সোমবার , ৩০শে নভেম্বর, ২০২০ , ১৫ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ , ১৪ই রবিউস সানি, ১৪৪২

হোম > শীর্ষ খবর > বাংলাদেশের সঙ্গে স্থলসীমান্ত চুক্তি নিয়ে আবার উদ্যোগী ভারত

বাংলাদেশের সঙ্গে স্থলসীমান্ত চুক্তি নিয়ে আবার উদ্যোগী ভারত

শেয়ার করুন

বাংলাভূমি২৪ ডেস্ক ॥ বাংলাদেশের সঙ্গে স্থলসীমান্ত চুক্তি করতে ফের উদ্যোগী হচ্ছে ভারত। দেশটির সংসদের আসন্ন বর্ষাকালীন অধিবেশনে চুক্তিটি সংসদের দুই কে পাশ করিয়ে নিতে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার মিরিয়া হয়ে চেষ্ট করছে। ইতোমধ্যেই ওই অধিবেশনের আগে ওই চুক্তি বিরোধী দলগুলিকে বোঝানোর প্রবল চেষ্টা শুরু হয়েছে মতাসীন কংগ্রেস।

জানা যায়, ভারতে আগে বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী সালমান খুরশিদের ধারাবাহিক সংলাপে কিছুটা জট কেটেছিল। প্রায় এক বছর ধরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা দফায় দফায় বসেছিলেন রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গ এবং মূলত অসমের বিজেপি নেতৃত্বের বিদ্রোহে বিষয়টি সমাধা হয়নি।

একটি সরকারি সূত্রের বরাত দিয়ে পশ্চিমবঙ্গের দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকা জানায়, ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখতে আগ্রহী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার। এই চুক্তির মাধ্যমে ছিটমহলসহ নানা সমস্যার সমাধান করে ফেলা গেলে তা জাতীয় স্বার্থের পওে ভাল। তা না হলে ভবিষ্যতে আরও কঠিন পরিস্থিতির মুখে পড়তে হতে পারে।

এই চুক্তির পে তথ্য ও পরিসংখ্যান তুলে ধরে ভারতের সরকার বলছে, এটি হলে ভারতকে বেশি জমি দিয়ে দিতে হবে বলে যে ধারণা তৈরি হয়েছে তা সঠিক নয়। আসাম এবং পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি নেতাদের দাবি, ভারতে বাংলাদেশি ছিটমহল রয়েছে ৫১টি, যার এলাকা প্রায় ৭ হাজার একর। আর বাংলাদেশের মধ্যে ভারতের ১১১টি ছিটমহল রয়েছে, যার জমির পরিমাণ প্রায় ১৭ হাজার একর। ফলে সোজা হিসাবে এই ছিটমহল হস্তান্তর হলে ভারত পাবে ৭ হাজার একর, কিন্তু দিতে হবে ১৭ হাজার একর।

এদিকে বিরোধীদের এই ধারণার মোকাবিলায় ভারতীয় সরকার একটি পুস্তিকা তৈরি করেছে। তাদের বক্তব্য, খাতায় কলমে বেশি জমি বাংলাদেশকে দিতে হচ্ছে ঠিকই। কিন্তু সেটা নেহাতই খাতায় কলমে। বাস্তব পরিস্থিতি হলো, ওই জমি কখনওই ভারতের ছিল না। ভারতীয় ছিটমহলগুলি বাংলাদেশের গভীরে। সেখানে কখনওই ভারত পা রাখেনি। সেটি কার্যত বাংলাদেশেরই দখলে থেকেছে।
ভারতে বাংলাদেশি ছিটমহলের েেত্র আবার এর বিপরীত চিত্রটি সত্য। ফলে বাস্তব পরিস্থিতিকেই বৈধতা দেবে স্থলসীমান্ত চুক্তি। ছিটমহল ছাড়াও দুদেশের দখলে থাকা কিছু এলাকা বিনিময় হবে। সরকারি পরিভাষায় ওই এলাকার নাম ‘পরিপন্থীভাবে দখলে থাকা এলাকা’। সেই এলাকার বিনিময়ের েেত্র আসম আসলে বাংলাদেশের কাছ থেকে ৫০০ একর জমি ফেরত পাবে বলে দাবি করেছে তারা।

>