শুক্রবার , ২৩শে এপ্রিল, ২০২১ , ১০ই বৈশাখ, ১৪২৮ , ১০ই রমজান, ১৪৪২

হোম > জাতীয় > করোনাভাইরাস ঠেকাতে বিদেশ ফেরতদের যে পরামর্শ দিল আইইডিসিআর

করোনাভাইরাস ঠেকাতে বিদেশ ফেরতদের যে পরামর্শ দিল আইইডিসিআর

শেয়ার করুন

বাংলাভূমি ডেস্ক ॥
দ্রুত বিস্তারে সক্ষম কভিড-১৯ ভাইরাস এখন পর্যন্ত ৫০টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। তবে এখন পর্যন্ত সুখবর এইযে, বাংলাদেশে এ ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী পাওয়া যায়নি।

এজন্য সংক্রমণ এড়াতে আক্রান্ত দেশ থেকে কেউ কোনো উপসর্গ না নিয়ে দেশে ফিরলেও তাদের কয়েকদিন ঘরে থাকার পরামর্শ দিয়েছে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর)।

এছাড়া করোনাভাইরাস সংক্রমিত দেশগুলোতে ভ্রমণ এড়াতেও পরামর্শ দিয়েছে তিনি।

রোববার করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতি নিয়ে আইইডিসিআরের নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে এসব পরামর্শ দেন প্রতিষ্ঠানের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘এখন পর্যন্ত ৫৪ দেশে কভিড-১৯ রোগী ধরা পড়েছে, যেখানে বাংলাদেশ নেই। তবে বিশ্বের এতোগুলো দেশে ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়ায় রেড এলার্টে থাকতে হচ্ছে আমাদের। কারণ যে কোনো দেশ থেকেই ভাইরাসটি বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারে।’

এরপর তিনি বলেন, ‘সেই আশঙ্কা থেকে বলছি সেসব দেশ থেকে বাংলাদেশিরা ফিরলেও তারা যেন হোম কোয়ারেন্টিনে থাকেন। বাড়ির বাইরে যেন প্রথম ১৪ দিন বের না হন।’

ডা. ফ্লোরা আরও বলেন, ‘সবচেয়ে ভালো হয় বিমানবন্দর থেকে নেমে বাসায় যাওয়ার পথে গাড়িতে মাস্ক ব্যবহার করবেন। এ ক্ষেত্রে গণপরিবহন ব্যবহার ঠিক হবে না। বিদেশ ফেরতরা নিজস্ব যানবাহনে যাবেন। এ সময় পরিবহনের জানালা খোলা রাখবেন।’

তিনি অনুরোধ করেন, ‘দয়া করে বিদেশফেরতরা আবশ্যিকভাবে বাড়িতে অবস্থান করুণ। জনসমাগম এড়িয়ে চলুন। মাস্ক ব্যবহার করুন। খুব প্রয়োজন না পড়লে বাইরে যাবেন না। স্বজনদের সঙ্গে দেখা সাক্ষাতে আপাতত বিরতি দিন।’

আইইডিসিআর পরিচালক বলেন, ‘বিমানবন্দরে স্ক্রিনিংয়ের মাধ্যমে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী ধরা পড়বেন। সেখানে রোগীকে দ্রুত বিচ্ছিন্ন করে তারা চিকিৎসা দেয়ার প্রস্তুতি রাখা হয়েছে।’

উল্লেখ্য, বাংলাদেশে নভেল করোনাভাইরাসে কেউ আক্রান্ত না হলেও সিঙ্গাপুরে পাঁচ বাংলাদেশি এবং আরব আমিরাতে একজন বাংলাদেশি এতে আক্রান্ত হয়েছেন।

এ বিষয়ে ডা. ফ্লোরা জানান, সিঙ্গাপুরের হাসপাতালে ভর্তি থাকা পাঁচজনের মধ্যে দুজন সুস্থ হয়ে বাসায় ফিরেছেন। আরও দুজন সুস্থ হয়ে বাসায় ফেরার অপেক্ষায় আছেন। আরেকজন এখনও সঙ্কটাপন্ন অবস্থায় হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন।

>