মঙ্গলবার , ২রা মার্চ, ২০২১ , ১৭ই ফাল্গুন, ১৪২৭ , ১৭ই রজব, ১৪৪২

হোম > প্রবাস > বিশ্বের মনমুগ্ধকর সাতটি হোটেল-রেস্তোরা

বিশ্বের মনমুগ্ধকর সাতটি হোটেল-রেস্তোরা

শেয়ার করুন

বাংলাভূমি ডেস্ক ॥ অবসর বিনোদন আর হোটেল-রেঁস্তোরা দুটিই পাশাপাশি। অধিকাংশ হোটেল-রেঁস্তোরাই পর্যটকেরা ব্যবহার করে থাকেন প্রয়োজন পূরণ অথবা ক্ষুধা নিবারণের জন্য। খুব কমই এমন আছে যার সৌন্দর্য মানুষকে প্রলুব্দ করে। পৃথিবীর কয়েকটি জায়গায় এমন কিছু হোটেল আছে যা ঘুরে আসলে পর্যটকরা পাবেন অভূতপূর্ব এক অভিজ্ঞতা। আর মনে হবে ভ্রমণটি অসাধারণ যার মূল্য হয় না। পৃথিবীর এমনি ব্যাতিক্রম ৭ টি হোটেল-রেঁস্তোরা নিয়ে ‘সেভেন হোটেল রেস্টুরেন্টস ইউ’ল বি টকিং এবাউট ফর ইয়ারস’ শিরোনামে একটি নিবন্ধ প্রকাশ করেছে আর্ন্তজাতিক গণমাধ্যম সিএনএন। এবার সে সাতটি হোটেল ও রেঁস্তোরার কথায় আসি।

মালদ্বীপের বেলাসসরু রিসোর্ট

চারদিকে ধু-ধু বালি বেষ্টিত। আর এর ভিতরই রয়েছে বালু দিয়ে তৈরি সোফা সেট। এখানে না বসেই পারবেন না এমন এক পরিবেশ!

সোফায় বসে মনে হবে কাছের সৈকত যেন বলছে, অভূতপূর্ব থেকে যাও। আর সূর্যটা যখন ডুবো ডুবো করবে সে মুহূর্তে হোটেলের একদল নিষ্ঠাবান সেবকেরা আপনাকে পরিবেশন করবে ইন্দোনেশিয়ার এক ধরনের ফিস্ট। যা আপনার ক্ষুধা মিটিয়ে দিবে নিমিষেই!

অস্ট্রেলিয়ার লঙ্গিচুড ১৩১

লাল রংয়ের খেলা উপভোগ করতে চান? তাহলে আপনাকে যেতে হবে  অস্ট্রেলিয়ার লঙ্গিচুড ১৩১ রেঁস্তোরায়।

আকাশের নিচে লাল পাথরের ব্যাকগ্রাউন্ডে এ রেঁস্তোরায় যখন বসবেন মনে হবে চারদিকে লাল রংয়ের খেলা। মোমবাতির মতই রঙিন স্নিগ্ধ আলো! যখন খেতে বসবেন মনে হবে খুব একটি রোমান্টিক পরিবেশে আছেন আপনি!

এখানকার পরিবেশনটাই অন্যরকম। কুমির, ক্যাঙ্গারুর মতো ডিজাইনের বাহারি প্লেট পাবেন আপনার ডিনারের জন্য। খাবারে বসেই যেন পেয়ে যাচ্ছেন সেখানকার সংস্কৃতির পরিচয়।

থাইল্যান্ডের সনঈভা রিসোর্ট

মাটি থেকে ঠিক ৬ মিটার ওপরে বাশেঁর তৈরি গাছের সাথে ঝুলানো রেঁস্তোরা।  এরকম গাছের চূড়ায় বসে খাবার-দাবার আর বিনোদনের ব্যবস্থা আছে থাইল্যান্ডের সনঈভা রিসোর্টে।

চূড়ায় বসে দুশ্চিন্তারও কারণ নেই। সেখানে একদল দক্ষ সেবক কর্মী রয়েছে যারা পর্যটকের ইচ্ছেমতো খাবার তৈরিতে ও সার্ভিস দিতে প্রস্তুত।

আপনার তখন মনেই পড়তে পারে টারজানকে যদি এ পরিবেশে পাওয়া যেত তাহলে অতৃপ্তি পুরোটা মিটে যেত!

ইতালির হোটেল রিস্টোরেন্ট গ্রোথা প্যালাজেস

দক্ষিণ ইতালির আদ্রিয়াতিক সাগরের গুহার মতো একটি স্থানে এই হোটেল। এটি মে ও অক্টোবরে পর্যটকদের জন্য খোলা থাকে। এর পরিবেশ মুহূর্তেই মুগ্ধ করে তোলে হাজার হাজার পর্যটককে।

আদ্রিয়াতিক সাগর থেকে এটি  ৭৪ ফুট উঁচুতে। একপাশে একদম নিচে সাগর আর অপর পাশে গুহা আপনাকে মুগ্ধ না করে ছাড়বেনা যেন!

আর এখানকার পরিবেশনায় রয়েছে সমুদ্রের সব মজাদার ও মুখরোচক খাবার।

মালদ্বীপের কনরাড

সমুদ্রের নিচে বসে মাছ দেখা, বিভিন্ন প্রানী দেখার এক বিরল সুযোগ করে দিবে মালদ্বীপের কনরাড রেঁস্তোরা। সেখানে আপনি যেন আপনার চোখকে বিশ্বাসই করতে পারবেন না!

পানির লেভেল থেকে ৫ মিটার গভীর পর্যন্ত উচ্চতায় এটি নির্মাণ করা হয়েছে। এখানে ভ্রমণের জন্য আপনাকে দিনের বেলাতেই যেতে হবে। আর সেখানে পাওয়া যাবে লাঞ্চ করার সুযোগ।

আর আপনি মনের অজান্তেই হয়তো আবার আসার সময় ঠিক করবেন!

নিউজিল্যান্ডের ট্রি-টপস লজ

খুব উচুঁতে ঝর্ণার পাশেই বসার সুযোগ করে দিয়ে তৈরি করা হয়েছে নিউজিল্যান্ডের ট্রি-টপস লজ। এখানে আপনি বনের ফল-ফলাদি তো পাবেনই সেই সাথে বন্য জীব-জন্তুকে কাছ থেকে বসে দেখারও সুযোগ হবে।

আর এখানে আপনি পাবেন বিকালে বসে নাস্তা করার সুযোগ। পাশে এ রকম ঝর্ণা নিয়ে নাস্তার সুযোগ আর কোথায় পাবেন!

ব্যাংককের লেবুয়া এট স্ট্যাট টাওয়ার

পৃথিবীর সবচাইতে উঁচু রেঁস্তোরায় বসে সময় কাটাতে চান তাহলে আপনি যেতে পারেন ব্যাংককের লেবুয়া এট স্ট্যাট টাওয়ার।

অনেক উঁচুতে বসে উপভোগ করতে পারবেন চারপাশের নান্দিকতা। আর আপনার পরিবেশকে আরো প্রাণবন্ত করতে গানের ব্যবস্থাও রয়েছে। তবে এখানে যেতে হলে আপনাকে অন্তত এক সপ্তাহ আগে বুকিং দিতে হবে।

>