দুই লক্ষ্য নিয়ে তৃণমূলে শক্তি বাড়াতে তৎপর এনসিপি

প্রকাশিত: September 24, 2026 | সময়: 3:15 pm

বাংলাভূমি ডেস্ক:
আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নিজেদের প্রার্থী দেওয়ার এবং মাঠের রাজনীতিতে সাংগঠনিক সক্ষমতা প্রমাণের লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া তরুণদের গড়া রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। এ জন্য তৃণমূলে সংগঠন শক্তিশালী করতে তৎপর হয়েছে দলটি। এর অংশ হিসেবে দুই বিভাগে সমন্বয় সভা ও রাজনৈতিক কর্মশালা করা হয়েছে।

এনসিপির সূত্র জানায়, স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠন গোছাতে জোর দেওয়া হয়েছে। দেশের প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদে (ইউপি) চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে তৃণমূলে ধাপে ধাপে সাংগঠনিক কাঠামো বিস্তারের পরিকল্পনা করেছেন দলের নীতিনির্ধারকেরা। একই সঙ্গে রাজনৈতিক কর্মসূচি জোরদারের লক্ষ্যও রয়েছে। চলতি সেপ্টেম্বরের মধ্যে দেশের সব উপজেলায়, অক্টোবরের মধ্যে সব পৌরসভায় এবং নভেম্বরের মধ্যে ইউনিয়ন পর্যায়ে কমিটি গঠনের কাজ শেষ করতে চায় এনসিপি। আগামী বছরের এপ্রিলের মধ্যে দেশের প্রতিটি ওয়ার্ডে কমিটি গঠনের লক্ষ্যও রয়েছে। গত ২৮ আগস্ট দেশের ইউনিটগুলোকে উপজেলা কমিটি গঠনের সময়সীমা বেঁধে দিয়ে সাংগঠনিক নির্দেশনা দেওয়া হয়।

এনসিপির দায়িত্বশীল নেতারা জানান, জেলা ও মহানগরের ৮০টি সাংগঠনিক ইউনিটের ৭৬টিতে আহ্বায়ক কমিটি রয়েছে। উপজেলা পর্যায়ের ৫০০ ইউনিটের মধ্যে ৩৬৬টিতে কমিটি গঠন করা হয়েছে। ২৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে বাকি উপজেলাগুলোতেও আহ্বায়ক কমিটি গঠনের কাজ শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে। পূর্ণাঙ্গ কমিটি সম্ভব না হলে ১১ থেকে ১৫ সদস্যের আংশিক আহ্বায়ক কমিটি করে পরবর্তী ১৫ দিনের মধ্যে ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম আজকের পত্রিকাকে বলেন, অক্টোবরের মধ্যে ৩৩০টি পৌরসভায় আহ্বায়ক কমিটি গঠনের কাজ শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে। নভেম্বরের মধ্যে প্রায় ৪ হাজার ৬০০ ইউনিয়নে সাংগঠনিক কমিটি গঠন এবং একই সময়ে এনসিপি-সমর্থিত ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী ঘোষণার কাজও এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

রাজনীতি
দুই লক্ষ্য নিয়ে তৃণমূলে শক্তি বাড়াতে তৎপর এনসিপি
একই সঙ্গে স্থানীয় নির্বাচন ও সাংগঠনিক সক্ষমতা বাড়ানোর প্রস্তুতি চলছে।
সব ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান পদে দল-সমর্থিত প্রার্থী দেওয়ার লক্ষ্য।
নভেম্বরের মধ্যে সব ইউনিয়নে এবং এপ্রিলের মধ্যে সব ওয়ার্ডে কমিটি।
অর্চি হক, ঢাকা
প্রকাশ : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১: ৪৪
আপডেট : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩: ১২

 

 

দুই লক্ষ্য নিয়ে তৃণমূলে শক্তি বাড়াতে তৎপর এনসিপি

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নিজেদের প্রার্থী দেওয়ার এবং মাঠের রাজনীতিতে সাংগঠনিক সক্ষমতা প্রমাণের লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া তরুণদের গড়া রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। এ জন্য তৃণমূলে সংগঠন শক্তিশালী করতে তৎপর হয়েছে দলটি। এর অংশ হিসেবে দুই বিভাগে সমন্বয় সভা ও রাজনৈতিক কর্মশালা করা হয়েছে।

এনসিপির সূত্র জানায়, স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠন গোছাতে জোর দেওয়া হয়েছে। দেশের প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদে (ইউপি) চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে তৃণমূলে ধাপে ধাপে সাংগঠনিক কাঠামো বিস্তারের পরিকল্পনা করেছেন দলের নীতিনির্ধারকেরা। একই সঙ্গে রাজনৈতিক কর্মসূচি জোরদারের লক্ষ্যও রয়েছে। চলতি সেপ্টেম্বরের মধ্যে দেশের সব উপজেলায়, অক্টোবরের মধ্যে সব পৌরসভায় এবং নভেম্বরের মধ্যে ইউনিয়ন পর্যায়ে কমিটি গঠনের কাজ শেষ করতে চায় এনসিপি। আগামী বছরের এপ্রিলের মধ্যে দেশের প্রতিটি ওয়ার্ডে কমিটি গঠনের লক্ষ্যও রয়েছে। গত ২৮ আগস্ট দেশের ইউনিটগুলোকে উপজেলা কমিটি গঠনের সময়সীমা বেঁধে দিয়ে সাংগঠনিক নির্দেশনা দেওয়া হয়।

এনসিপির দায়িত্বশীল নেতারা জানান, জেলা ও মহানগরের ৮০টি সাংগঠনিক ইউনিটের ৭৬টিতে আহ্বায়ক কমিটি রয়েছে। উপজেলা পর্যায়ের ৫০০ ইউনিটের মধ্যে ৩৬৬টিতে কমিটি গঠন করা হয়েছে। ২৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে বাকি উপজেলাগুলোতেও আহ্বায়ক কমিটি গঠনের কাজ শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে। পূর্ণাঙ্গ কমিটি সম্ভব না হলে ১১ থেকে ১৫ সদস্যের আংশিক আহ্বায়ক কমিটি করে পরবর্তী ১৫ দিনের মধ্যে ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম আজকের পত্রিকাকে বলেন, অক্টোবরের মধ্যে ৩৩০টি পৌরসভায় আহ্বায়ক কমিটি গঠনের কাজ শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে। নভেম্বরের মধ্যে প্রায় ৪ হাজার ৬০০ ইউনিয়নে সাংগঠনিক কমিটি গঠন এবং একই সময়ে এনসিপি-সমর্থিত ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী ঘোষণার কাজও এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

উপজেলা পর্যায়ে নেতৃত্ব বাছাইয়ের কিছু মানদণ্ড ঠিক করেছে এনসিপি। দলীয় নির্দেশনায় বলা হয়েছে, উপজেলা আহ্বায়কের বয়স ৪০ বছরের বেশি এবং সদস্যসচিবের বয়স ৩৫ বছরের বেশি হলে ভালো। তবে কোনোভাবেই ৩০ বছরের কম বয়সী কাউকে সদস্যসচিব করা যাবে না। উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে বিবেচিত ব্যক্তিদের আহ্বায়ক বা সদস্যসচিব পদে অগ্রাধিকার দিতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি নিজ এলাকায় গ্রহণযোগ্যতা, পরিচিতি, নেতৃত্বের সক্ষমতা, দলের প্রতি আনুগত্য ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তিকে গুরুত্ব দিতে বলা হয়েছে। কমিটিতে অন্তত ৫ শতাংশ নারী প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার পাশাপাশি স্থানীয় ধর্মীয় ও জাতিগোষ্ঠীগুলোর আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বের কথাও বলা হয়েছে।

সূত্র: আজকের পত্রিকা