বাংলাভূমি২৪ ডেস্ক ॥ তলিয়ে গেছে জেলার নিম্নাঞ্চলের শতাধিক চর ও দ্বীপচর।
বাড়িঘরে পানি প্রবেশ করায় এসব এলাকার প্রায় ৫০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। তলিয়ে গেছে ১০ হাজার হেক্টর জমির রোপা আমন ও সবজি ক্ষেত।
ধরলার পাড় এলাকার বাসিন্দা আব্দুল করিম জানান, শ্যালো মেশিন দিয়ে পানি নিয়ে ৩ একর জমিতে রোপা আমন লাগিয়েছিলেন। সব পানির নিচে তলিয়ে গেছে।
কদমতলা গ্রামের সালাম মিয়া জানান, তিনি ২ একর জমিতে বেগুন ও ঢেঁড়শ চাষ করেছিলেন। তবে বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে সব।
এদিকে, দুধকুমার নদীর তীব্র স্রোতে সোনাহাট স্থলবন্দরের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনকারী সোনাহাট ব্রিজের সংযোগ সড়ক ভেঙ্গে যাওয়ায় বন্ধ হয়ে গেছে সোনাহাট স্থলবন্দরের যোগাযোগ ব্যবস্থা।
স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু তাহের রবিবার সকাল ৯টার দিকে দ্য রিপোর্টকে জানিয়েছেন, গত ২৪ ঘণ্টায় সেতু পয়েন্টে ধরলা নদীর পানি ৫৯ সেন্টিমিটার, চিলমারী পয়েন্টে ব্রহ্মপুত্রের পানি ৫১ সেন্টিমিটার ও নুনখাওয়া পয়েন্টে ৪৯ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার সামান্য নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে, কাউনিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি অপরিবর্তিত রয়েছে। বেঙ্গলিনিউজটোয়েন্টিফোর.কম ডেস্ক

