সোমবার , ৩০শে নভেম্বর, ২০২০ , ১৫ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ , ১৪ই রবিউস সানি, ১৪৪২

হোম > Uncategorized > বিচার হবে আল বারাদির ব্রাদারহুডের শীর্ষনেতা গ্রেপ্তার

বিচার হবে আল বারাদির ব্রাদারহুডের শীর্ষনেতা গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন

বাংলাভূমি২৪ ডেস্ক ॥ আইনজিবি দাবী করলেও এখনই মুক্তি পাচ্ছেন না মিশরের সাবেক প্রেসিডেন্ট হোসনি মুবারক। তিনি দুর্নিতির মামলায় একটি অভিযোগ থেকে অব্যাহতি পেলেও তার বিরুদ্ধে রয়েছে আরও মামলা। সেগুলোর ভবিষ্যত কি তা এ মুহূর্তে বলা যাচ্ছে না। ওদিকে মামলা থেকে তার অব্যাহতি পাওয়ার খবরে মিশর সহ বিশ্বজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। বলা হচ্ছে, নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসীকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর কেন তাকে জেল থেকে মুক্তি দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। তার বিরুদ্ধে ২০১১ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় অনেক বিক্ষোভকারীকে হত্যাসহ বেশ কিছু সুনিদৃষ্ট দুর্নিতি মামলা রয়েছে। এমন অবস্থায় তাকে মুক্তি দেওয়া নিয়ে নানা আলোচনা বিশেষজ্ঞ মহলে। অনেকে মনে করছেন সেনাবাহিনী সমর্থিত অন্তর্র্বতী সরকারের সাথে মোবারকের গোপন আতাত রয়েছে। তবে এসব বক্তব্যের কোন জবাব পাওয়া যায়নি মিশর সরকারের পক্ষ থেকে। এরই মধ্যে সরকার মুসলিম ব্রাদারহুড ভেঙে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। আটক করা হয়েছে দলটির আধ্যাত্মিক নেতা মোহাম্মাদ বাদিকে। কায়রোর নাসর শহরে মোহাম্মাদ বাদির বাসস্থান থেকে মঙ্গলবার তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। রাষ্ট্রীয় টিভি চ্যানেল নাইল’এ সংবাদটি প্রচারিত হয়। বাদির বিরুদ্ধে সংঘাত উস্কে দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে। ব্রাদারহুডের পক্ষ থেকে বাদির অবর্তমানে তার সহকারী মাহমুদ ইজ্জাতকে অস্থায়ীভাবে দায়িত্ব অর্পন করা হয়েছে। আল-জাজিরা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র থেকে জানতে পেরেছে, মঙ্গলবার সকালে বাদিকে দক্ষিণ কায়রোর তোরা কারাগারে প্রেরন করা হয়েছে। উল্লেখ্য, এ কারাগারেই হোসনি মোবারক ও তার অন্যান নেতারা আটক আছেন। ব্রাদারহুডের উচ্চপদস্থ নেতা আহমেদ আরেফ দলটির ওয়েবসাইটে বলেন, বাদির গ্রেপ্তারে কোনোকিছুই পরিবর্তন হবে না। তবে মোহাম্মাদ বাদির গ্রেপ্তারের ঘটনা গুরুত্বের সাথেই বিবেচনা করছে বিশেষজ্ঞ মহল। কেননা কোন দলের আধ্যাত্মিক নেতাকে আটক করা বরাবরই রেড-লাইন হিসেবে দেখা হয়ে আসছে। এমনকি হোসনি মোবারকের শাসনামলেও সে কখনও বাদিকে আটক করেনি। এর আগে গতকাল সিনাই এলাকায় সন্দেহভাজন এক জঙ্গীদল রকেটচালিত গ্রেনেড দিয়ে নিরাপত্তাবাহীনি সদস্যদের নিয়ে যাওয়া দুটি বাসে হামলা চালায়। এ হামলায় ২৫ জন সৈনিক নিহত হয়। অন্তর্র্বতী সরকারের প্রেসিডেন্ট আদলি মানসুর হামলাটির পর ৩ দিনের জাতীয় শোকদিবস ঘোষণা করেছে। গত দুসপ্তাহে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য ও বেসামরিক নাগরিক সবমিলিয়ে কমপক্ষে ৯০০ জন মারা গেছে। গত বুধবার মুরসী সমর্থিতদের অবস্থান ধর্মঘট হটাতে সামরিক বাহিনীর তাণ্ডবলীলার পর থেকে সংঘাতময় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। সিনাই অঞ্চলে জঙ্গী হামলায় মিশরের সেনাদের হত্যা করার ঘটনার নিন্দা জানিয়েছে মুসলিম ব্রাদারহুড। দলটির মিডিয়া বিষয়ক উপদেষ্টা মুরাদ মোহাম্মদ আলি বলেন, আমাদের শান্তিপূর্ন প্রতিবাদ যেকোন অস্ত্রের চেয়ে শক্তিশালী। উল্লেখ্য, উৎখাত হওয়ার পর থেকে এপর্যন্ত মোহাম্মদ মুরসি আটক রয়েছেন। মুরসির আটকাদেশ আরও ১৫ দিন বাড়িয়েছে আদালত।

>