সাগর-রুনি হত্যা মামলা আদালতে উত্থাপিত না হওয়ায় জামিন শুনানি হয়নি

প্রকাশিত: March 9, 2014 | সময়: 1:53 pm

বাংলাভূমি২৪ ডেস্ক ॥ সাংবাদিক দম্পত্তি সাগর-রুনি হত্যা মামলায় (শোন-অ্যারেস্ট) গ্রেপ্তার তিন আসামি জামিন আবেদন কার্যতালিকায় থাকলেও আদালতে উত্থাপিত না হওয়ায় এ আবেদনের শুনানি হয়নি। বিষয়টি জানিয়েছেন এই তিন আসামির আইনজীবী ব্যারিস্টার এসএম মাসুদ হোসাইন দোলন। আসামি তিন জন হলেন- বকুল মিয়া, রফিকুল ইসলাম ও কামরুল হাসান অরুন। তাদের বক্ষব্যাধি হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক ডা: নারায়ন চন্দ্র দত্ত হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়। তারপর থেকে তারা কারাগারে আছেন।

রোববার সুপ্রিমকোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি নাঈমা হায়দার ও বিচরপতি জাফর আহমেদের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চের তালিকায় এ জামিন আবেদনটি ছিল।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার সাগর-রুনি হত্যা মামলার সর্বশেষ তথ্য জানানোর জন্য তদন্তকারী কর্মকর্তা জাফরউল্লা হাইকোর্টে হাজির হয়েছিলেন। গত মাসের ১৮ তারিখে এই কর্মকর্তাকে আদালতে তলব করা হয়।

সাগর রুনি হত্যার ঘটনার মামলায় কারাগারে বন্দিদের জামিন আবেদনের প্রাথমিক শুনানিকালে বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দিয়েছিলেন।

এ তিন আসামিকে ২০১২ সালের ১০ অক্টোবর সাগর-রুনি হত্যা মামলায় শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানো হয়। এর আগে ২০১২ সালের ৩ সেপ্টেম্বর আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার এস এম মাসউদ হোসেন দোলন। তাকে সহযোগিতা করেন খলিফা শামসুন্নাহার।

গত ২০১২ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি সাগর-রুনি হত্যার অভিযোগে রাজধানীর শেরে বাংলা নগর থানায় মামলা দায়ের করেন নওশের আলম রোমান। এই মামলার তদন্ত করতে ডিবি পুলিশকে দায়িত্ব দেয়া হয়। এরপর ডিবির কাছ থেকে তদন্তের জন্য র‌্যাবের নিকট দায়িত্ব হস্তান্তর করা হয়।

এর আগে ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১২ সালে সাগর-রুনি দম্পতি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারে নিজ বাসায় খুন হন।

ঘটনার পর শেরে বাংলা নগর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। প্রথমে তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন ওই থানার এক এসআই। একদিন পর চাঞ্চল্যকর এ হত্যা মামলার তদন্তভার ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) উপর ন্যস্ত করা হয়। দুই মাসেরও অধিক তদন্ত করে ডিবি রহস্য উদঘাটনে ব্যর্থ হয়। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে ওই বছর এপ্রিল মাসে হত্যা মামলাটির তদন্তভার র‌্যাবের কাছে ন্যস্ত করা হয়। বাংলামেইল২৪ডটকম