শুক্রবার , ২৩শে এপ্রিল, ২০২১ , ১০ই বৈশাখ, ১৪২৮ , ১০ই রমজান, ১৪৪২

হোম > খেলা > সাঙ্গাকারার রেকর্ড ১৬৯

সাঙ্গাকারার রেকর্ড ১৬৯

শেয়ার করুন

স্পোর্টস ডেস্ক ॥ ২০০৬’র ভোগান্তির ছবিটা দণি আফ্রিকা ক্রিকেট ভক্তদের আরেকবার মনে করালেন কুমার সাঙ্গাকারা। শ্রীলঙ্কার অপর শীর্ষ ব্যাটসম্যান মাহেলা জয়াবর্ধনের সঙ্গে সেবার রেকর্ড পার্টনারশিপে প্রোটিয়াদের ভুগিয়েছিলেন সাঙ্গাকারা। আর গতকাল নিজ মাটিতে দণি আফ্রিকার বিপে সাঙ্গাকারা নিজের চওড়া ব্যাট দেখালেন ফের। আর অসাধারণ সেঞ্চুরি নিয়ে সাঙ্গাকারা পরিসংখ্যানে উঠে গেলেন অন্য উচ্চতায়।  দ্বিপীয় সিরিজের গতকাল কলম্বোর প্রেমাদাসা মাঠে প্রথম ওয়ানডে লড়াইয়ে নেমেছিল শ্রীলঙ্কা ও দণি আফ্রিকা। এতে ৫০ ওভার শেষে শ্রীলঙ্কার সংগ্রহটা ওঠা পাহাড়সমান ৩২০ রানে। আর ব্যাট হাতে সাবেক লঙ্কান অধিনায়ক কুমার সাঙ্গাকারা হাঁকান ১৬৯ রান। এটি লঙ্কান ব্যাটিং মাস্টারের ক্যারিয়ারে ১৬তম ওয়ানডে শতক।  ১৩৭ বলের ইনিংসে এতে ১৮ বাউন্ডারির সঙ্গে সাঙ্গাকারার ছক্কার মার হাফডজন। শ্রীলঙ্কার মাটিতে স্বাগতিক কোন ব্যাটসম্যানের এটাই সর্বোচ্চ ওয়ানডে ইনিংস। আর ১৬৯ রান সাঙ্গাকারার ওয়ানডে ক্যারিয়ারেও সর্বোচ্চ। আর এদিনের সংগ্রহে চলতি বছর ওয়ানডের সর্বাধিক রান সংগ্রাহকের তালিকায়ও ইংলিশ ব্যাটসম্যান ইয়ান বেলকে পেছনে ফেলে  সাঙ্গাকারা উঠে   এলেন দুইয়ে। ২০১৩ মওসুমে এ পর্যন্ত সাঙ্গাকারার ওয়ানডে রানের গড় ৭৫.৫৫। প্রেমাদাসায় সকালে টস জয় ছাড়া বিশেষ প্রাপ্তি দেখা যায়নি প্রোটিয়াদের। স্বাগতিকদের ব্যাটিংয়ে পাঠিয়ে শ্রীলঙ্কা ইনিংসের শুরুতে পেস তারকা ডেইল স্টেইনের অভাবটা দেখা যাচ্ছিল স্পষ্ট। ইনজুরির কারণে দণি আফ্রিকার এবারে শ্রীলঙ্কা সফরে দলে নেই বিশ্বসেরা এ পেসার।  ইনজুরি কাটিয়ে প্রোটিয়া দলে মরনে মরকেল ফিরলেও ছন্দামন্দা দেখা গেছে তার বোলিংয়েও। দিনের প্রথম ওভারে টানা তিন ওয়াইডে নিজের স্পেল শুরুর করেন মরকেল। তবে প্রোটিয়া পেসার মরিস লঙ্কান ওপেনার তিলকরতেœ দিলশানকে সাজঘরে ফিরিয়ে দিয়ে নিজেদের স্বস্তি ফিরিয়েছিলেন সেই ইনিংসের চতুর্থ ওভারে। এর পর দলের পুঁজি ৩২০ রানে নেয়ার পথে আরও চার উইকেট হারালেও বস্তুত এতে প্রোটিয়াদের বড় উল্লাসের উপল কমই ছিল।   দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে উপুল থারাঙ্গার সঙ্গে ৮০ এবং তৃতীয় উইকেটে মাহেলা জয়াবর্ধনেকে নিয়ে ৭৪ রানের পার্টনারশিপে ভক্তদের বড় রানের স্বপ্নই দেখাচ্ছিলেন সাঙ্গাকারা। আর লঙ্কান ইনিংসে সবচেয়ে বড় পার্টনারশিপটি গড়ে ওঠে এরপর। আর এতে আলাদা ঔজ্জ্বল্যটা সাঙ্গাকারার ব্যাটে। চতুর্থ উইকেট জুটিতে থিরিমান্নে-সাঙ্কাকারা জুটি লঙ্কান ইনিংসে জমা করেন ১২৩ রান। জুটিতে থিরিমান্নের রান মাত্র ১৭। আর ইনিংসের শেষ দিকে সাঙ্গাকারার বেধড়ক ব্যাটিংয়েও লঙ্কানদের নতুন রেকর্ড। ম্যাচের শেষ ১০ ওভারে শ্রীলঙ্কা জমা করে ১০৩ রান। দণি আফ্রিকার বিপে শেষ ১০ ওভারে শ্রীলঙ্কাকে  এর আগে এত রান পেতে দেখা যায়নি।  সামপ্রতিক ওয়ানডে ক্রিকেটে এমনিতে দণি আফ্রিকাকে একটু মলিনই দেখাচ্ছে। আর শ্রীলঙ্কার বিপে পরিসংখ্যানে প্রোটিয়াদের জন্য রয়েছে প্রকৃত ভয়। দণি আফ্রিকার বিপে   নিজ মাটিতে শেষ ১২ ওয়ানডের  ১১টিতেই জয়ের স্মৃতি লঙ্কানদের। আর প্রোটিয়াদের একমাত্র জয়টিও সুদূর ১৯৯৩’র মওসুমে।

রান     ১৬৯
বল     ১৩৭
চার     ১৮
ছক্কা     ৬

>