বুধবার , ২৫শে নভেম্বর, ২০২০ , ১০ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ , ৯ই রবিউস সানি, ১৪৪২

হোম > Uncategorized > রোনালদিনহোর পুনর্জন্ম!

রোনালদিনহোর পুনর্জন্ম!

শেয়ার করুন

র্স্পোটস ডস্কে ॥ রোনালদিনহোপ্রথম লেগে ২-০ গোলে পিছিয়ে পড়ার পর অ্যাটলেটিকো মিনেইরোর শিরোপা জয়ের স্বপ্নটা অনেকখানিই ফিকে হয়ে গিয়েছিল। তার পরও সতীর্থদের মাঝে সব সময়ই আশার বাতি জ্বালিয়ে রেখেছিলেন রোনালদিনহো। সমর্থকদের কথা দিয়েছিলেন ঘুরে দাঁড়ানোর। মিনেইরোকে প্রথমবারের মতো কোপা লিবার্তাদোরেস জিতিয়ে সত্যিই কথা রাখলেন ২০০৪ ও ২০০৫ সালের ফিফা বর্ষসেরা ফুটবলার। সবাইকে মনে করিয়ে দিলেন, এখনো তিনি ফুরিয়ে যাননি।

দণি আমেরিকান কাব ফুটবলের সবচেয়ে বড় প্রতিযোগিতা কোপা লিবার্তাদোরেস শিরোপাটা অলিম্পিয়ার ঘরে গিয়েছিল তিনবার। এবারের ফাইনালেও যে তারাই ফেবারিট, সেটার প্রমাণও তারা দিয়েছিল প্রথম লেগে। নিজেদের মাঠে ২-০ গোলের জয় দিয়ে শিরোপা জয়ের পথে একধাপ এগিয়েই গিয়েছিল প্যারাগুয়ের কাবটি। কিন্তু দ্বিতীয় লেগে রোনালদিনহোর জাদুতে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ায় মিনেইরো। নির্ধারিত সময়ে ২-০ গোলের জয় দিয়ে সমতা আনার পর খেলা গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। সেখানেও অমীমাংসিত থাকার পর টাইব্রেকারে নির্ধারিত হয় ম্যাচের ভাগ্য। পেনাল্টি শুট-আউটে অলিম্পিয়াকে ৪-৩ ব্যবধানে হারিয়ে প্রথমবারের মতো এই ট্রফি জেতার উল্লাসে মেতে ওঠে মিনেইরো।

প্রথম মহাদেশীয় শিরোপা। স্বাভাবিকভাবেই বাঁধভাঙা উল্লাসে ফেটে পড়েছেন মিনেইরোর খেলোয়াড়, সমর্থকেরা। তবে রোনালদিনহোর অনুভূতিটা আরও তীব্র। সমালোচকদের জবাবটা যে বেশ ভালোমতোই দিতে পেরেছেন ব্রাজিলের এই প্লেমেকার। জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি ফুরিয়ে যাননি, ‘আমার শুধু এই শিরোপাটাই জেতা বাকি ছিল। এটার জন্যই আমি ব্রাজিলে ফিরে এসেছিলাম। সবাই বলেছিল, আমি ফুরিয়ে গেছি। এখন তারা জবাব দিক।’

ইউরোপিয়ান কাব ফুটবলের সর্বোচ্চ প্রতিযোগিতা চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ের অভিজ্ঞতাটা রোনালদিনহোর আগেই হয়েছিল। বার্সেলোনার জার্সি গায়ে চ্যাম্পিয়নস লিগ ট্রফি হাতে নিয়েছিলেন ২০০৬ সালে। এবার ‘দণি আমেরিকার চ্যাম্পিয়নস লিগ’ কোপা লিবার্তাদোরেস জিতে নিজেকে সত্যিই নতুন করে প্রমাণ করলেন রোনালদিনহো। যেমনটা বলেছেন, একটা বৃত্তও পূর্ণ হলো। বিশ্বকাপও জেতা রোনির শুধু এই একটা ট্রফিই জেতা বাকি ছিল। সেই ট্রফিটাও জিতে গেলেন।

ভিন্ন দুইটি মহাদেশের কাব ফুটবলের সর্বোচ্চ প্রতিযোগিতার শিরোপা জয়ের কৃতিত্বটাও হাতেগোনা কয়েকজন ফুটবলারেরই আছে। বিরল সেই অর্জনের পাশেও লেখা হলো তাঁর নাম। তবে তা এমন এক সময়ে, যখন ৩৩ বছর বয়সী এই প্লেমেকার ফুরিয়ে গেছেন বলেই ধারণাটা মোটামুটি প্রতিষ্ঠিত!

>