বাংলাভূমি২৪ ডেস্ক ॥
ঢাকা: যারা ২০১০ সালের সেপ্টেম্বর এবং ২০১২ সালের জুনের মধ্যে এইচপি এর ল্যাপটপ কিনেছেন তাদের জন্য এই প্রতিবেদনটি বিশেষ জরুরি। ওই সময়ের মধ্যে যে ল্যাপটপগুলো বিক্রি হয়েছে তার পাওয়ার কর্ডের সিরিয়াল নম্বর ক্রেতাদের মিলিয়ে দেখতে বলেছে কম্পিউটার জায়ান্ট হিউলেট-প্যাকার্ড। বিশেষ করে যে সব কর্ডের সিরিয়াল নম্বরের শেষে এলএস-১৫ (খঝ-১৫) লিখা রয়েছে তাদের সাবধান হতে বলা হয়েছে। কারণ ওই ল্যাপটপগুলোর সঙ্গে দেওয়া পাওয়ার কর্ড জ্বলে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এবং এটিকে গ্লোবাল ইস্যু হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে তারা। অর্থাৎ, সারা বিশ্বে ওই সময় যে ল্যাপটপগুলো বাজারে ছাড়া হয়েছে তার পাওয়ার কর্ড ফিরিয়ে নেবে তারা।
এইচপি গত মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে জানায়, সম্প্রতি এই সমস্যা ধরতে পেরেছে তারা। পাওয়ার কর্ডগুলোতে বিদ্যুত সংযোগ দিলে তাতে আগুন ধরে যাওয়ার সম্ভবনাও রয়েছে।
কনজ্যুমার সেফটি কমিশন থেকে বলা হয়, এইচপির ল্যাপটপের পাওয়ার কর্ড জ্বলে যাওয়া ২৯টি অভিযোগ তারা পেয়েছে। এর মধ্যে কর্ড গলে যাওয়ার অভিযোগ রয়েছে এবং ১৩টি অভিযোগ এসেছে ল্যাপটপটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার। ইতিমধ্যে শুধু আমেরিকাতেই ৫.৬ মিলিয়ন কর্ড চারদিকে ছড়িয়ে গেছে বলেও কমিশন থেকে জানানো হয়।
এইচপি জানায়, এসব কর্ড এইচপি ল্যাপটপ, কমপ্যাক নোটবুক এবং মিনি নোটবুকের সঙ্গে ছাড়া হয়েছে।
এইচপি আরো জানায়, এলএস-১৫ লিখা সব পাওয়ার কর্ডই অবশ্য এর অন্তর্ভুক্ত হবে না। কারণ ২০১০ সালের সেপ্টেম্বর এবং ২০১২ সালের জুনের পরও কিছু ল্যাপটপ বাজারে গেছে যাদের কর্ডের সিরিয়াল নম্বরে এলএস-১৫ থাকতে পারে। সেগুলোতে কোনো সমস্যা নেই।
বেঙ্গলিনিউজটোয়েন্টিফোর.কম ডেস্ক

