সোমবার , ৩০শে নভেম্বর, ২০২০ , ১৫ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ , ১৪ই রবিউস সানি, ১৪৪২

হোম > Uncategorized > ব্রাদারহুডের শীর্ষ নেতাদের গ্রেপ্তারের নির্দেশ

ব্রাদারহুডের শীর্ষ নেতাদের গ্রেপ্তারের নির্দেশ

শেয়ার করুন

বাংলাভূমি ডেস্ক ॥ সহিংসতা সৃষ্টির অভিযোগে মিশরের সরকারি প্রসিকিউটর ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসির দল মুসলিম ব্রাদারহুডের শীর্ষ নেতাদের গ্রেপ্তারের নির্দেশ দিয়েছেন। এর ফলে সেখানে সঙ্কট নতুন মাত্রা নেবে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা। ওদিকে পশ্চিমা দেশগুলো মিশর ইস্যুতে অনেকটা পর্যবেক্ষকের ভূমিকা অবলম্বন করছে। যুক্তরাষ্ট্র এখনও এ বিষয়ে সতর্ক পা ফেলছে। তারা মোহাম্মদ মুরসিকে ক্ষমতাচ্যুত করাকে স্বাগত জানায় নি। আবার সেনাদের পদক্ষেপ ‘অভ্যুত্থান’ এমন আখ্যায়িত করে নিন্দাও করেনি। এমন অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্র মিশরকে দিতে যাচ্ছে ৪টি এফ-১৬ যুদ্ধবিমান। মিশরে ক্ষমতার পালাবদলে যে ঘটনা ঘটেছে তাকে যদি সামরিক অভ্যুত্থান হিসেবে আখ্যায়িত করা হয় তাহলে মিশরকে দেয়া সামরিক সহায়তা প্রত্যাহার করতে হবে যুক্তরাষ্ট্রের। মিশর সহিংসতা নিয়ে পশ্চিমা দাতারা ও ইসরাইল এখন হিসাব মেলানোর চেষ্টা করছে। গতকাল এ খবর দিয়েছে ইন্টারন্যাশনাল হেরাল্ড ট্রিবিউনের পাকিস্তানি সংস্করণ দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউন। এতে বলা হয়েছে, দেশটিতে প্রথম গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর আধুনিক ইতিহাসে তা ফের এমন এক তিক্ত অবস্থানে গেছে, যা এর আগে দেখা যায়নি। ব্রাদারহুডের মুখপাত্র জিহাদ আল হাদ্দাদ বলেছেন, তাদের নেতা মোহাম্মদ বাদি ও সিনিয়র অনেক নেতার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারের যে নির্দেশ দেয়া হয়েছে তার মধ্য দিয়ে মুরসি সমর্থকদের আন্দোলনে ভাটা টানার চেষ্টা করা হচ্ছে। ওদিকে মিশরের রাজধানী কায়রোতে অর্থনীতি একেবারে ভেঙে পড়েছে। অচল রাজধানীতে কোন স্বাভাবিক কাজকর্ম নেই। এ অবস্থায় উপসাগরীয় তিনটি দেশ তাদের সহায়তায় এগিয়ে এসেছে। এর মধ্যে কুয়েত নগদ ৪০০ কোটি ডলার ঋণ দিতে চেয়েছে। এর আগের দিন সৌদি আরব দিতে চেয়েছে ৫০০ কোটি ডলার। সংযুক্ত আরব আমিরাত দিতে চেয়েছে ৩০০ কোটি ডলার। পবিত্র রমজানেও সেখানে স্বস্তি নেই। মিশরবাসী প্রত্যাশা করেছিলেন রমজানে পরিস্থিতি শান্ত হয়ে আসবে। কিন্তু ঘৃণা, হিংসা বেড়েছে। ব্রাদারহুডের হাজার হাজার সমর্থক তীব্র গরম উপেক্ষা করে রাজপথ দখলে রেখেছে। রোজা রাখার পরও তারা তাদের নেতা মোহাম্মদ মুরসিকে ক্ষমতা ফিরিয়ে দেয়ার দাবিতে অনড়। ওদিকে সোমবার ভোরে ফজরের নামাজের পরই সেনাদের সঙ্গে গোলাগুলির ঘটনায় এরই মধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৬৫০ জনকে।

>