সোমবার , ৩০শে নভেম্বর, ২০২০ , ১৫ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ , ১৪ই রবিউস সানি, ১৪৪২

হোম > জাতীয় > সুশীল সমাজ সন্তুষ্ট নয়

সুশীল সমাজ সন্তুষ্ট নয়

শেয়ার করুন

স্টাফ রিপোর্টার ॥ জামায়াতের সাবেক আমীর অধ্যাপক গোলম আযমের বিরুদ্ধে পাঁচ অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ৯০ বছরের কারাদন্ড ও মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত কারাগারে থাকার আদেশ দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। এই রায়ে সরকার মনে করছে আদালত যে রায় দিয়েছে সরকার আদালতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই রায় মেনে নিয়েছেন। সরকারের তরফে আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ বলেছেন, আদালত স্বচ্ছভাবেই বিচার কাজ সম্পন্ন করেছে। এদিকে সুশীল সমাজ মনে করছে আদালত গোলাম আযমের সবোর্চ্চ শাস্তি দিবে এটা মনে করলেও তা দেয়নি, বরং তার বয়স বিবেচনা করে তাকে ৯০ বছরের শাস্তি দিয়েছে। এটাকে তারা মেনে নিতে পারছেন না। তারা মনে করছেন এই রায়ে তাদের প্রত্যাশার প্রতিফলন হয়নি। সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ডই চেয়েছিলেন। সেটা হলেই ভাল হতো। এদিকে সুশীল সমাজের কেউ কেউ মনে করেছেন, এই রায়ের মাধ্যমে দেশে যে একটি ইতিহাস সমাপ্ত হওয়া দরকার ছিল তা সমাপ্ত হতে যাচ্ছে। এটা আগেই হওয়া দরকার ছিল। সেই দিক থেকে রায় ঠিকই আছে। তবে এই মামলায় রাষ্ট্রেপক্ষের আইনজীবী ও প্রসিকিউশন সন্তুষ্ট হতে পারেননি। অন্যদিকে গোলাম আযমের পক্ষের আইনজীবী বলেছেন তারাও এই রায়ে সন্তুষ্ট নন। এই কারণেই তারা উচ্চ আদালতে আপিল করবেন। সব মিলিয়ে সরকার আদালতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল তা প্রকাশ করে রায়কে স্বচ্ছ মনে করলেও বেশিরভাগ মানুষই রায়ে সন্তুষ্ট হতে পারেননি। প্রকৃতপক্ষে এই রায়ে কোন পক্ষই সন্তুষ্ট নয়। গোলাম আযমের পরিবারও এই রায়ে ক্ষুব্ধ ও নাখোশ হয়েছে বলে দাবি করেছে তার ছেলে ব্র্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) আজমী। এই রায় নিয়ে বিভিন্ন জন প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে গিয়ে বলেছেন অনেক কথা।

আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ বলেছেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে স্বচ্ছভাবে বিচার কাজ সম্পন্ন করেছে গোলাম আযমের ব্যাপারে। তিনি বলেন, আদালত এটাও বলেছে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। আর প্রমাণিত হওয়ার কারণেই তার মৃত্যুদন্ড হওয়া দরকার ছিল। কিন্তু তার বয়স বিবেচনায় তাকে মৃত্যুদন্ড দেয়া হয়নি। আমি মনে করি তাকে আদালত ৯০ বছরের শাস্তি দিয়েছে, মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারেই থাকতে হবে এটা মৃত্যুদন্ড’র মতই। কারণ তিনি চাইলেও আর মৃত্যুর আগে বাইরে আসতে পারবেন না যদি এই রায় বহাল থাকে। এই রায়ে সরকার সন্তুষ্ট কিনা বা খুশি কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, সরকার আদালতের উপর আস্থাশীল। আদালত যে রায় দিবে সেটার প্রতিই সরকার শ্রদ্ধা দেখাবে। কারণ আদালতকেতো সরকারকে মানতেই হবে। তিনি বলেন, এখন সরকার আপীল করবে কিনা এই ব্যাপারে কোন সিদ্ধান্ত হয়নি। যদিও প্রসিকিউশন মনে করে এই রায়ের ব্যাপারে আপিল করা প্রয়োজন তাহলে তারা আপিল করবেন। তিনি বলেন, অনেকেই বলেন, এই সরকার চলে গেলে এই সব মামলার রায় কার্যকর করা কঠিন হয়ে যাবে। আমার কথা হচ্ছে আবার যে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসবে না এটা কে বলতে পারে। তাহলে আগামীতে কোন সরকার ক্ষমতায় আসল সেটা বিষয় নয়। আদালতের রায় যে সরকারই আসুক তাদেরকে কার্যকর করতে হবে।

সাবেক নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, গোলাম আযমের বিরুদ্ধে আদালত যে রায় দিয়েছে এটা আদালত সব দিক বিবেচনা করেই দিয়েছে। এই ধরনের রায় কাম্য ছিল। কারণ এই রায়ের মধ্য দিয়ে এতদিন বয়ে বেড়ানো একটি চ্যাপ্টারের ইতি ঘটতে যাচ্ছে। কারণ এতদিন ধরে যে বিভাজন ছিল এরও সমাধান হবে। তিনি বলেন, জাতি এই বিচারের আশায় ছিল। এই কারণে আমরা মনে করি এই বিচার হওয়ার মধ্য দিয়ে যে বিচার হয়েছে এই বিচারকে ওয়েলকাম করা উচিত। তিনি বলেন, তার ফাঁসি হওয়া উচিত ছিল বলে অনেকেই মনে করেন। এটা তারা চাইতে পারে। এটা তাদের ব্যাপার। তবে আমি মনে করি এটা আইনী ব্যাপার। এই আইনী বিষয়গুলো বিবেচনা করেই আদালত রায় দিয়েছে। বিশ্বের অনেক দেশ আছে যেখানে বয়স বিবেচনা করে মৃত্যুদন্ড দেয়া হয় না। আমাদের এখানেও এটা বিবেচনা করেছেন। তিনি বলেন, বিশ্বমানের ওই বিষয়টি আদালত মেইনটেইন করেছে। দ্বিতীয় বিশ্বের যুদ্ধের মানবতাবিরোধী অপরাধী রুডাল ফেসকে শাস্তি দেয়া হয়েছিল। ওই শাস্তি দেয়ার পর তার জন্য আলাদা কারাগার করা হয়েছিল বার্লিনে। আর বার্লিনের স্পেনডোয়া প্রিজনে রাখা হয় তাকে। পরে তার সাজা শেষ হলে কারাগারটি ভেঙ্গে ফেলা হয়। তিনি বলেন, আমাদের এখানে এদের জন্য আলাদা কারাগার করা যেতে পারে। এছাড়া তিনি বলেন,আদালত জামায়াতকে যে ক্রিমিনাল সংগঠন হিসাবে রায় দিয়েছে এটা ভাল হয়েছে। ওই সংগঠনের কেউ রাষ্ট্রীয় কোন পদে বসতে পারবেন না, কেউ থাকলে তাদেরকেও অপসারণ করতে হবে এটাও ভাল। তিনি বলেন, আগামী দিনে সরকার কেমন করে তাদেরকে অপসারণ করবে সেটা একটা বিষয়। কারণ এখন জামায়াতের কারা কোন পদে আছেন তাদেরকেতো বের করতে হবে এবং তাদের বের করা কঠিন হবে।

সরকার দলীয় জোটের শরিক ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন বলেন, গোলাম আযমের যে রায় হয়েছে এই রায়ে আমি হতাশ হয়েছি। এই রায় আমি প্রত্যাখান করছি। মৃত্যুদন্ড ছিল প্রত্যাশিত। সেটা হলেই খুশি হতাম। এই রায়ে জনগণ হতাশ। দেশের মানুষ আশা করেছিল তার ফাঁসি হবে।

এই রায়ের পর অনেকেই বলছে সরকার জামায়াতের সঙ্গে আতাঁত করেছে। তিনি বলেন, সত্যি যদি সরকার এটা করে থাকে তাহলে সেটা চরম আÍঘাতি হবে। এমন হয়ছে কিনা জানি না। আমি সরকারের অংশীদার নই। জোটের অংশীদার হিসাবেই বিষয়টি মেনে নিতে পারবে না। কিন্তু তাই হয়েছে কিনা সেটাইতো জানি না। তিনি বলেন, আদালতে রায়ে জামায়াতকে ক্রিমিনাল সংগঠন হিসাবে ঘোষণা করেছে। এই রায়ের সূত্র ধরেই জামায়াকে নিষিদ্ধ করার সুযোগ তৈরি হয়েছে। এমনকি নির্বাচন কমিশনেও এটা যাতে নিষিদ্ধ হয় সেই ব্যাপারে ব্যবস্থা নিতে হবে। কারণ কোন ক্রিমিনাল সংগঠন নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধনে থাকতে পারে না। তিনি বলেন, সরকারকে এখন খুঁজে বের করতে হবে কোন কোন জায়গাতে জামায়াতের লোক আছে। আর এই সব লোক বের করে তাদেরকে সরকারী পদে থাকলে তাদেরকে অপরাসরণ করতে হবে।

ওয়ার ক্রাইম ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান ড. এম এ হাসান বলেন, বিচার মানেই কেবল এটা নয় যে ফাঁসি হতে হবে। বিচার মানে হচ্ছে ন্যায়ের অধিকার প্রতিষ্ঠা। আর ন্যায়রে অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্যই এই বিচারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। গোলাম আযমের বিচার সম্পন্ন করার মধ্য দিয়ে ন্যায়ের অধিকার প্রতিষ্ঠা হয়েছে। তবে গোলাম আযমের ব্যাপারে বলব এই মামলায় গোলাম আযমের সামগ্রিক অপরাধের বিষয়গুলো সব আসেনি। মামলার কার্যক্রমে সব আসলে ভাল হত। তিনি বলেন, গোলাম আযম প্রগিতিশীলদের বিরোধী ছিল। বুদ্ধিজীবীদের হত্যাসহ সব ধরনের অপরাধের সঙ্গে জড়িত ছিল। পাকিস্তানীদের এই দেশে যে ভূমিকা ছিল তার ভূমিকাও কোন অংশে কম নয়। তাই যেসব অপরাধগুলো মামলায় আসেনি সেগুলো আসা প্রয়োজন। আগামী নির্বাচনের কারণে রায় কার্যকর করা সম্ভব হবে কিনা এই ধরনের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নির্বাচনতো একটা ফ্যাক্টর। কারণ রায় যাতে দ্রুত কার্যকর করা যায় এজন্য সরকারকে আন্তর্জাতিক মহল ও শক্তিগুলোর সঙ্গে একটি সহযোগিতার সম্পর্ক তৈরি করা দরকার। যাতে করে দ্রুত রায় কার্যকর করা যায়। তিনি বলেন, এখন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালে যে রায় হচ্ছে এই সব রায় যাতে কার্যকর করা যায় এজন্য এমন নিয়ম করা দরকার যে আগামীতে যে সরকারই আসুক না কেন রায় কার্যকর করবে। এমনও নিয়ম করতে হবে সর্বোচ্চ আদালতে বিচার কাজ শেষ হওয়ার পর কোন কারণে কাউকে মাফ করার প্রয়োজন হলে কারো একক ক্ষমতাবলে তা কিংবা রায় পরিবর্তন করা সম্ভব হবে না। কোন কারণে তা করতে হলে সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতেই তা করতে হবে। এই কারণে আমি মনে করি অনতিবিলম্বে সংসদে ভ্যারাইটিজ কজ আনতে হবে। এটা সংবিধানে সংযোজন করারও দরকার হবে।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর ড. আনোয়ার হোসেন বলেন, এই মামলায় গোলাম আযমের বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। গোলাম আযম এই বাংলায় ১৯৭১ সালের অঘোষিত শাসক হিসাবে কাজ করেছে। তার তত্ত্বাবধায়নে সব ধরনের মানবতাবিরোধী অপরাধ সংগঠিত হয়েছে। তাকে সবোর্চ্চ শাস্তি দেয়া যেত। তাকে সবোর্চ্চ শাস্তি দেয়া হলে ভাল হতো। আমরা চেয়েছিলাম তার সবোর্চ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ড। কিন্তু সেই মৃত্যুদন্ড না দেয়াতে আমরা হতাশ। এই রায়ে মানুৃষের প্রত্যাশাপূরন হলো না। তবে এই রায়ে জামায়াতকে যে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসাবে আখ্যায়িত করেছে এবং তাদেরকে অপসারণ করতে হবে এটা ভাল দিক।

অতিরিক্ত অ্যাটর্নী জেনারেল অ্যাডভোকেট এমকে রহমান বলেন, গোলাম আযমের বিরুদ্ধে সন্দেহাতীতভাবে পাঁচ ক্যাটেগরীতে ৬১টি অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। এই অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার পরও আদালত তাকে ভিন্ন ভিন্ন অভিযোগে ভিন্ন ভিন্ন সাজা দিয়েছে। সাজার পরিমান ৯০ বছর। এই ৯০ বছর তাকে কারাভোগ করতে হবে। তার মৃত্যুর আগ পর্যন্ত কারাগারে থাকতে হবে। প্রমাণিত ক্যাটেগরীর মধ্যে ৪টি মানবতাবিরোধী ও একটি শিরু মিয়া হত্যার অভিযোগ। তিনি বলেন, আমরা চেয়েছিলাম তার অপরাধ প্রমাণিত হওয়ার কারণে তার সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ড হবে। আর মৃত্যুদন্ড হলেই আমরা সন্তুষ্ট হতাম। কিন্তু তা না হওয়ার কারণে আমরাই সন্তুষ্ট নই। ট্রাইব্যুনাল এটাও বলেছে পাঁচটি অভিযোগেই তার সবোর্চ্চ শাস্তি হওয়া উচিত। তবে বয়স ও রোগ বিবেচনা করে তার ৯০ বছরের শাস্তি দিয়েছে। এটা মেনে নিতে পারছি না।

এদিকে অভিযোগ রয়েছে গোলম আযমের বিরুদ্ধে সব অভিযোগ প্রমাণ হলেও কোর্টে ফাইন্ডিং আরো দরকার ছিল। সরকার পক্ষ তা পারেনি। এই ব্যাপারে তিনি বলেন, এটা ঠিক নয়। আমরা সব অপরাধ প্রমাণের মতো নথিপত্র দিয়েছি বলেই তার বিরুদ্ধে সব অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে।

সরকার আপিল করবে কিনা এই ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এই মামলা আপিল করব কিনা এটা এখনও ঠিক হয়নি। আমরা মামলার পূর্ণাঙ্গ রায়ের কপি পাব। ওই কপি পাওয়ার পর সিদ্ধান্ত নেব যে আপিল করব কিনা। তাই এখনই কিছু বলতে পারছি না।

এদিকে গোলাম আযমের আইনজীবী সাইফুর রহমান বলেন, এই রায়ে আমরা সন্তুষ্ট নই। কারণ আদালতে মৌখিক স্বাক্ষ্য দিয়েছে, দালিলিক তেমন কোন কিছুই বের করতে পারেনি। আদালত স্বপ্রণোদিত হয়ে কিছু কিছু প্রমাণ সংগ্রহ করেছে। তিনি বলেন, আদালত তার ৯০ বছরের শাস্তি দিয়েছে। আমরা এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করব। আর ওই আপিলের মাধ্যমেই তিনি আবার ইনোসেন্ট সিটিজেন হিসাবে বের হয়ে আসবেন।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট জিয়াদ আল মামুন বলেছেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালে তার বিরুদ্ধে ৫ ক্যাটেগরীতে ৬১টি অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। তাকে ৯০ বছর কারাদন্ড দিয়েছে। আর এটাও বলেছে তার ক্যাপিটাল পানিশমেন্ট হওয়া উচিত। কিন্তু বয়স বিবেচনা করে ৯০ বছর শাস্তি দেয়া হলো। মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত কারাগারে থাকবেন। তিনি বলেন, আমরা সর্বোচ্চ শাস্তি প্রত্যাশা করেছিলাম। কিন্তু তা পেলাম না। তিনি বলেন, আমরা পূর্ণাঙ্গ রায় পাওয়ার পর সিদ্ধান্ত নিব কি করব। তিনি জামায়াতে ইসলামী নিয়ে যে রায় দিয়েছে সেই অংশ সম্পর্কে বলেছেন, জামায়াতে ইসলামের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়ার সুযোগ তৈরি করেছে।

>