বুধবার , ২৫শে নভেম্বর, ২০২০ , ১০ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ , ৯ই রবিউস সানি, ১৪৪২

হোম > Uncategorized > ‘সামনে মারাত্মক সময়’

‘সামনে মারাত্মক সময়’

শেয়ার করুন

স্টাফ রিপোর্টার ॥ ‘আমাদের সামনে এখন মারাত্মক সময় আসছে’ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়।

জয় বলেন, ‘সময়টা মারাত্মক কারণ সামনে নির্বাচন। এই নির্বাচনের ওপর নির্ভর করবে বাংলাদেশ এখন কোথায় যাবে।’

তিনি বলেন, ‘নির্বাচনকে সামনে রেখে সন্ত্রাসী ও জঙ্গিরা মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। তারা মনে করেছে বিএনপি ক্ষমতায় আসবে। তাই তারা আবারও সক্রিয় হয়ে উঠেছে। বিএনপি আবার ক্ষমতায় আসলে দেশে জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস শুরু হবে। দুই বছরের মাথায় এ সরকার যে উন্নয়ন করেছে তা ফুরিয়ে আবার সঙ্কট দেখা দেবে।’

শুক্রবার বিকেলে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘সুচিন্তা ফাউন্ডেশন’ আয়োজিত ‘রূপকল্প ২০২১, গত ৫ বছরের অর্জন, আগামী ৫ বছরের অঙ্গীকার…’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

‘আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে অনেক অপপ্রচার হচ্ছে’ মন্তব্য করে জয় বলেন, ‘আমাদের কাজ অর্ধেক শেষ হয়েছে, আমরা বাংলাদেশে একটা বিপ্লব করতে চাই। কিন্তু মাঝপথে থেমে গেলে আপনারা জানেন কি হয়। বাংলাদেশকে যারা পাকিস্তান বানাতে চায় তারা ক্ষমতায় আসলে বাংলাদেশের কোনো উন্নয়ন হবে না।’

এ সময় বিএনপি-জামায়াতের অপপ্রচারের জবাব পাল্টা প্রচারের জবাবে দিতে হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘কাজ করলে ভোট পাওয়া যায় না। কাজ না করেও প্রচারে ভোট পাওয়া যায়। আর এ হিসেবে বিএনপি অপপ্রচার চালিয়েছে। আমাদের এখন সময় এসেছে এ অপপ্রচারের জবাব দেয়া। বিগত জাতীয় নির্বাচনে দেশের জনগণ যে আশা নিয়ে আওয়ামী লীগকে ম্যান্ডেট দিয়েছিল তাতে আমরা ব্যর্থ হইনি। পাঁচ বছরে আমরা যে উন্নয়ন করেছি বিগত কোনো সময়ে এতো পরিমাণ উন্নয়ন হয়নি।’

ডিজিটালাইজেশনের ফলাফল জনগণ পাচ্ছেন উল্লেখ করে জয় বলেন, ‘পাঁচ বছর আগে মানুষ আমাকে প্রশ্ন করত “ডিজিটাল” কী? অনেকে টিটকারিও মারত, কিন্তু এখন তারা আর কথা বলে না। আমাদেরকে বলা হলো বাংলার কৃষক তো কম্পিউটার ব্যবহার করে না, তারা ইন্টারনেট দিয়ে কী করবে? আমরা জবাব দিয়েছিলাম তাদেরকে (কৃষকদের) কম্পিউটার কিনতে হবে না আমরাই তাদেরকে তা পৌঁছে দেবো। আমরা কথা রেখেছি। প্রত্যেকটা উপজেলায় তথ্য কেন্দ্র করে দেয়া হয়েছে।’

বক্তব্যের শুরুতে ১৫ আগস্ট নিয়ে কথা বলেন জয়। সেখানে তিনি বলেন, ‘যদি ১৫ আগস্ট না হতো তবে বাংলাদেশ আজ কোথায় থাকত এটা গবেষণার বিষয়। এই প্রশ্নটা কখনো করা হয় না, কিন্তু এটা খুবই জরুরি।’

দুর্নীতির বিষয়ে জয় বলেন, ‘পাঁচ বছর আগে আমরা দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ান ছিলাম, অথচ এখন দেখেন দেশে দুর্নীতি কতো কমে গেছে।’

বিরোধী দল বিএনপির বিষয়ে জয় বলেন, ‘আমাদের বিরোধী দলের কোনো পরিবর্তন আসেনি। তারা অনেক কথা বলেন, কিন্তু কথনও বলেন না যে তারা দেশকে কোথায় নিয়ে গিয়েছিল। যতো মৌলবাদী, সন্ত্রাসী, দুর্নীতি সব তাদের সঙ্গে। তাদের সঙ্গে রাজাকার রয়েছে। যারা বাংলাদেশের বিরোধিতা করেছিল তাদের নিয়ে রাজনীতি করে বিএনপি, তারা কীভাবে বলবে যে বাংলাদেশকে আমরা এগিয়ে নিয়ে যাবো।’

অনুষ্ঠানে অর্থনীতিবিদ আবুল বারাকাত, ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান, সাংবাদিক নাইমুল ইসলাম খান, বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক নঈম নিজাম, ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, ঢাকা ট্রিবিউটনের সম্পাদক জাফর সোবহান, অধ্যাপক সাদেকা হালিম, জয়ের খালাতো ভাই ও শেখ রেহনার ছেলে রেজোয়ান সিদ্দিকী ববি, ব্যান্ডশিল্পী মাকসুদুল হক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন মোহাম্মদ এ আরাফাত।

>