সোমবার , ১লা মার্চ, ২০২১ , ১৬ই ফাল্গুন, ১৪২৭ , ১৬ই রজব, ১৪৪২

হোম > সারাদেশ > কালীগঞ্জে বঙ্গমাতা’র ৯০ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা দোয়া ও সেলাই মেশিন বিতরণ

কালীগঞ্জে বঙ্গমাতা’র ৯০ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা দোয়া ও সেলাই মেশিন বিতরণ

শেয়ার করুন

কালীগঞ্জ ব্যুরো ॥
গাজীপুর: জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিণী, মহীয়সী নারী বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৯০তম জন্মবার্ষিকী ছিল গতকাল। ১৯৩০ সালের এই দিনে গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কালরাতে তিনি জাতির পিতার হত্যাকারীদের হাতে নির্মমভাবে মৃত্যুবরণ করেন।

গাজীপুরের কালীগঞ্জে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব এর ৯০ তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা, দোয়া ও সেলাই মেশিন বিতরণ অনুষ্ঠানে ৬টি সেলাই মেশিন বিতরণ করেছেন সাবেক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি এমপি।

সোমবার সকালে “বঙ্গমাতা ত্যাগ ও সুন্দরের সাহসী প্রতীক” এই শ্লোগানকে সামনে রেখে, কালীগঞ্জ উপজেলা চত্বরের শহীদ ময়েজউদ্দিন অডিটোরিয়ামে, কালীগঞ্জের মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর ও জাতীয় মহিলা সংস্থার আয়োজনে, কালীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায়, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিনী বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব এর ৯০ তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ও সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়েছে। এ সময় উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় ৬ টি সেলাই মেশিন ও যুব উন্নয়ন দপ্তরের সহযোগিতায় চারা গাছ বিতরণ করেছেন সাবেক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি এমপি।

উক্ত সভায় কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ শিবলী সাদিকের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ আ’লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির মহিলা বিষয়ক সম্পাদক, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি, সাবেক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি এমপি।

এসময় প্রধান অতিথি তার বক্তোব্যে বলেন, বঙ্গবন্ধু যদি জাতির পিতা হয় তাহলে তার সহধর্মীনী বেগম ফজিলাতুন্নেছা বঙ্গ মাতা হওয়ার যোগ্যতা রাখেন। ইতিহাসে বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব কেবল এক জন প্রাক্তন রাষ্ট্রনায়কের সহধর্মিণীই নন, বাঙালির মুক্তি সংগ্রামে অন্যতম এক নেপথ্য অনুপ্রেরণাদাত্রী। বাঙালি জাতির সুদীর্ঘ স্বাধিকার আন্দোলনের প্রতিটি পদক্ষেপে তিনি বঙ্গবন্ধুকে সক্রিয় সহযোগিতা করেছেন। ছায়ার মতো অনুসরণ করেছেন প্রাণপ্রিয় স্বামী বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে। এই আদর্শ বাস্তবায়নের জন্য অবদান রেখেছেন।

জীবনে অনেক ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করেছেন, এজন্য অনেক কষ্ট-দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে তাকে। বঙ্গবন্ধুর সমগ্র রাজনৈতিক জীবনে ছায়ার মতো অনুসরণ করে তার প্রতিটি রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অফুরান প্রেরণার উত্স হয়েছিলেন বেগম মুজিব। বাঙালি জাতির মুক্তি সনদ ছয়-দফা ঘোষণার পর বঙ্গবন্ধু যখন বারে বারে পাকিস্তানি শাসকদের হাতে বন্দি জীবন যাপন করছিলেন, তখন দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মী বঙ্গমাতার কাছে ছুটে আসতেন, তিনি তাদের বঙ্গবন্ধুর বিভিন্ন দিকনির্দেশনা বুঝিয়ে দিতেন এবং লড়াই-সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার জন্য অনুপ্রেরণা জোগাতেন। যা বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।

এ সময় বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, কালীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেন পলাশ, ভাইস চেয়ারম্যান মাকসুদ-উল আলম খান, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শর্মিলা রোজারিও।

এ সময় অন্যদের মাঝে আরো উপস্থিত, কালীগঞ্জ উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু বকর চৌধুরী, পৌর আ’লীগের সভাপতি এস.এম রবিন হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মোঃ কামরুল ইসলাম,কেন্দ্রীয় প্রজন্ম লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও কালীগঞ্জ পৌর যুব লীগের সাবেক সভাপতি মোঃ ইব্রাহীম খন্দকার, পৌর যুব লীগের সাধারণত সম্পাদক মোঃ রেজাউল রহমান আশরাফি খোকন, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি তানভীর মোল্লা, সরকারি কালীগঞ্জ শ্রমিক কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মোহাই মিনুল ইসলাম লিকন প্রমুখ।

>