বৃহস্পতিবার , ২১শে জানুয়ারি, ২০২১ , ৭ই মাঘ, ১৪২৭ , ৭ই জমাদিউস সানি, ১৪৪২

হোম > আন্তর্জাতিক > নির্যাতিতার বাড়িতে গেলেন রাহুল-প্রিয়াংকা

নির্যাতিতার বাড়িতে গেলেন রাহুল-প্রিয়াংকা

শেয়ার করুন

অনলাইন ডেস্ক ॥
ভারতের উত্তরপ্রদেশের হাথরসে নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করে তাদের কথা শুনেছেন প্রিয়াংকা ও রাহুল গান্ধী।

পুলিশি বাধা উপেক্ষা করে নির্যাতিতা দলিত তরুণীর বাড়ি গিয়ে কংগ্রেসের ওই দুই নেতা বলেন, উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকে বুঝতে হবে, যেখানেই অন্যায় হবে, সেখানেই আমরা যাব। আমাদের কেউ আটকাতে পারবে না। আমরা অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়ব। খবর এনডিটিভি ও আনন্দবাজারের।

রাহুল-প্রিয়াংকার পৌঁছার ২ মিনিটের মধ্যেই উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর দফতর হাথরসের ঘটনায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে।

রাজনীতিকরা মনে করছেন, ঘরে-বাইরে চাপের মুখেই এ সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে যোগীকে। এর মধ্যে বিরোধীদের রাজনৈতিক অস্ত্র ভোঁতা করে দেয়ার কৌশলও রয়েছে।

হাথরসের ঘটনায় পুলিশ-প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েই প্রশ্ন উঠেছিল। যোগীকে মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে সরানোরও দাবি উঠেছিল। যোগী শনিবার নিজের পুলিশ-প্রশাসন থেকে সিবিআইয়ের দিকে নজর ঘুরিয়ে দিতে চাইলেন।

যোগীর ওপরে চাপ বাড়াতে রাহুল-প্রিয়াংকা কংগ্রেসের ৩৫ জন এমপিকে নিয়ে হাথরসের উদ্দেশে এআইসিসি সদর দফতর থেকে রওনা দিয়েছিলেন।

এমপিরা ছিলেন মিনিবাসে। সঙ্গে কয়েকশ সমর্থক। কিন্তু দিল্লি পেরিয়ে উত্তরপ্রদেশে ঢোকার মুখে ডিএনডি (দিল্লি-নয়ডা-দিল্লি) ফ্লাইওভারের মুখে বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করে কার্যত খাকি উর্দির প্রাচীর তৈরি করে ফেলা হয়।

রাহুল হাথরস রওনা হওয়ার আগেই বলেছিলেন, ‘দুনিয়ার কোনো শক্তি আমাকে আটকাতে পারবে না।’

হাথরসে গত তিন দিন ধরে দলিত তরুণীর গণধর্ষণ ও মৃত্যুর ঘটনা নিয়েই ভারতের রাজনীতি উত্তাল। মঙ্গলবার মাঝরাতে পরিবারের আপত্তি সত্ত্বেও পুলিশ প্রশাসন তরুণীর মৃতদেহ জ্বালিয়ে দেয়।

পরিবারের লোকেদের দাবি, ধর্ষিতাকে সৎকারের সুযোগ দেয়া হয়নি। বৃহস্পতিবার থেকে হাথরসে বুল গড়হী গ্রামে সাংবাদিকদের প্রবেশ বন্ধ করে দেয়া ও রাহুল-প্রিয়াংকাকে যেতে না দেয়ায় পরিস্থিতি আরও ঘোলাটে হয়ে ওঠে। শুক্রবার তৃণমূলের এমপিরাও গ্রামে ঢুকতে পারেননি।

>