মঙ্গলবার , ১৯শে জানুয়ারি, ২০২১ , ৫ই মাঘ, ১৪২৭ , ৫ই জমাদিউস সানি, ১৪৪২

হোম > খেলা > ‘করোনায় ব্যাটসম্যানদের চেয়ে বোলাররা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত’

‘করোনায় ব্যাটসম্যানদের চেয়ে বোলাররা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত’

শেয়ার করুন

স্পোর্টস ডেস্ক ॥
মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে ক্রিকেটের বেশ কিছু নিয়মে পরিবর্তন এনেছে খেলাটির সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি। এছাড়া স্বাস্থ্যবিধির কারণেও মানতে হচ্ছে নতুন কিছু নিয়ম। যেসব কি না বোলারদের চেয়ে ব্যাটসম্যানদের কাজ সহজ করেছে বলে মনে করেন দক্ষিণ আফ্রিকার কোচ মার্ক বাউচার।

লকডাউনে বাড়িতে বন্দী থেকে ব্যাটসম্যানরা নিজেদের ফিটনেস ও স্কিল নিয়ে কাজ করতে পারলেও, বোলারদের পক্ষে এটি সম্ভব ছিল না। কেননা বোলিং অনুশীলন করতে বড় জায়গার প্রয়োজন। যা বেশ সময়েরও ব্যাপার। তাই করোনাভাইরাস ব্যাটসম্যানদের চেয়ে বোলারদেরই বেশি ক্ষতি করেছে বলে মনে করেন প্রোটিয়া কোচ।

তিনি বলেছেন, ‘ব্যাটসম্যানদের জন্য ফিটনেস নিয়ে কাজ করা সহজ। হালকা অনুশীলনও করা যায়। কিন্তু কোনো বোলার নিশ্চয়ই তার বাড়ির সামনের জায়গায় দিনে ২০ ওভার বোলিং করতে পারবে না। ম্যাচের পরিস্থিতি বানিয়ে আপনাকে অনুশীলন করতে হয়। হয়তো সকালে ১০ ওভার বোলিং করলেন, পরে বিকেলে আরও ১০ ওভার। এভাবে কাজটা কঠিন।’

বাউচার আরও যোগ করেন, ‘অনুশীলনে মাত্র ৬ ওভার বোলিং করিয়ে আপনি কোনো বোলারকে টেস্ট ম্যাচের জন্য প্রস্তুত বলতে পারেন না। আপনি এখনই কোনো বোলারকে মাঠে নেমেই আগুন ঝরাতে বলতে পারেন না, দিনে ২০ ওভার চাইতে পারেন না। আপনাকে আগে সেভাবে বোলারদের প্রস্তুত করতে হবে। যেন তাদের শরীরও যথাযথ সহায়তা করে।’

এদিকে প্রায় দেড় দশকের (অক্টোবর, ১৯৯৭ থেকে মার্চ, ২০১২) আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে ৪৬৭টি ম্যাচ খেলেছেন দক্ষিণ আফ্রিকার কিংবদন্তি উইকেটরক্ষক মার্ক বাউচার। এর মধ্যে মে, ২০০৫ থেকে জানুয়ারি, ২০০৯ পর্যন্ত বাউচারের খেলা ১৬৪টি ম্যাচে তার কোচ ছিলেন মিকি আর্থুর।

আর এখন দশ বছর পর এসে দুই প্রতিপক্ষ দলের কোচ এ সাবেক গুরু-শিষ্য। শ্রীলঙ্কার হেড কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন আর্থুর এবং নিজ দেশের ড্রেসিংরুম সামলাচ্ছেন দক্ষিণ আফ্রিকার কোচ মার্ক বাউচার। তবে এর মানে এই না যে, তাদের মধ্যকার সম্পর্কে চিড় ধরেছে। বরং এখনও আর্থুরের কাছ থেকে শিখতে প্রবল আগ্রহী বাউচার।

তিনি বলেন, ‘আমি হয়তো আর্থুরের সঙ্গে কোনো আড্ডায় বসব এবং তার কাছ থেকে কিছু জিনিস শিখে নেবো। আমরা তাদের (শ্রীলঙ্কা) কাছ থেকেও শিখতে পারি। যেন আমরা নিজেদের কোনো কষ্টকর অবস্থায় না নিয়ে যা। এখন বাড়তি সতর্ক থাকার সময়। একইসঙ্গে সঠিক সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য বড় এক স্কোয়াডও প্রয়োজন।’

>