রবিবার , ২৯শে নভেম্বর, ২০২০ , ১৪ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ , ১৩ই রবিউস সানি, ১৪৪২

হোম > আন্তর্জাতিক > মোটা হওয়ার বিড়ম্বনা

মোটা হওয়ার বিড়ম্বনা

শেয়ার করুন

বাংলাভূমি ডেস্ক ॥ মোটা হওয়ায় প্রচণ্ড ফাঁদে পড়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার এক শেফ। তাকে নিউজিল্যান্ড পরিষ্কার বলে দিয়েছে, এত মোটা মানুষকে তাদের দেশে বসবাস করতে দেয়া যাবে না। ফলে ভীষণ এক জটিল পরিস্থিতিতে পড়েছেন শেফ আলবার্ট বুইতেনহুইস। তার ওজন ১৩০ কেজি। এত বেশি ওজন গ্রহণযোগ্য নয়। এমন নোটিশ পাওয়ার পর তিনি ওজন কমিয়েছেন ৩০ কেজি। তা সত্ত্বেও এখন তাকে নিউজিল্যান্ড থেকে বহিষ্কার করা হতে পারে। তিনি ৬ বছর আগে নিউজিল্যান্ডের ক্রিস্টচার্চ শহরে গিয়ে কাজ শুরু করেন। গতকাল এ খবর দিয়েছে অনলাইন বিবিসি। এতে বলা হয়, মোটা মানুষদের দেশ হিসেবে উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে নিউজিল্যান্ড অন্যতম। সেখানে শতকরা প্রায় ৩০ ভাগ মানুষ অতিরিক্ত মোটা। ২০০৭ সালে শেফ আলবার্ট বুইতেনহুইস ও তার স্ত্রী মারথি পাড়ি জমান ক্রিস্টচার্চ শহরে। তখন তার ওজন ছিল ১৬০ কেজি। ওই সময় থেকে তাদের ভিসা নবায়ন করতে খুব কমই সমস্যায় পড়তে হয়েছে। মারথি বলেছেন, আমরা প্রতি বছর যখন ভিসার জন্য আবেদন করেছি তখন তারা কোন ইস্যু তোলেনি। তারা কখনও আলবার্ট বুইতেনহুইসর অতিরিক্ত ওজন বা তার স্বাস্থ্যগত বিষয় সামনে তুলে ধরে নি। আলবার্ট বুইতেনহুইস ভীষণ ওজন হলেও তারা এ বিষয়টি মাথায় নেয় নি। কিন্তু এ বছর মে মাসের শুরুতে তাদের ভিসা নবায়ন আবেদন প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে আলবার্ট বুইতেনহুইসর অতিরিক্ত ওজনের কারণে। এক্ষেত্রে আসল সত্য যেটা তা হলো- আমরা যখন প্রথম নিউজিল্যান্ডে আসি তখন আমার স্বামীর ওজন তো এখনকার ওজনের অনেক কম ছিল। আলবার্ট বুইতেনহুইসর সামপ্রতিক ওজন কমানোর কথা তুলে ধরে নিউজিল্যান্ডের অভিবাসনবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেছেন। কিন্তু অভিবাসনবিষয়ক এক মুখপাত্র জানিয়ে দিয়েছেন আলবার্ট বুইতেনহুইসরের আবেদন প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। কারণ তিনি অতিরিক্ত মোটা। এত মোটা হওয়ায় তার ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি। ওই কর্মকর্তা বলেছেন, নিউজিল্যান্ডের স্বাস্থ্য বিভাগের খরচ কম রাখতে সব অভিবাসীকে গ্রহণযোগ্য ওজনের মধ্যে থাকতে হবে।

>