বাংলাভূমি২৪ ডেস্ক ॥ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) যাচ্ছন আজ।
তেলসমৃদ্ধ এ দেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরো জোরদার এবং দেশটিতে জনশক্তি রফতানি বৃদ্ধির লক্ষ্য নিয়ে তিনদিনের এক সরকারি সফরে আবুধাবির উদ্দেশ্যে আজ শনিবার ঢাকা ত্যাগ করবেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সফরসঙ্গীদের বহন করা জাতীয় পতাকাবাহী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ভিভিআইপি ফ্লাইট সকাল সাড়ে ৮টার সময় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছেড়ে যাওয়ার কথা।
ফ্লাইটটি বেলা সাড়ে ১১টায় (ইউএই সময়) আবুধাবি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছাবে বলে আশা করা যাচ্ছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বনাত দিয়ে বাসস জানায়, সংযুক্ত আরব আমিরাতে তিনদিনের এ দ্বিপাক্ষিক সফরকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ২৬ অক্টোবর আবুধাবিতে যুবরাজ মোহাম্মাদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল্লাহ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের সঙ্গে বৈঠক করার কথা রয়েছে।
শেখ হাসিনা আবুধাবিতে বাংলাদেশী কমিউনিটির দেয়া এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানেও যোগ দেবেন।
আগামী ২৭ অক্টোবর তিনি ইউএই’র ভাইস প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী এবং দুবাইয়ের শাসক শেখ মোহাম্মাদ বিন রশিদ আল মকতুমের সঙ্গে বৈঠক করতে দুবাই যাবেন।
এ বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রী রাস আল-খাইমাহ’র (আরএকে) শাসক শেখ সৌদ বিন আকর আল কাশিমির সঙ্গে বৈঠকের জন্য সেখানে যাবেন। বৈঠকের আগে তিনি আরএকে শাসকের দেয়া এক মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেবেন।
সেখান থেকে তিনি ফের দুবাইয়ে আসবেন এবং বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিটে দেশের উদ্দেশে রওনা হয়ে রাত সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকায় পৌঁছাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
সূত্র জানায়, সফরকালে বাংলাদেশ ও ইউএই’র মধ্যে বাণিজ্য, জনশক্তি ও বিনিয়োগ সংক্রান্ত বেশ কয়েকটি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হবে।
এর আগে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে উভয় দেশের মধ্যে নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদারের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরের প্রস্তাব সোমবার মন্ত্রিসভায় অনুমোদন করা হয়েছে।
বিনিয়োগ বোর্ডের তথ্যানুযায়ী, বর্তমানে বাংলাদেশে পঞ্চম বৃহত্তম বিনিয়োগকারী দেশ হল সংযুক্ত আরব আমিরাত। এদেশের টেলিযোগাযোগ, ব্যাংকিং, সিরামিক এবং রাসায়নিক ও বস্ত্র খাতে ইউএই’র মোট ২শ’ ৫০ কোটি মার্কিন ডলার বিনিয়োগ রয়েছে।
২০১৩-১৪ অর্থবছরে বাংলাদেশ সংযুক্ত আরব আমিরাতে ২৪ কোটি ৫০ লাখ ডলার মূল্যের পণ্যসামগ্রী রপ্তানি এবং সেদেশ থেকে ৮৪ কোটি ৩০ লাখ ডলার মূল্যের সামগ্রী আমদানি করেছে। ইউএইতে বাংলাদেশের রপ্তানির ৭৮ শতাংশ আসে তৈরি পোশাক খাত থেকে।

