শুক্রবার , ২৩শে এপ্রিল, ২০২১ , ১০ই বৈশাখ, ১৪২৮ , ১০ই রমজান, ১৪৪২

হোম > খেলা > শচীন আমাকে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় ফেলেছেন: ইনজামাম

শচীন আমাকে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় ফেলেছেন: ইনজামাম

শেয়ার করুন

স্পোর্টস ডেস্ক ॥
একসময় দুই ক্রিকেট কিংবদন্তিকে প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দেখা হতো। ২২ গজে তাদের লড়াই দেখতে মুখিয়ে থাকত গোটা ক্রিকেটবিশ্ব। তবে সেই যুদ্ধটা কেবল খেলার মাঠেই সীমাবদ্ধ ছিল। এর বাইরে তারা ছিলেন ঘনিষ্ঠ বন্ধু। দুজনের মধ্যে ছিল দারুণ বন্ধুত্ব।

আদতে ভারতীয় মাস্টার ব্লাস্টার শচীন টেন্ডুলকারের বড় ভক্ত ইনজামাম-উল হক। তা অকপটে স্বীকার করলেন পাকিস্তানের লিজেন্ড। তার কথায়– শচীনের প্রতি সমীহ ঝরে পড়েছে। তা ক্রিকেটীয় আন্তরিকতাকে আরও নিবিড় করেছে বলে দাবি ক্রিকেট বিশ্লেষকদের।

ইনজামামের ভাষ্যমতে, ক্রিকেটের জন্যই জন্ম হয়েছে টেন্ডুলকারের। ক্রিকেট ও সে একে অপরের পরিপূরক। বরাবর এ কথা বিশ্বাস করি আমি।

নিজের জনপ্রিয় ইউটিউব চ্যানেলে ক্রিকেট ও শচীন নিয়ে বিস্তর কথা বলেছেন পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক। তিনি এ ভেবে অবাক হন, মাত্র ১৬-১৭ বছরের বালক কীভাবে ওয়াসিম আকরাম, ওয়াকার ইউনুসের মতো বিশ্ব ত্রাস বোলারের বিরুদ্ধে বুক চিতিয়ে ব্যাট করতে পারেন।

তা কেবল বিশেষ ক্ষমতাসম্পন্ন ক্রিকেটারের পক্ষে সম্ভব বলে মনে করেন ইনজি। সেই সক্ষমতা শচীনের মধ্যে ছিল বলে বিশ্বাস করেন তিনি।

সাবেক পাক অধিনায়কের মতে, সীমাহীন চাপের মধ্যে নিজেকে ফোকাস রেখে কীভাবে সেরাটা বের করে আনতে হয়, তা শচীনের কাছ থেকে সবার শেখা উচিত।

ইনজামাম বলেন, শচীন যখন আন্তর্জাতিক আঙিনায় প্রবেশ করেন, তখন কিংবা তার আগে ব্যাটসম্যানরা এখনকার মতো ভূরি ভূরি রান তুলতে পারতেন না। ক্যারিয়ারে ৮ থেকে সাড়ে ৮ হাজার রানও কোনো ব্যাটসম্যানের কাছে অনেক ছিল। ভারতীয় ক্রিকেটের প্রথম লিটল মাস্টার সুনীল গাভাস্কার টেস্টে ১০ হাজার রান করে সেই মিথ ভেঙে দেন।

পরে স্বদেশী ব্যাটিং মহারথীকে টপকে যান শচীন। তিনি এমন এক জায়গায় পৌঁছান, যা অতিক্রম কার্যত অসম্ভব বলে দাবি ইনজির। ব্যাটিং মায়েস্ত্রোর রেকর্ড কে ভাঙেন, তা দেখতে মরিয়া হয়ে রয়েছেন তিনি।

বোলারের বুক কাঁপানো ব্যাটসম্যানের পাশাপাশি বোলার শচীনকে ফুল মার্কস দিয়েছেন ইনজামাম। তিনি বলেন, নিজের ক্যারিয়ারে বহু স্পিনারকে খেলেছি আমি। সবাইকে শক্ত হাতে সামলেছি। কিন্তু শচীনের মতো কেউ আমাকে সমস্যায় ফেলতে পারেননি। তার বলে বেশ কয়েকবার আউট হয়েছি আমি।

তথ্যসূত্র: ওয়ান ইন্ডিয়া।

>