জেলা প্রতিনিধি, পটুয়াখালী ॥ জেলার লোহালিয়া নদীতে লঞ্চডুবির ১৪ ঘণ্টা পার হলেও শুরু হয়নি উদ্ধারকাজ ।
উদ্ধারকারী জাহাজ রুস্তম ঘটনাস্থলে না পৌঁছার কারণে মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত এ উদ্ধার কাজ শুরু হয়নি। অথচ বরিশাল থেকে ভোরে উদ্ধারকারী জাহাজটি রওনা হয়েছেন বলে জানিয়েছেন পটুয়াখালী নৌবন্দরের উপপরিচালক মো. বদরুল আলম।
এদিকে সকাল সাড়ে ৭টার দিকে জেলা প্রশাসক অমিতাভ সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘রুস্তম কোথায় আছে তা তিনি খোঁজ নিয়ে দেখছেন।’
তিনি জানান, সোমবার সন্ধ্যায় পটুয়াখালী ঘাটের অদূরে পালের ডাঙ্গা এলাকায় ঢাকাগামী একটি বড় লঞ্চের ধাক্কায় আংশিক ডুবে যায় রাঙ্গাবালি থেকে আসা এমভি শাথিল-১। ডুবে থাকা এ লঞ্চটি থেকে স্থানীয়রা ৩৫ যাত্রীকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, রাঙ্গাবালি থেকে আসা শাথিলে শতাধিক যাত্রী ছিল। সন্ধ্যায় ৬টায় দুর্ঘটনার পর প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে অগ্নিনির্বাপক বাহিনীর একটি দল ঘটনাস্থলে গেলেও ডুবুরি না থাকায় রাতে কাজ শুরু করতে পারেননি তারা। এখনো বহু যাত্রী নিখোঁজ রয়েছেন।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আজিমুল হকের দাবি, লঞ্চটিতে বেশি যাত্রী ছিল না।
এরপর রুস্তমের সাহায্যকারী টাগবোটের মাস্টার গোলাম ইউনুস আহমেদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে মোবাইল ফোনে তিনি বলেন, পৌনে ৮টার দিকে তিনি দশমিনার ধূলিয়া এলাকা পার হচ্ছিলেন। সেখান থেকে দুর্ঘটনাস্থলে কখন পৌঁছাতে পারবেন তা বলতে পরে জানাবেন।
উল্লেখ্য আঁচল লঞ্চটি পটুয়াখালী ছেড়ে যাওয়ার সময় ঘাটের দিকে আসছিল শাথিল। তবে সেটি ঘাটে না ভিড়ে আঁচলের পেছন এগোতে থাকে। এক পর্যায়ে শাথিলের দড়ি আঁচলের পাখায় পেঁচিয়ে গেলে ছোট লঞ্চটি ডুবে যায়।

