রবিবার , ২৮শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ , ১৫ই ফাল্গুন, ১৪২৭ , ১৫ই রজব, ১৪৪২

হোম > তথ্যপ্রযুক্তি > ১৭ হাজার শিাপ্রতিষ্ঠানে মাল্টিমিডিয়া কাস চালু

১৭ হাজার শিাপ্রতিষ্ঠানে মাল্টিমিডিয়া কাস চালু

শেয়ার করুন

বাংলাভূমি২৪ ডেস্ক ॥ বাংলাদেশে বর্তমান সরকার শিাকে প্রযুক্তিনির্ভর করতে মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক ও মাদ্রাসা স্তরের প্রায় ১৭ হাজার শিা প্রতিষ্ঠানে মাল্টিমিডিয়া কাস চালু করেছে। চলতি জুলাই-আগস্টের মধ্যে ২০ হাজার ৫০০ শিাপ্রতিষ্ঠানের অবশিষ্ট ৪ হাজার প্রতিষ্ঠানেও মাল্টিমিডিয়া কাস চালু করবে।
তবে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে ইতিমধ্যে আরও প্রায় ৪ হাজার শিাপ্রতিষ্ঠানে এ ধরনের একাধিক কাস চালু রয়েছে।
শিাকে যুগোপযোগী ও আধুনিক এবং শিার্থীদের মুখস্থ বিদ্যার বাইরে নিয়ে আসতে ২০১১ সালের জানুয়ারি থেকে আইসিটি প্রকল্পের মাধ্যমে সরকার মাল্টিমিডিয়া কাস চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করে। প্রকল্পটি মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিা অধিদফতরের অধীনে পরিচালিত হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে প্রকল্প পরিচালক আবুল কালাম আজাদ বলেন, বর্তমান সরকার শিাকে আকর্ষণীয় ও বিনোদনমূলক এবং শিার্থীদের কাছে সহজে উপস্থাপনের জন্য আধুনিক এ পদ্ধতি চালু করেছে। তিনি বলেন, প্রকল্পের অধীনে ইতিমধ্যে সাড়ে ১৬ হাজার শিাপ্রতিষ্ঠানে মাল্টিমিডিয়া কাস চালুর জন্য ল্যাপটপ, প্রোজেক্টর, মোডেম, সাউন্ড বক্স ও স্পিকারসহ বিভিন্ন সরঞ্জামাদি পৌঁছে দেয়া হয়েছে। চলতি জুলাই মাসের মধ্যে অবশিষ্ট ৪ হাজার শিাপ্রতিষ্ঠানেও এসব সরঞ্জামাদি পৌঁছে দেয়া হবে। তিনি বলেন, এ ধারাবাহিকতায় ২০১৫ সালের মধ্যে ২০ হাজার ৫০০ শিাপ্রতিষ্ঠানের প্রত্যেকটিতে ৫টি করে এবং ২০২১ সালের মধ্যে প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানের সব শ্রেণীর সব কাসই মাল্টিমিডিয়া সিস্টেমে পাঠদানে সম হবে। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার ২০২১ সালের মধ্যে ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠন করার ল্েয এবং কাস রুমকে টিচার্স সেন্টার না বানিয়ে স্টুডেন্ট সেন্টার বানানোর জন্য এ কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। বর্তমানে কাসে শিকরা বইয়ের মাধ্যমে বা ব্যাক বোর্ডে লিখে পাঠদান দিচ্ছেন। এতে শিার্থীদের কাছে অনেক বিষয়ই বোধগম্য হয়ে উঠছে না। ফলে পরীায় কৃতকার্য হওয়ার জন্য শিার্থীরা বিষয়টি না বুঝেই বা বিষয়ের গভীরে না গিয়ে মুখস্থ করছেন। তিনি বলেন, ইতিমধ্যে ১৮ হাজার ১০৫ শিককে মাল্টিমিডিয়া কাস নেয়ার উপযোগী করে প্রশিণ প্রদান স¤পন্ন করা হয়েছে। জুলাই-আগস্টের মধ্যে ২০ হাজার ৫০০ প্রতিষ্ঠানের অবশিষ্ট শিকদের প্রশিণও সম্পন্ন করা হবে। এ জন্য বর্তমানে দেশের ১৯টি প্রশিণ ইন্সটিটিউটে শিকদের প্রশিণ প্রদানের কার্যক্রম চলছে। এছাড়া বর্তমানে স্কুল-কলেজে বিজ্ঞান বিভাগের শিার্থীর সংখ্যা যে হারে কমে আসছে, সে সংকটও কেটে যাবে বলে সরকার আশা করছে। আবুল কালাম আজাদ আরও বলেন, মাল্টিমিডিয়া কাস চালুর এ প্রকল্পটি ২০১২ সালের ডিসেম্বরে শেষ হওয়ার কথা ছিল এবং বাজেট ধরা হয়ে ছিল ৩০৫ কোটি ৩৪ লাখ টাকা।
কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ে প্রকল্পটি শুরু করতে না পারায় নির্দিষ্ট সময়ে শেষও করা যায়নি। তাই প্রকল্পটির মেয়াদ আরও এক বছর বাড়িয়ে ২০১৩ সালে ডিসেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে এ সময়ের আগেই প্রকল্পের কাজ শেষ হবে। এতে বাজেটও কিছু বাড়বে। তিনি বলেন, মাল্টিমিডিয়া কাস ঠিকভাবে পরিচালিত হচ্ছে কিনা, তা তদারকির জন্য এ প্রকল্পের আওতায় আগস্ট থেকে বিভিন্ন শিাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করা হবে। এতে কোনো ধরনের ভুলভ্রান্তি, অসংগতি ও গাফিলতি ধরা পড়লে তা দূর করা হবে।

>