শুক্রবার , ২৩শে এপ্রিল, ২০২১ , ১০ই বৈশাখ, ১৪২৮ , ১০ই রমজান, ১৪৪২

হোম > Uncategorized > জিসিসি নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের দাবী জামায়াতের

জিসিসি নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের দাবী জামায়াতের

শেয়ার করুন

স্টাফ রিপোর্টার ॥ চরম পরাজয় আঁচ করতে পেরে সরকারদলীয় লোক বিভিন্ন কুট কৌশলের আশ্রয় নিচ্ছে। প্রশাসনকে প্রভাবিত করছে। দলীয় ক্যাডার হিসেবে নিয়োগ পাওয়া কর্মকর্তাদের নির্বাচনের দায়িত্ব দেয়া হচ্ছে। দলীয় লোকদের সাথে সরকারি কর্মকর্তা গোপন বৈঠক করছে। একজন প্রার্থীকে জয়ী করার সকল আয়োজন করার অপচেষ্টা চলছে। গণজোয়ার ঠেকাতে ১৮ দল সমর্থিত প্রার্থী অধ্যাপক এম.এ মান্নানের বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। বার বার দাবী করা হলেও অজ্ঞাত কারণে সেনা মোতায়েন করা হচ্ছে না। আমরা অবিলম্বে সেনা মোতায়েন দাবী করছি।
আজ বিকাল ৪টায় গাজীপুর মহানগরের ইউরো-বাংলা রেস্টুরেন্টে জেলা জামায়াতের আয়োজনে এক সংবাদ সম্মেলনে আয়োজন করা হয়। সম্মেলনে জেলা সেক্রেটারী অধ্যক্ষ এস.এম ছানউল্লাহ লিখিত বক্তব্যে উপরোক্ত কথা গুলো বলেন।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, জামায়াতের জেলা আমীর আবুল হাসেম, জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক ড. জাহাঙ্গীর আলম, জেলা সহকারী সেক্রেটারী অধ্যাপক জামাল উদ্দিন, জেলা জাগপা সভাপতি প্রিন্সিপাল হুমায়ুন কবির, সদর উপজেলার সেক্রেটারী আজহারুল ইসলাম, সাবেক পৌর শাখার সভাপতি খায়রুল ইসলাম, পৌর শাখার সাধারণ সম্পাদক মাও. সাখাওয়াত হোসেন প্রমুখ।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তবে আরো বলেন, বিগত চার সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ১৮ দল সমর্থিত প্রার্থীদের বিপুল বিজয় বর্তমান ফ্যাসিস্ট সরকারের গণহত্যা, খুন, গুম, দুর্নীতি ও দুঃশাসনের বিরুদ্ধে সুস্পষ্ট গণরায়। বিশেষ করে জামায়াতে-শিবিরের বিরুদ্ধে এ সরকারের জুলুম-নির্যাতনের মাত্রা সকল সীমা ছাড়িয়ে গেছে। জামায়াতের শীর্ষ নেতৃবৃন্দসহ হাজার হাজার নেতা-কর্মীকে জেলে আটক রাখা হয়েছে। নিবন্ধনকৃত রাজনৈতিক দল হওয়া সত্বেও কোন কার্যক্রম চালাতে দেয়া হচ্ছে না। দলটির নায়েবে আমীর আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে নাটকীয় ঘটনাবলীর মধ্য দিয়ে বির্তকিত রায় ঘোষণা করা হলে সারাদেশের জনগণ বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। চালানো হয় বর্বর গণহত্যা। পরবর্তিতে হেফাজতের উপর রাতের আধারে নিষ্ঠুর অভিযান চালানো হলে ব্যাপক হতাহতের ঘটনা ঘটে। সর্বোপরি বিশ্বজিৎ হত্যাকা- সকলকে ভাবিয়ে তোলে। এভাবেই দেশ পরিচালনায় চরম ব্যর্থতার কারণে সরকার গণবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

>