দিনাজপুর বুর্যো:
দিনাজপুরের বিরলে ভ্যান চালককে হত্যা মামলার প্রধান আসামী নাজমুল হক মুন্না সহ এক সহযোগীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
২১ জুলাই (সোমবার) ভোরে উপজেলার মোতাপুকুর শ্বশুর বাড়ী থেকে প্রধান আসামী মোঃ নাজমুল হক মুন্নাকে (৩২) গ্রেফতার করে পুলিশ। প্রধান আসামী মুন্না বিরল উপজেলার দামাইল এলাকার মো মজিবর রহমানের ছেলে। অপর আসামী মোঃ রুবেল ইসলাম ওরফে সাহেব আলী (৩৬) বোচাগঞ্জ উপজেলার জালালি আটগাও এলাকার মোঃ সলেমান আলীর ছেলে। গ্রেফতার আসামীদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসা পর বিকালে দিনাজপুর পুলিশের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। নিহত ভেন চালক আসাদুল হক এলাকায় সাইকেল মেকানিক হিসেবেও পরিচিতি থাকায়। চানাচুর বিক্রির ঠেলা ভ্যান তৈরির করার জন্য আসামী মুন্না কিছু সরঞ্জাম ও নগদ ৬ হাজার টাকা দেন নিহত আসাদুলকে। পরে প্রায় দীর্ঘ দিন আসামীকে ভ্যান তৈরি না করে দেওয়ায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। আর সেই ক্ষোভে আসাদুলের নিজস্ব ভ্যানটি ছিনিয়ে নিতে। ঘটনার দিন কৌশলে মালামাল পরিবহনের কথা বলে। বিরল ৩নং ধামইর ইউনিয়নে মাটিয়ানদিঘী গ্রামের শীতলা মন্দিরের পশ্চিম পার্শ্বে বাজনাহার হইতে কাশিডাঙ্গাগামী পাকা রাস্তায় পৌছালে। আসামী মুন্না নিজের মোবাইল ফোন মাটিতে ফেলে দিয়ে আহসানুলকে খুজতে বললে মাথা নিচু করা মাত্র লুকানো ধাঁরালো দা দিয়ে মাথায় এলোপাথারী কোপ মারলে। পরে নিহত আসাদুল নিস্তেজ হয়ে গেলে ব্যবহৃত দা পাশের ধানক্ষেতে ফেলে দিয়ে। নিহতের চার্জার ভ্যানটি নিয়ে। অপর আসামী মোঃ রুবেল ইসলামের নিকট যায়। পরে তারা উভয়ে শলাপরামর্শে চার্জার ভ্যানটি কৌশলে জনৈক কিনুদেব শর্মা নামের এক ব্যক্তির কাছে ৩৫ হাজার টাকায় বিক্রি করে দেন। আসামী মুন্নার দেওয়া তথ্য মতে ভ্যান ও ধানক্ষেত থেকে খুনের কাজে ব্যবহৃত দা টি উদ্ধার করে পুলিশ।
উল্লেখ্য, গত ১৫ ই জুলাই নিখোঁজের পর দিন ৩নং ধামর ইউনিয়নের মাটিয়ান গ্রামে মাটিয়ান পুকুরের পাশে একটি মৃতদেহ পাওয়া যায়। মৃতদেহটি ৭ নং বিজোড়া ইউনিয়নের জহুরুল ইসলাম এর ছেলে ভ্যানচালক আসাদুল ইসলাম (৩৫) বলে তার পরিবার নিশ্চিত করেছে। পরে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে পরিবার।

