বাংলাভূমি২৪ ডেস্ক ॥ সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলায় অসুস্থ গরুর মাংস খেয়ে শিশু ও নারীসহ অন্তত ২০ জন অ্যানথ্রাক্স রোগে আক্রান্ত হয়েছে।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উল্লাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসকরা এদের অ্যানথ্রাক্স আক্রান্তের বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেন।
অ্যানথ্রাক্স আক্রান্তেরা হলেন, উল্লাপাড়া উপজেলার চর-নন্দিগ্রাম গ্রামের গোলাম মোস্তফা (২০), আব্দুর রহমান (৪২), সাইফুল ইসলাম (২৫), হারুন (৮), সোহেল (১৪), দুলাল হোসেন (৪০) ,সারোয়ার হোসেন (১৪), আল আমিন (৯), আনছার আলী (৪২), বারেক হোসেন (১৪), জাহাঙ্গীর হোসেন (১৪), খুশি খাতুন (৪০), চয়ন (১৪), রেহানা (২২), আইয়ুব (৪২), সাথী (১৩), রুবিনা (৫০), রবিউল (৫৫), মালেক (৬০), ও অন্তরা (৫)।
উল্লাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, সিভিল সার্জনের কার্যালয় ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গত ১৬ আগস্ট উল্লাপাড়া উপজেলার চর-নন্দিগ্রাম গ্রামের আব্দুর রহমানের একটি ষাড় (গরু) অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে গ্রামবাসী চাঁদা উত্তোলন করে ষাড়টি ক্রয় করে জবাই করে মাংস ভাগ করে নেয়।
এরপর চলতি সপ্তাহের রোববার থেকে ষাড়ের মাংস কাটা ও রান্নায় জড়িতদের শরীরের বিভিন্ন অংশে চুলকানি শুরু হয়। পরবর্তীর্তে এদের মধ্যে কয়েকজনের শরীরে ছোট ক্ষতের সৃষ্টি হলে মঙ্গলবার দুপুরে তাদের উল্লাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হয়।
সন্ধ্যায় এরা সবাই অ্যানথ্রাক্স আক্রান্ত বলে নিশ্চিত করেন চিকিৎসক। পরে তাদের সিভিল সার্জনের কার্যালয় ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পক্ষ থেকে চিকিৎসা শুরু হয়।
উল্লাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. সুকুমার সুর রায় বিষয়টি নিশ্চিত করে বাংলানিউজকে জানান, অ্যানথ্রাক্স আক্রান্তদের জরুরি ভিত্তিতে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
সিরাজগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. মো. শামসুদ্দীন জানান, বিষয়টি জানার পর স্বাস্থ্য বিভাগের মেডিকেল টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আক্রান্ত ব্যক্তিদের চিকিৎসা দিয়েছে। এতে আতংকিত হওয়ার মত কিছু হয়নি বলে তিনি জানান।

