বাংলাভূমি২৪ ডেস্ক ॥ স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেছেন, ‘কারাগার এখন আর শাস্তি কার্যকর করার প্রতিষ্ঠান নয়, আত্মশুদ্ধির জায়গা।’
রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে বুধবার সকালে কারারক্ষীদের ৩৮তম ব্যাচের সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন।
আসাদুজ্জামান খান বলেন, ‘কালের বিবর্তনে কারাগারকে আধুনিক ও যুগোপযোগী করে গড়ে তোলা হচ্ছে। আধুনিক ও উন্নত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কারারক্ষীদের প্রশিক্ষিত করা হচ্ছে। সরকার এই ধারাবহিকতা অব্যাহত রাখবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘অনেক সীমাবদ্ধতা ও প্রতিকূলতা থাকা সত্ত্বেও কারারক্ষীরা নিষ্ঠার সঙ্গে প্রশিক্ষণ সমাপ্ত ও তাদের কসরত প্রদর্শন করায় আমি অভিভূত। আপনাদের এই প্রশিক্ষণ আরও সুন্দর ও সু-শৃঙ্খলভাবে করার জন্য সরকার রাজশাহীতে কারা প্রশিক্ষণ একাডেমি নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অচিরেই এই কারা প্রশিক্ষণ একাডেমি নির্মাণের কাজ শুরু করবো।’
এ সময় তিনি কারারক্ষীদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘যারা কারান্তরীণ হন তাদের অনেকেই ইচ্ছের বিরুদ্ধে অপরাধ করে এখানে আসেন। তাই আপনাদের সচেষ্ট থাকতে হবে তারা যেন কারাগারে এসে আত্মশুদ্ধি লাভ করতে পারে। এজন্য সরকার কারাভ্যন্তরে শিষ্ঠাচার শিক্ষাসহ বিভিন্ন প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেছে। যেন তারা করাগার থেকে বেরিয়ে আবারও অন্ধকার জগতে পা না বাড়ায়।’
এ সময় স্বারষ্ট্রপ্রতিমন্ত্রী প্রশিক্ষণলব্ধ জ্ঞান ব্যবহার করে কারারক্ষীদের জাতীয় সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করে নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান। পরে তিনি কুচকাওয়াজ পরিদর্শন ও অভিবাদন গ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, পুলিশের আইজি খন্দকার হাসান মাহমুদ, বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমির অধ্যক্ষ নাঈম আহম্মেদ, কারা মহাপরিদর্শক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ ইফতেখার আহম্মেদ, রাজশাহী জেলা প্রশাসক মেজবাহউদ্দিন চৌধুরী, ডিআইজি শীর শহিদুল ইসলাম, পুলিশ কমিশনার ব্যরিস্টার মাহবুবুর রহমান, র্যাব-৫ এর অধিনায়ক, পুলিশ সুপার আলমগীর হোসেন, সাবেক প্রতিমন্ত্রী জিনাতুন নেসা তালুকদার, বিএমডিএর চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম ঠান্ডু, রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন ও জিআইজি প্রিজনসহ কারাগারের ঊদ্ধর্তন কর্মকর্তা-কর্মচারী ও রাজনৈতিক নেতারা।

