মঙ্গলবার , ২৪শে নভেম্বর, ২০২০ , ৯ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ , ৮ই রবিউস সানি, ১৪৪২

হোম > Uncategorized > নাড়িভুড়ি বের করে নেয়া হয়েছে জামায়াতের

নাড়িভুড়ি বের করে নেয়া হয়েছে জামায়াতের

শেয়ার করুন

বাংলাভূমি২৪ ডেস্ক ॥
বাংলাদেশের প্রধান ইসলামী দল জামায়াতে ইসলামীর জন্য পরিস্থিতি আরও কঠিন হচ্ছে। কঠিন সময় পার করছেন দলটির নেতা কর্মীরা। তাদের আরো দুই গুরুত্বপূর্ণ নেতাকে সাজা দিয়েছেন দেশটির আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। তাদের বিরুদ্ধে ১৯৭১ সালের মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ রয়েছে। যে ছয়জনের বিরুদ্ধে রায় হয়েছে তার মধ্যে চারজনের ফাঁসির রায় দেয়া হয়েছে। দুই জনের যাবজ্জীবন। বিচারাধীন রয়েছেন আরো কয়েকজন।

লন্ডনের বিখ্যাত ম্যাগাজিন দ্যা ইকোনমিস্টের মুদ্রন সংস্করণের আগে অনলাইন সংস্করণ প্রতিবেদনে এসব কথা বলা হয়েছে।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল নামে পরিচিত অসুবিধাপূর্ণ দেশীয় আদালত দলটির শীর্ষ দুই নেতাকে তাদের মুক্তিযুদ্ধকালীন ভূমিকার জন্য দন্ড দিয়েছে। এখন পর্যন্ত দলটির পাঁচ নেতা সাজা পেয়েছেন। তাদের কাউকে কারাদন্ড এবং কাউকে মৃত্যুদন্ড দেয়া হয়েছে। যদিও জামায়াতকে এখন পর্যন্ত নিষিদ্ধ করা হয়নি তবে দলটির নাড়িভুড়ি বের করে নেয়া হয়েছে।

প্রতিবেদনটি এরইমধ্যে পত্রিকাটির অনলাইন সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে।

‘বাংলাদেশী পলিটিক্স, জামায়াত টুমরো, আফটার অ্যা লাল মোর ওয়ার ক্রামইস কনভিকশনস ফর অপোজিশন ফিগারস’ শীর্ষক প্রতিবেদনে বাংলাদেশে আগামী ছয় মাস শান্তিপূর্ণ হবে না বলেও মন্তব্য করা হয়েছে।

দ্যা ইকোনমিস্ট সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের রাজনীতি, গার্মেন্ট এবং যুদ্ধাপরাধের বিচার নিয়ে একাধিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। বিচারপতি মো. নিজামুল হকের স্কাইপ কথোপকথন নিয়ে পত্রিকাটির বিরুদ্ধে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ আদালত অবমাননার রুলও জারি করে। আগামী ২৭শে আগস্ট ওই রুলের আদেশ দেয়ার কথা রয়েছে।

পত্রিকাটির বাংলাদেশ সম্পর্কিত সর্বশেষ প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, মুক্তিযুদ্ধের শেষ সময়ে বুদ্ধিজীবী নিধনে নির্দেশনা দেয়ার কারণে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা জামায়াতকে দীর্ঘদিন নেতৃত্ব দেয়া গোলাম আযমকে ‘আলোকবর্তিকা’ হিসেবে অভিহিত করেন।

জামায়াতের ছাত্র সংগঠন ডেথ স্কোয়াড গঠনে সদস্য সরবরাহ করে যারা পাকিস্তানি সৈন্যদের সঙ্গে অপরাধ সংঘটন করে। ১৫ জুলাই ট্রাইব্যুনাল গোলাম আযমকে যুদ্ধাপরাধের দায়ে ৯০ বছর কারাদন্ড দেয়। ট্রাইব্যুনাল বলেন, তিনি মৃত্যুদন্ড পাওয়ারই যোগ্য তবুও বয়স এবং স্বাস্থ্যগত দিক বিবেচনায় তাকে কারাদন্ড দেয়া হলো। গোলাম আযমের আইনজীবী বলছেন, তাকে কারাদন্ড দেয়া হয়েছে শুধুমাত্র স্বাধীনতার বিরোধিতা করার জন্য।

>