রাসারন প্রকল্প যা উত্তর বঙ্গে ও পশ্চিমবঙ্গের পার্বতীপুর ছাড়া অন্য কোথা ও নেই।

হামিদপুর ইউনিয়নে বড়পুকুরিয় কয়লা খনি প্রকল্প, পার্বতীপুর বাস টার্মিনাল থেকে ১৯ কি. মি. দক্ষিনে ফুলবাড়ী রোডে বড় পুকুরিয়া কয়লাখনি প্রকল্পটি অবস্থিত। এখানে মাটির নিচ থেকে কয়লা উত্তোলন করা হয়। বিশাল এলাকা নিয়ে এই প্রকল্পটি অবস্থিত। একই ইউনিয়নে বড় পুকুরিয়া কয়লাখনির ১কি.মি উত্তরে বড় পুকুরিয়া তাপ বিদুৎ প্রকল্পটির অবস্থান। এখানে ৩৭৫ মেগাওয়াটের ক্ষমতা সম্পন্ন তাপ বিদুৎতের ২ট ইউনিট রয়েছে। যা বড় পুকুরিয়া কয়লা খনির ৬৫ ভাগ কয়লা ব্যবহার করে বড় পুকুরিয়া তাপ বিদুৎ কেন্দ্রে বিদুৎ উৎপন্ন করা হয়। এটই বাংলাদেশে প্রথম এবং একমাত্র তাপ বিদুৎ কেন্দ্রে। বিশাল এলাকা নিয়ে প্রকল্পটি তৈরি হয়েছে। এতকিছু বাংলাদশের অন্যকোন উপজেলা আছে বলে মনে হয় না। এত ঐতিহ্যের ভরপুর আমাদের এই পার্বতীপুর।
ঐতিহ্যের পার্বতীপুর
জেলা প্রতিনিধি. দিনাজপুর ॥ বাংলাদেশের উত্তরবঙ্গে দিনাজপুর জেলা সদর থেকে ঠিক পূর্ব দিকে ২৫.১৯ হতে ২৫.৪৭ ডিগ্রী অক্ষাংশ, ৮৮.৪৯ হতে ৮৯.০৫ ডিগ্রী দ্রাঘিমাংশে পার্বতীপুর উপজেলা অবস্থিত। উপজেলার ভৌগোলিক পরিচিতি হচ্ছে পার্বতীপুর উপজেলার উত্তরে নিলফামারী জেলার সৈয়দপুর উপজেলা, দক্ষিণে ফুলবাড়ী ও নবাবগঞ্জ উপজেলা, পূর্বে রংপুর জেলার বদরগঞ্জ উপজেলা ও পশ্চিমে চিরিরবন্দর উপজেলা।

তবে সবচেয়ে মজার বিষয় হচ্ছে বিভিন্ন অঞ্চলের সাথে রেল জনশ্রম্মবিহু উপজেলা পার্বতীপুর নামকরণের তথ্যভিত্তিক ইতিহাস পাওয়া যায় না। তবে কেউ কেউ বলেন সুপ্রাচীনকালে হিন্দু অধ্যুষিত এই স্থানে ধুমধামের সাধে হিন্দু সম্প্রদায়ের বিভিন্ন পুজা পার্বন অনষ্ঠিত হতো। একই ধর্মের এক দেবতা ‘‘পার্বতী’’ ও নাম অনুসারে এ স্থানের নাম রাখা হয়েছিল পার্বতীপুর হয়। আবার কেউ কেউ বলে এ ধরনের বলে যে, খোলাহাটির সন্নিকটে রাজা কিচকের অপূর্ব সুন্দরী মেয়ে ছিল যার নাম পায়রাবতী। পায়রাবতী বাল্য বিধাব ছিল।

গড়ের অনতি দুরে ডিমালী নামক দীঘিতে দুর্বৃত্ত কর্তৃক অপহুত হবার পর তার শস্নীলতাহানী হয়। অতপর পায়রাবতী মনের দুখে ডিমালী দীঘির জলে আতœহত্যা করে। এই আতœহত্যাকে কেন্দ্র করে পরবর্তীতে এ স্থানের নাম নাকি পার্বতীপুর হয় । তবে এসব কিংবদমত্মী, প্রবাদ বা জনশ্রম্মতি সমর্থিত নামকরনের পাশ্চাত্যে কোন ঐতিহাসিক সত্যতা নেই । পার্বতীপুর উপজেলার আয়তন হচ্ছে ৯৭৬১৭.৪০ একর, ১৫২.৫২ বর্গ মাইল, ৩৯৫.০৪বর্গ কিলোমিটারকে ঘির রয়েছে ১০টি ইউনিয়ন ১নং বেলাইচন্ডি, ২নং মনমথপুর, ৩নং রামপুর, ৪নং পলাশবাড়ী, ৫নং চন্ডিপুর, ৬নং মোমিনপুর, ৭নং মোস্তফাপুর, ৮নং হাবড়া, ৯নং হামিদপুর, ১০নং হরিরামপুর ও ১টি পৌরসভা যার নাম পার্বতীপুর পৌরসভা।

অত্র উপজেলার মধ্যে সর্বমোট ভোটার সংখ্যা ৩৬৫১০৩ জন রয়েছে এর মধ্যে পুরুষ ৮৩৭৭২ জন, মহিলা ১৮১৩৩১ জন। বিভিন্ন ধর্মের মানুষও রয়েছে মুসলিম ৩১৩৫৩৪ জন, হিন্দু ৪৬০৭৭ জন, বৌদ্ধ ১১০ জন, খ্রিষ্টান ২৭৫৩ জন ও অন্যান্য ২৬২৯ জন । এ উপজেলায় প্রধান যোগাযোগ ব্যবস্থা রেল ও বাস পথের মাধ্যমে। রেল ও বাস পথে দিনাজপুর সদরের সাথে পার্বতীপুর উপজেলার যোগাযোগ।

এছাড়া বাস যোগে সৈয়দপুর হয়ে নিলফামারী, রেল পথে বদরগঞ্জ উপজেলা হয়ে রংপুর সাথে পার্বতীপুরের যোগাযোগ। রেল ও বাস পথে ঢাকারসাথে সরাসরি যোগাযোগ পার্বতীপুর উপজেলার। রেল পথের দৈর্ঘ প্রায় ৮৫ কিলোমিটার, পাকা রাস্তা ১১২ কিলোমিটার, আধাপাকা রাস্তা ২৬ কিলোমিটার, কাঁচা রাস্তা ৬৭৫ কিলোমিটার।

রেল ষ্টেশনের সংখ্যা ০৫ টি, বেলাইচন্ডি, মনমথপুর, খোলাহাটি, পার্বতীপুর ও ভবানীপুর। এছাড়াও গ্রাম অঞ্চলের সাথে বাই-সাইকেল, মটর-সাইকেল, রিক্সা, রিক্স-ভ্যান, অটো-রিক্সা অন্যতম যোগাযোগ মাধ্যম।

দর্ষনীয় স্থান ও খনিজ সম্পদের কথা না জানিয়ে বলেই পারছি না, বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সাথে রেলপথে উত্তরাঞ্চলের যোগাযোগে কেন্দ্রবিন্দু, চর্তুমুখী রেল পথ, অন্যতম রেলওয়ে জংশন পার্বতীপুর, পার্বতীপুর বাস টার্মিনাল থেকে ২ কি.মি. উত্তরে সৈয়দপুর রোডে পার্বতীপুর লোকোমোটিভ কারখানাটি অবস্থিত। এটি ১১১একর মাটির উপর বিস্তৃত একটি খারখানা যেখানে ট্রেনের ইঞ্জিন ঠিকের কাজ করা হয় এবং রেল ওযের বিশাল কারখানা রয়েছে। দর্শনীয় স্থান হিসাবে পর্যটকদের মন আকৃষ্ট করে এই স্থানটি। ঐতিহ্যবাহী স্থানে হিসাবে মনিরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের চীনাছাদ বিশিষ্ট মসজিদের নাম চলে আসে।

হরিরামপুর ইউনিয়নের অবস্থিত মধ্যপাড়া কঠিন শিলা প্রকল্প। এটি ১০৬ একরের উপরে একটি বিস্তৃত কঠিন শিলা প্রকল্প। এখান থেকে প্রতি বছরে ১৬.৫ মেট্রিক টন বা প্রতিদিনে ৫,৫০০ মেট্রিক টন হাকেটিন শিলা উত্তোলন করা হয়। এখানে কালো, কিছু গোলাপী, সাদা ও অন্যান্য রঙের কঠিন শিলা পা ওয়া যায়। কঠিন শিলা উত্তোলন করার জন্য এখানে অনুসন্ধানে কুপ রয়েছে ১৬টি।

পার্বতীপুর বাস টার্মিনাল থেকে ৪কি.মি. দক্ষিনে ফুলবাড়ী রোডে উত্তর পশ্চিম মৎস্য সম্প্রসারন প্রকল্পটি অবস্থিত। এখানে মাচের পোনা ও রেনু তৈরী করা হয়। এখানে রয়েছে ছোট বড় অনেক পুকুর। এই মৎস্য সম্প্রসারন প্রকল্পটির আয়তন ৫০ একর। এই প্রকল্পটি একটি মাত্র মৎস সম্প্রাসারন প্রকল্প যা উত্তর বঙ্গে ও পশ্চিমবঙ্গের পার্বতীপুর ছাড়া অন্য কোথা ও নেই।

হামিদপুর ইউনিয়নে বড়পুকুরিয় কয়লা খনি প্রকল্প, পার্বতীপুর বাস টার্মিনাল থেকে ১৯ কি. মি. দক্ষিনে ফুলবাড়ী রোডে বড় পুকুরিয়া কয়লাখনি প্রকল্পটি অবস্থিত। এখানে মাটির নিচ থেকে কয়লা উত্তোলন করা হয়। বিশাল এলাকা নিয়ে এই প্রকল্পটি অবস্থিত। একই ইউনিয়নে বড় পুকুরিয়া কয়লাখনির ১কি.মি উত্তরে বড় পুকুরিয়া তাপ বিদুৎ প্রকল্পটির অবস্থান। এখানে ৩৭৫ মেগাওয়াটের ক্ষমতা সম্পন্ন তাপ বিদুৎতের ২ট ইউনিট রয়েছে। যা বড় পুকুরিয়া কয়লা খনির ৬৫ ভাগ কয়লা ব্যবহার করে বড় পুকুরিয়া তাপ বিদুৎ কেন্দ্রে বিদুৎ উৎপন্ন করা হয়। এটই বাংলাদেশে প্রথম এবং একমাত্র তাপ বিদুৎ কেন্দ্রে। বিশাল এলাকা নিয়ে প্রকল্পটি তৈরি হয়েছে। এতকিছু বাংলাদশের অন্যকোন উপজেলা আছে বলে মনে হয় না। এত ঐতিহ্যের ভরপুর আমাদের এই পার্বতীপুর।

>