বাংলাভূমি২৪ ডেস্ক ॥ রাজ্যসভা কিংবা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট সব জায়গায় তার শিক্ষাগত যোগ্যতা দ্বাদশ শ্রেণি পাশ। কিন্তু গতকাল কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ উন্নয়নমন্ত্রী স্মৃতি ইরানি হঠাৎ দাবি করে বসেন, তিনি আমেরিকার ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রিধারী।
বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হওয়ায় আজ নিজের অবস্থান থেকে পিছিয়ে আসতে বাধ্য হয়েছেন স্মৃতি। তার কথায়, “দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমার শংসাপত্রের ভুল ভাবে ব্যাখ্যা হয়েছে।” কিন্তু সংবাদমাধ্যম নাকি স্বয়ং মন্ত্রী, কে ভুল ব্যাখ্যা করেছে সে বিষয়ে অবশ্য তিনি বা তার মন্ত্রণালয় মুখ খুলছে না।
কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় সর্বকনিষ্ঠ মন্ত্রী স্মৃতি। কিন্তু শুরু থেকেই বিতর্কের শিকার তিনি। ২০০৪ ও ২০১৪ সালে লোকসভা ভোটের হলফনামায় দু’ধরনের শিক্ষাগত যোগতা নির্বাচন কমিশনের কাছে জমা দিয়েছেন বলে অভিযোগ তুলে বিরোধীরা তার ইস্তফার দাবিতে সরব হন। আর যে ব্যক্তির ন্যূনতম স্নাতক ডিগ্রি নেই, তাকে দেশের শিক্ষামন্ত্রী করা উচিত কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন শিক্ষাবিদদের একাংশ।
এই পরিস্থিতিতে গতকাল একটি অনুষ্ঠানে স্মৃতি হঠাৎ দাবি করে বসেন তার ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি রয়েছে। যা নতুন করে বিতর্ক উস্কে দেয়। মাত্র ছ’দিন ক্লাস করে কী ভাবে ডিগ্রি পাওয়া সম্ভব, তা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। পরিস্থিতি সামলাতে আজ প্রথমে টুইট করেন স্মৃতি। দাবি করেন, “আমার ওই কোর্সে যোগদান ও শংসাপত্র নিয়ে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে।” পরে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়, স্মৃতি ইরানি অন্যান্য রাজনৈতিক দলের সংসদ সদস্যদের সঙ্গে ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘লিডারশিপ’ বা নেতৃত্ব সংক্রান্ত একটি ছ’দিনের কোর্স করতে গিয়েছিলেন। তা সফলভাবে শেষ করার পর তাকে একটি শংসাপত্র দেওয়া হয়।

