মঙ্গলবার , ১৯শে জানুয়ারি, ২০২১ , ৫ই মাঘ, ১৪২৭ , ৫ই জমাদিউস সানি, ১৪৪২

হোম > জাতীয় > বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য বাঙালির অবিনাশী চেতনার মূর্ত প্রতীক

বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য বাঙালির অবিনাশী চেতনার মূর্ত প্রতীক

শেয়ার করুন

স্টাফ রিপোর্টার ॥
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য বাঙালির অবিনাশী চেতনার মূর্ত প্রতীক বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

তিনি বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙে স্বাধীনতা ছিনিয়ে আনার অনুপ্রেরণা। ভাস্কর্য নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টিকারীরা বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে বিতর্কের অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়েছেন। একই সঙ্গে তারা বাংলাদেশের স্বাধীন সত্ত্বা নিয়ে বিতর্ক করছেন।

শুক্রবার (৪ ডিসেম্বর) সাভারে বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএলআরআই) সম্মেলন কক্ষে দু’দিনব্যাপী বার্ষিক গবেষণা পর্যালোচনা কর্মশালা-২০২০ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ অবিচ্ছেদ্য। বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য চিরভাস্বর হয়ে থাকবে। এ বিষয় নিয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত বিতর্ক সৃষ্টিকারীদের অসৎ উদ্দেশ্য আছে। এটা নিয়ে বাড়াবাড়ি করলে এদেশের স্বাধীনতাকামী কোটি কোটি মানুষ তাদের প্রতিহত করবে। আইনও তার নিজস্ব গতিতে চলবে।

দেশের উন্নয়নে সবচেয়ে বড় খাতের একটি প্রাণিসম্পদ উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ খাতে গবেষণার মাধ্যমে নতুন নতুন ধারণা তৈরি হচ্ছে এবং সেটাকে আমরা কাজে লাগাচ্ছি। গবেষণালব্ধ ফলাফলের ভিত্তিতে আমরা প্রাণিসম্পদের বিভিন্ন জাত সৃষ্টি করতে পারছি। এর মাধ্যমে মানুষের পুষ্টি-আমিষের চাহিদা মেটানো যাবে, বেকারত্ব দূর করা যাবে। খাদ্যের একটা বড় অংশ আসে প্রাণিসম্পদ খাত থেকে। দেশের অর্থনীতির চাকা সচল করা, উদ্যোক্তা তৈরি ও বেকারত্ব দূর করার বড় একটি ক্ষেত্রও এই প্রাণিসম্পদ। এই খাতের বহুমুখী প্রয়োজন ও ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে।

বিএলআরআই’র বিজ্ঞানী ও গবেষকদের উদ্দেশে প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, দেশের মেধাবী গবেষকরা গবেষণালব্ধ ফলাফল দিয়ে দেশ ও জাতিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। বিএলআরআই’র নতুন নতুন গবেষণা সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে সহায়তা করছে। এই গবেষণা দেশের উন্নয়নে কাজে লাগছে। যে সব এলাকায় প্রাণিসম্পদ খাত সংকুচিত হয়ে গেছে, সেসব এলাকায় প্রাণিসম্পদ বৃদ্ধির জন্য কাজ করতে হবে। গবেষণা ক্ষেত্রে মেধাকে আরও বেশি সন্নিবেশিত করতে হবে। এতে সরকার সমর্থন দেবে। এমন কিছু আবিষ্কার করুন যা দিয়ে আমরা সারাবিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিতে পারি। আশা করি আপনাদের গবেষণা দেশে ও দেশের বাইরে আমাদের গর্বিত করবে, দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।

এ সময় গবেষণা কাজের পোস্টার প্রদর্শনী উদ্বোধন করেন মন্ত্রী। কর্মশালায় বিএলআরআই’র ৬০টি গবেষণা অগ্রগতি উপস্থাপন করা হবে।

বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. নাথু রাম সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদ ও প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের মহাপরিচালক ডা. আবদুল জব্বার শিকদার বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

বিএলআরআই’র অতিরিক্ত পরিচালক মো. আজহারুল আমিন অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন এবং মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শাহ মো. ইমদাদুল হক সম্মানীয় অতিথির বক্তব্য দেন।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন- মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সুবোল বোস মনি ও মো. তৌফিকুল আরিফ, যুগ্ম সচিব এস এম ফেরদৌস আলম, প্রাণিসসম্পদ অধিদফতরের এলডিডিপি প্রকল্পের পরিচালক মো. আব্দুর রহিম, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক এবং বিএলআরআই’র বিজ্ঞানী ও কর্মকর্তারা।

>