হায়দার হোসেন, গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি:
ঈদুল আজাহা উপলক্ষে গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী উপজেলায় কোরবানির জন্য বিভিন্ন খামারে এবং প্রান্তিক পর্যায়ে প্রস্তুুত রাখা হয়েছে মোট- ৬ হাজার ৭শ ৭৭ টি কোরবানির পশু। এর মধ্যে গরু-৪ হাজার ৫শ ২৫ টি, ও ছাগল- ২ হাজার ২শ ৫০ টি।
গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী উপজেলায় প্রান্তিক পর্যায়ে চাষীরা লাভের ও সংসারে সচ্ছলতার জন্য খামারের পাশাপাশি ব্যক্তি পর্যায়ে বাড়িতে বাড়িতে পশুর লালন পালন করছে। কোরবানির ঈদের বেচাকেনা শুলু থেকে শেষ দিকে তারা প্রত্যকেই নিজেরদের পশুগুলিকে বেশী দামে বিক্রির আশায় বেশি বেশি যতœ নিতে কোমর বেঁেধ নেমেছে।
একই ভাবে খামারি ও প্রন্তিক চাষিরা কোরবানির জন্য যে সব পশু প্রস্তুত রেখেছেন সেই পশুগুলিকে কোরবানির হাটে তোলার জন্য বেশী বেশী যতœ নিচ্ছেন। ক্রেতাদের দৃষ্টি আর্কষনের জন্য যত প্রকার কৌশল আছে তার প্রত্যকটি প্রয়োগ করছেন খামারী ও প্রান্তিক পর্যায়ের চাষীরা। গৃহ পর্যায়ে পালিত এবং খামারে পালিত পশুর যতœ দেখে মনে হয় সবাই প্রতিযোগীতায় নেমে পড়েছে। খামারি ও প্রান্তি চাষীরা কেউ পিছিয়ে নেই। সব মিলে ব্যাস্ত সময় পার করছেন খামারীরা ও প্রান্তিক চাষীরা। ইতিমধ্যে অনেক খামারী এবং প্রান্তিক চাষীরা তাদের পালিত পশু বিক্রি শুরু করেছেন। ঈদুল আজাহার প্রায় একমাস মাত্র বাকি। একজন খামারী বলেন,পশু বিক্রি প্রথম দিকে দাম কম থাকে। শেষ দিকের হাটে দাম ভালো পাওয়া যায়। এলাকার অনেক খামারী এবং প্রান্তিক চাষীরা বেশী দামের আশায় নিজেদের পালিত পশুগুলি ধরে রেখে দেরি করে বিক্রির জন্য হাটে তুলবেন ।
উপজেলা প্রাণি সম্পদ অফিস সূত্রে জানাগেছে, এ বছরে কাশিয়ানীতে মোট পশুর চাহিদা রয়েছে একক- ২০ হাজার ৩ শ ও পারিবারিক- ৯ হাজার ২শ আনুমানিক মোট ১৩ হাজার ৫০০ পরিবার কোরবানী দিতে পারে। এবছরে কোরবানীর পশুর চাহিদা রয়েছে গরু -৪ হাজার ৫শ ২৫ ছাগল ২ হাজার ২শ ৫০ টি, তবে প্রস্তুত আছে- ৬ হাজার ৭শ ৭৫ টি কোরবানির পশু।
উপজেলা প্রাণী সম্পদ অফিসার ডা: শুভংকর দত্ত এই তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, নিয়মিত খামারী ও প্রান্তিক পর্যায়ে আমরা যথেষ্ঠ সেবা দিয়েছি। আশা করি উপজেলার চাহিদা পূরন শেষে কিছু প্রাণী উবৃত্ত থাকবে। আগামী বছরে আরো বেশী পশু প্রস্তুুত থাকবে। আমাদের উপজেলায় বর্তমানে ১ হাজার ১শ ৪২ টি দুগ্ধ খামার, ৮শ ৪৮ টি মোটা তাজাকরন খামার ৭শ ৯৬ টি ছাগলের খামারে নিয়মিত পশু পালন করা হচ্ছে।

