বাংলাভূমি২৪ ডেস্ক॥ পাসপোর্ট নিতে গিয়ে কেউ যাতে হয়রানির শিকার না হয়, সে ব্যাপারে সতর্ক থাকতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘বিদেশ যাওয়ার জন্য পাসপোর্ট একটি অতি প্রয়োজনীয় দলিল। তাই আমি পাসপোর্ট নিতে এসে কেউ যাতে হয়রানির শিকার না হয় সে ব্যাপারে সতর্ক থাকতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।’
প্রধানমন্ত্রী আজ মঙ্গলবার বিকেলে তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবনে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ৩৩টি আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের কর্মকাণ্ড উদ্বোধন করেন। এ সময় তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, স্থানীয় সাংসদ ও লক্ষ্মীপুর জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ এবং জেলা প্রশাসকের সঙ্গে কথা বলেন। এমআরপি প্রকল্পের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাসুদ রেদওয়ান প্রকল্পের অগ্রগতি সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত বিবরণ দেন। খবর বাসসের।
বাংলাদেশে এমআরপি চালুর পটভূমি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যে আধুনিক প্রযুক্তি একসময় অনেকের কাছে কল্পনার বিষয় ছিল, তাঁর সরকার সে প্রযুক্তি গ্রহণ করেছে। ‘একসময় এমআরপি চালুর ব্যাপারে বাংলাদেশ পেছনে পড়ে থাকতে পারে বলে আমরা শঙ্কিত ছিলাম। কারণ ৮০ থেকে ৯০ লাখ বাংলাদেশি বিদেশে বসবাস করছে। পাশাপাশি প্রতিদিন বহু লোক বিভিন্ন কাজে বিদেশ যাচ্ছেন এবং তাঁরা নানা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন।’
শেখ হাসিনা বলেন, এ সমস্যা সমাধানে তাঁর সরকার আগের মেয়াদে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করে এবং সম্ভাব্য দ্রুততম সময়ের মধ্যে জনগণ যাতে এমআরপি পায় সেজন্য সেনাবাহিনীকে এ দায়িত্ব দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব আবদুস সোবহান সিকদার, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব মো. মোজাম্মেল হক খান, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব এ কে এম শামীম চৌধুরী এবং প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী আবদুস সোবহান গোলাপ ও মাহবুবুল হক শাকিল উপস্থিত ছিলেন।

