সাংবাদিক মুসা ছিলেন মুকুটহীন সম্রাট

প্রকাশিত: April 10, 2015 | সময়: 10:42 am

অধ্যাপক শামসুল হুদা লিটন ॥
স্বাধীন বাংলাদেশের সাংবাদিকতার জগতে এ,বি,এম মুসা ছিলেন সাংবাদিকতার প্রাণপুরুষ। তিনি ছিলেন সত্য প্রকাশ ও প্রতিষ্ঠায় নির্ভীক। বাংলাদেশের সাংবাদিকদের মধ্যে তিনি ছিলেন গুরুর মতো। তিনি ছিলেন মুকুটহীন স¤্রাট। বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শিক্ষকদেরকে গুরুর আসনে বসাতে চেয়েছিলেন। রবিঠাকুরের আজীবন সাধনা ছিল শিক্ষকদের গুরুর আসনে বসানো। বাংলাদেশের সাংবাদিকরা এ,বি,এম মুসাকে তাঁর কর্মের কারণে গুরুর আসনে বসিয়ে ছিলেন। দীর্ঘ ৬০ বছর তিনি সাংবাদিকতার সাথে নিবিড়ভাবে জড়িত ছিলেন। মুসা ছিলেন মুসলিম সাংবাদিকতার পথিকৃত মাওলানা আক্রাম খাঁ, মৌলভী মুজিবুর রহমান, তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া, আবুল মনসুর আহাম্মদ, আবুল কালাম সামসুদ্দিনের সুযোগ্য উত্তরসুরী। স্বাধীন বাংলাদেশের হাতে গোনা যে কয়েকজন সাংবাদিক সংবাদপত্র জগতে উজ্জ্বল নক্ষত্র হিসেবে দীর্ঘদিন জাতির বিবেকের ভূমিকা পালন করেছেন তাদের মধ্যে প্রথমেই যার নাম আসে তিনি হলেন এবিএম মুসা। তিনি ছিলেন ছোট-বড় সকল সাংবাদিকদের প্রিয় মুসা ভাই। গতকাল ৯ এপ্রিল প্রতিথযশা সাংবাদিক মুসা ভাইয়ের প্রথম মৃত্যু বার্ষিকী ছিল। ২০১৪ সালের ৯ এপ্রিল ৮৩ বছর বয়সে বাংলাদেশের সকল সাংবাদিকদের কাঁদিয়ে তিনি না ফেরার দেশে চলে যান। ১৯৩১ সালে ফেনীর ছাগল নাইয়া উপজেলার ধর্মপুর গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে তিনি জন্ম গ্রহণ করেন। আমার মতো একজন নগণ্য সংবাদকর্মীর পক্ষে তাঁর মতো একজন বড় মাপের সাংবাদিককে নিয়ে কিছু লেখার যোগ্যতা ও সাহস নেই। তারপরও প্রথম মৃত্যু বার্ষিকীতে একান্ত মনের আবেগেই কিছু লেখার ধৃষ্টতা করতে হলো। সাংবাদিক মুসা সংবাদপত্রের জগতে একটি নাম, একটি দীর্ঘ ইতিহাস। তিনি ছিলেন একাধারে একজন নির্ভীক সাংবাদিক, সফল সম্পাদক, ক্ষুরধার কলামিষ্ট। টেলিভিশনের টকশোতে সত্য উচ্চারণ করতে কখনো দ্বিধা করতেন না। টকশোতে তাঁর সত্য উচ্চারণ ও অন্যায়ের প্রতিবাদের জন্যে তিনি জনগণের কন্ঠস্বরে পরিণত হয়েছিলেন।
বাংলাদেশের সাংবাদিকতার জগতে মুসা ভাই বলে খ্যাত এবিএম মুসা ১৯৫০ সালে মাত্র ১৯ বছর বয়সে তৎকালীন দৈনিক ইনসাফ পত্রিকার মাধ্যমে সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেন। একই বছর তিনি দৈনিক পাকিস্তান অবজারভারে যোগদান করেন। ১৯৭১ সাল পর্যন্ত তিনি পাকিস্তান অবজারভারে রিপোর্টার, স্পোর্টস রিপোর্টার, বার্তা সম্পাদক হিসেবে অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনের সময় তৎকালীন সরকার পাকিস্তান অবজারভার বন্ধ করে দিলে তিনি দৈনিক সংবাদে যোগদান করেন। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর তিনি দৈনিক মর্নিং নিউজ পত্রিকায় যোগ দিয়েছিলেন। ২০০৪-২০০৫ সালে তিনি দৈনিক যুগান্তর পত্রিকায় সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ছিলেন জাতীয় প্রেস ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। মুসা ভাই ছিলেন প্রেস ক্লাবের আজীবন সদস্য। তিনি পর পর চার বার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি ছিলেন এবং তিনবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি ছিলেন সাংবাদিকদের বিশ্বস্ত নেতা। বাংলাদেশের সাংবাদিকদের ঐক্য, সংবাদপত্রের বিকাশ, সাংবাদিকদের মান বৃদ্ধির জন্য তিনি আজীবন কাজ করে গেছেন। মৃত্যুর পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত সাংবাদিকদের ঐক্য ছিল তাঁর চিন্তা, সাধনা ও স্বপ্ন। সাংবাদিক সাগর-রুনি হত্যার পর সাংবাদিকদের ঐক্য দেখে তিনি দারুন খুশী হয়েছিলেন। সাংবাদিকদের মধ্যে রাজনৈতিক বিভাজন কখনো পছন্দ করতেন না।
শাসকের রক্ত চক্ষুকে উপেক্ষা করেই তিনি নিয়মিত বিভিন্ন পত্রিকায় কলাম লিখে জাতিকে জাগিয়ে তুলেছিলেন। অপসাংবাদিকতার বিরুদ্ধে আজীবন সংগ্রামী এই বীর কখনো তোষামোদ করে রাষ্ট্রীয় সুযোগ সুবিধা নেওয়ার কথা ভাবেন নি। যারা তোষামোদ করতেন তাদের তিনি ঘৃণা করতেন।
১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে তিনি একজন কলম যোদ্ধা হিসেবে রণাঙ্গনে কাজ করেছেন। স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় তিনি সানডে টাইমস পত্রিকায় সংবাদ দাতা হিসেবে যুদ্ধের ময়দান থেকে জীবন বাজি রেখে নিয়মিত সংবাদ সংগ্রহ করে সাহসের সাথে সংবাদ পরিবেশন করতেন। যুদ্ধের সময় একজন কলম সৈনিক হিসেবে তাঁর যে ভূমিকা ছিল জাতি তা চিরদিন মনে রাখবে। স্বাধীনতার পর তিনি বাংলাদেশ টেলিভিশনের মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ সময় তিনি মর্নিং নিউজ পত্রিকার সাংবাদিক হিসেবেও সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন।
বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২সালের সংবিধানের আলোকে ১৯৭৩ সালে প্রথম যে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় সেই নির্বাচনে তিনি আওয়ামীলীগের প্রভাবশালী প্রার্থী হিসেবে নিজ এলাকা ফেনী আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিপুল ভোটে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৭৫ এর পট পরিবর্তনের পর তাঁকে আর রাজনীতিতে সক্রিয় হতে দেখা যায়নি। তবে মনে প্রাণে তিনি ছিলেন আওয়ামী ঘরানার একজন বুদ্ধিজীবি।
আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলেও তাঁর ব্যাপক বিচরণ ছিল। তিনি ১৯৭৮ সালে ব্যাংককে অবস্থিত জাতিসংঘের পরিবেশ কার্যক্রমের (এসকাপ) এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালক পদে যোগ দেন। বাংলাদেশের সাংবাদিকতা জগতের কিংবদন্তীর মহা নায়ক এবিএম মুসা ১৯৮১ সাল থেকে ১৯৮৫ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ প্রেস ইনষ্টিটিউটের পরিচালক ছিলেন। ১৯৮৫ সাল থেকে ১৯৮৭ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার মহাব্যবস্থাপক ও প্রধান সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের সাথে ছিল তাঁর আজীবনের ঘনিষ্ঠতা। সে আবেগ থেকেই তিনি ‘মুজিব ভাই’ নামক একটি বই রচনা করেছিলেন। জানা যায়, মৃত্যুর পূর্বে তিনি একটি আত্মজীবনী রচনা করেছিলেন। আত্মজীবনীটি প্রকাশিত হওয়ার প্রক্রিয়ায় ছিলো বলে জানা যায়। সাংবাদিকতায় তাঁর বলিষ্ঠ অবদানের জন্যে তিনি একুশে পদক লাভ করেছিলেন।
খ্যাতিমান সাংবাদিক মুসা মৃত্যুর পূর্বের বছরগুলোতে টেলিভিশনের টকশোতে আইনের শাসন, ন্যায় বিচার, বাক স্বাধীনতা, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা, নাগরিকদের গণতান্ত্রিক অধিকার নিয়ে কথা বলে খুবই জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন। তিনি স্পষ্টবাদী ও প্রতিবাদী ছিলেন। সরকারের সমালোচনায় তিনি ছিলেন নির্ভীক ও সোচ্চার। তাঁর ক্ষুরধার, যুক্তিপূর্ন ও তথ্যবহুল লেখনীতে স্বৈরাচারের ভীত কেঁপে উঠতো। সরকারী দলের সন্ত্রাস, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, শিক্ষাঙ্গনে নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে তিনি কথা বলতেন।
মুসা ভাই মুসলিম ঐতিহ্য লালন করে মাথায় টুপি পড়ে টেলিভিশনের আলোচনায় অংশ গ্রহণ করতে কখনো সংকোচ বোধ করতেন না। তিনি ঘুষ-দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন। আওয়ামীলীগের নেতা কর্মীদের দুর্নীতি নিয়েও তিনি কঠোর সমালোচনা করেছেন। তাঁর জীবনের সেরা উক্তি ছিল- “তুই বেটা চোর”। আওয়ামীলীগের দুর্নীতির কথা বলতে গিয়ে টেলিভিশনের এক টকশোতে হুমায়ুন আহমেদের নাটকের তোতা পাখির মতো “তুই রাজাকার” প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেছিলেন “লোকজন একদিন আওয়ামীলীগের নেতা কর্মীদের দেখলে বলবে তুই বেটা চোর”।
সরকার ও সরকারী দলের নানা কর্মকান্ডের কঠোর সমালোচনার জন্য তাঁকে অনেক গঞ্জনার শিকার হতে হয়েছে। আওয়ামীপন্থি বুদ্ধিজীবি হওয়া সত্বেও সর্বজন শ্রদ্ধেয় এই প্রবীন সাংবাদিককে নানা ভাবে মানসিক নির্যাতন চালিয়েছিল আওয়ামীলীগের শীর্ষ পর্যায়ের লোকজন। তাঁর অপরাধ ছিল তিনি সত্য প্রকাশে ভয় পেতেন না। তিনি জনগনের বৃহত্তর স্বার্থে নিজের বিবেক বোধ থেকেই সত্যকে প্রকাশ করতেন। কিন্তু তিনি কখনো ব্যক্তি স্বার্থে সত্যকে ধামাচাপা দিতেন না। তাই বাংলাদেশের সাংবাদিকদের অভিভাবক এবিএম মুসাকে জীবন সায়াহ্নে এসে নিজ কানে শুনতে হয়েছে তিনি স্বাধীনতা বিরোধী, রাজাকার ও মানসিক ভারসাম্যহীন। তাঁকে স্বাধীনতা বিরোধী রাজাকারের গালমন্দ শুনতে হয়েছে। এসব মিথ্যা ও কু-উপাধির তিলক নিয়েই তাঁর মতো মহান সাংবাদিককে মৃত্যু বরণ করতে হয়েছে। এর চেয়ে দুর্ভাগ্য আর কিছুই হতে পারে না।
টিভির টকশোতে তাঁর সত্য উচ্চারণ ও বস্তুনিষ্ঠ কলাম লেখার কারণেই সেদিন সরকার দলীয় লোকজন তাঁর উপর প্রচন্ড নাখোশ ও ক্ষুব্ধ হয়েছিল। আর এই ক্ষুব্ধতার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছিল আওয়ামীলীগের মুখপাত্র ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মাহবুবুল আলম হানিফ সাহেবের কন্ঠে। হানিফ সাহেব সে সময় বলেছিলেন- “এবিএম মুসা মানসিক ভারসাম্যহীন এবং স্বাধীনতা বিরোধী”। কোন তথ্য প্রমাণ ছাড়াই এককালের বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক মুসা ভাইকে শুধু সরকার দলীয় লোকজনের সমালোচনা করার কারণেই গালমন্দ শুনতে হয়েছিল। কোন প্রকার ডাক্তারি পরীক্ষা ছাড়াই তাঁকে মানসিক ভারসাম্যহীন বলা হয়েছিল। এসব কথা শুনে সেদিন মুসা ভাইয়ের মতো সাংবাদিক সমাজ কষ্ট পেয়েছিলেন।
প্রকাশ্য দিবালোকে বিশ্বজিতের মতো নিরীহ তরুনকে মধ্যযুগীয় কায়দায় হত্যা করাকে কিছুতেই মেনে নিতে পারেননি তিনি। ছাত্রলীগ, যুবলীগের সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট করার প্রতিবাদ করতে গিয়ে তিনি মুজিব আদর্শের লোক হয়েও সরকার দলীয় লোকজনের সমালোচনার শিকার হন এবং তাদের রোষানলে পড়েন।
এবিএম মুসা ছিলেন নিজেই একটি প্রতিষ্ঠান। দীর্ঘ ৬০ বছর তিনি সাংবাদিকতা করেছেন। এসময় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ন প্রতিষ্ঠানের প্রধানের দায়িত্ব পালন করে অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ হয়েছেন। তিনি ছিলেন একজন উচ্চ মাপের পেশাদার সাংবাদিক। জাতিকে আধুনিক ও উন্নতমানের বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ উপহার দেয়ার জন্য শেষ বয়সে এসে তিনি টেলিভিশনের লাইসেন্সের জন্য আবেদন করেছিলেন। সাংবাদিকতার কিছুই জানেননা, এমনসব ব্যক্তিরা টিভির লাইসেন্স পেলেন। রাতারাতি অসাংবাদিক ব্যক্তিরা মিডিয়ার মালিক বনে গেলেন। কিন্তু মুসা ভাইয়ের মতো পেশাদার প্রতিষ্ঠিত সৎ সাংবাদিক টেলিভিশনের লাইসেন্স পেলেন না। অনেককে দেয়া হলো কিন্তু তাঁকে দেয়া হলো না। এ সংবাদ সত্যিই দুঃখজনক।
এবিএম মুসা ছিলেন সাবেক জাতীয় সংসদ সদস্য। প্রথা অনুযায়ী একজন সাবেক সংসদ সদস্য হিসেবে সংসদ ভবনে তাঁর নামাজে যানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও রহস্যজনক কারণে তাঁর আয়োজন করা হয়নি। তাঁর মৃত্যুর পর জাতি আশা করেছিল প্রথা অনুযায়ী সংসদ ভবন চত্বরে জানাজার নামায অনুষ্ঠিত হবে, কিন্তু হয়নি।
তারপরও মোহাম্মদপুর ইকবাল রোডের মাঠে, জাতীয় প্রেস ক্লাবে, ফেনী শহর ও গ্রামের বাড়ি কুতুবপুরে মুসা ভাইয়ের নামাযে জানাজায় মানুষের ঢল নেমেছিল। একজন সাংবাদিককে মানুষ এতো ভালবাসে, এতো শ্রদ্ধা করে জাতি তাকিয়ে দেখলো আরেকবার।
মুসা ভাই আজ আর আমাদের মাঝে নেই। তিনি চলে গেছেন না ফেরার দেশে। তবে তিনি রেখে গেছেন তাঁর ছয় দশকের সাংবাদিকতার মহান আদর্শ। অস্কার ওয়াইল্ড বলেছিলেন, “আমরিকার প্রেসিডেন্ট নির্দিষ্ট সময় অনুযায়ী রাজ্য শাসন করেন, কিন্তু একজন সাংবাদিক তাঁর সমস্ত জীবন ধরে রাজ্য শাসন করে থাকেন।” মুসা ভাই ছিলেন বাংলাদেশের সাংবাদিক জগতের সম্রাট ও মুকুটহীন শাসক ও অভিভাবক। একজন সৎ সাংবাদিকের কোন বন্ধু নেই, এবিএম মুসা তাঁর কর্মের মাধ্যমে আরেকবার প্রমাণ করে গেছেন। আজকের এই দিনে আমাদের কামনা আল্লাহ যেন তাকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করেন।
লেখক- শামসুল হুদা লিটন
কবি, সাংবাদিক ও কলামিষ্ট
কাপাসিয়া, গাজীপুর