মঙ্গলবার , ২৪শে নভেম্বর, ২০২০ , ৯ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ , ৮ই রবিউস সানি, ১৪৪২

হোম > Uncategorized > থাই জাতীয় দলকে পেলো না বাংলাদেশ

থাই জাতীয় দলকে পেলো না বাংলাদেশ

শেয়ার করুন

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ আগের থাইল্যান্ড সফরে জাতীয় দলের সঙ্গে একটি ম্যাচ খেলেছিল বাংলাদেশ। গোলরকের ব্যর্থতায় ওই ম্যাচে ৫-০ গোলে হেরেছিল বাংলাদেশ। এবার বাফুফের যোগাযোগের ব্যর্থতা আর আগের ফলাফল দু’য়ে মিলে চলতি সফরে থাই জাতীয় দলের সাাৎ পাচ্ছে না মামুনুল-এমিলিরা। দুটি প্রস্তুতি ম্যাচের একটি খেলতে হলো প্রিমিয়ার লীগের পাঁচ নম্বর দল ওসোতস্পা সারাবুরির সঙ্গে। আজ শেষ ম্যাচে বাংলাদেশের প্রতিপ থাইল্যান্ড অনূর্ধ্ব-১৯ দল।
অথচ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের প্রস্তুতির জন্য জাতীয় দলের থাইল্যান্ড সফরের জন্য কয়েক মাস আগে থেকেই প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছিল বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। থাইল্যান্ড জাতীয় দলের সঙ্গে দুটি প্রস্ততি ম্যাচ খেলার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিলেন বাফুফে কর্মকর্তারা। সে উপলে ফুটবলারদের ঘটা করে প্রস্ততি ক্যাম্প করা হয়। হেড কোচ লোডউইক ডি ক্রুইফের অধীনে প্রায় মাসখানেক  ধরে প্রস্ত্তূতি পর্ব চলে ফুটবলারদের। চারবার পেছানোর পর শেষ পর্যন্ত মুখ রার জন্য জাতীয় দলকে থাইল্যান্ড পাঠানো হয় কোন গোছানো পরিকল্পনা ছাড়াই। থাইল্যান্ডে কোন দলের সঙ্গে ম্যাচ হবে এবং কখন, কোথায় হবে সেটি না জেনেই ব্যাংকক যাত্রা করতে হয় ফুটবলারদের। যদিও বাফুফের সাধারণ সম্পাদক আবু নাইম সোহাগ জানিয়েছিলেন থাইল্যান্ড জাতীয় দলের বিপে ম্যাচ হবে এবং বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ড জাতীয় দলের ম্যাচটিকে ফিফা প্রীতি ম্যাচের মর্যাদা দেয়ার জন্যও আবেদন করা হচ্ছে। কিন্তু সেটি যে ফাঁকা বুলি ছিল সেটা সহজেই অনুমেয়। নয় দিনের সফরে থাই জাতীয় দলের ছায়াও মাড়াতে পারেনি এমিলি- মামুনুলরা। ৩১শে জুলাই প্রথম ম্যাচে থাই প্রিমিয়ার লীগের পঞ্চমস্থানে থাকা ওসোতস্পা সারাবুরি এফসির বিপে মুখোমুথি হয়। ওই ম্যাচে ২-১ গোলে হেরে যায় লাল-সবুজরা। বহু প্রচেষ্টার পর দ্বিতীয় ম্যাচ আয়োজনে সম হন বাফুফে কর্মকর্তারা। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নিশ্চিত হয় যে, থাইল্যান্ড অনূর্ধ্ব-১৯ দলের বিপে দ্বিতীয় ম্যাচটি খেলবে সফরকারীরা। ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ে থাইল্যান্ডের অবস্থান যেখানে ১৩৮তম সেখানে বাংলাদেশ রয়েছে ১৫২তম অবস্থানে। র‌্যাঙ্কিংয়ে এত কাছাকাছি অবস্থানের দুটি দলের মধ্যে ম্যাচ হলে সেটা সমশক্তির হওয়াই বাঞ্ছনীয়। কিন্তু লজ্জাজনক বিষয় হচ্ছে থাই ফুটবল এসোসিয়েশন একাদশ বা থাই ‘এ’ দল এমনকি অনূর্ধ্ব-২৩ দলের মতো কারো বিপওে ম্যাচ আয়োজনে ব্যর্থ হয়েছেন বাফুফে কর্মকর্তারা।
এদিকে সাফ গ্রুপিংয়েও ডেথ গ্রুপখ্যাত ‘এ’ গ্রুপে পড়েছে বাংলাদেশ। যেখানে স্বাগতিক নেপাল, বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ভারত ও পাকিস্তানের মতো শক্ত প্রতিপরে মুখোমুখি হতে হবে মামুনুলদের। থাই সফরে শক্ত প্রতিপরে বিপে খেলে ফুটবলাররা আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর পাশাপাশি নিজেদের অবস্থানও যাচাই করতে পারতেন। তবে সেটি আর হচ্ছে না। শেষ পর্যন্ত থাই যুবাদের সঙ্গে খেলেই দেশে ফিরতে হচ্ছে কোচ ডি ক্রুইফের দলকে।
ওদিকে শনিবার থাই অনূর্ধ্ব ১৯ দলের বিপে বাংলাদেশ দলের ম্যাচটি হবে ওসোতস্পা সারাবুরি এফসির  মাঠে। ম্যাচ উপল্েয শুক্রবার ব্যাংককের নাংচকে থাই ন্যাশনাল ফুটবল সেন্টার মাঠে শেষবারের মতো গা গরম করেন এমিলি-মানুনুলরা। তবে চোটের কারণে দলের অনুশীলনে যোগ দিতে পারেননি মিডফিল্ডার জাহিদ ও ফরোয়ার্ড মোবারক। শেষ ম্যাচে এই দুই ফুটবলার মাঠে নামতে পারছে না সেটা  নিশ্চিত। ফলে কোন ম্যাচ না খেলেই ফিরতে হচ্ছে জাতীয় দলের নির্ভরযোগ্য এ দুই ফুটবলারকে। তবে সুখের খবর হচ্ছে এ ম্যাচে ফিরছেন অধিনায়ক মামুনুল ইসলাম।

>