থ্রি ‘ই’ অনুসরণে সড়ক দুর্ঘটনা কমছে

প্রকাশিত: November 12, 2015 | সময়: 9:39 am

বাংলাভূমি২৪ ডেস্ক ॥

ঢাকা: সড়ক দুর্ঘটনা রোধে বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলোর মতো বাংলাদেশও থ্রি ‘ই’ (ইঞ্জিনিয়ারিং, ইনফোর্সমেন্ট ও এডুকেশন) নিয়ে কাজ করায় দুর্ঘটনার সংখ্যা ক্রমান্বয়ে কমে আসছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বুধবার বিকেলে জাতীয় সংসদের অষ্টম অধিবেশনে সংসদ সদস্য ফখরুল ইমামের লিখিত এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ তথ্য জানান।
প্রধানমন্ত্রী জানান, ২০০৮ সালে বাংলাদেশে সড়ক দুর্ঘটনার সংখ্যা ছিল ৪ হাজার ৪২৭টি। এসব দুর্ঘটনায় মারা যান ৩ হাজার ৭৬৫ জন। থ্রি-ই অনুসরণে ও ধারাবাহিক পদক্ষেপ গ্রহণে ২০১৪ সালে সড়ক দুর্ঘটনা কমে ২ হাজার ২৭টিতে নেমে আসে। এ সময় মারা যান ২ হাজার ৬৭ জন।
শেখ হাসিনা বলেন, দেশের সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধ করার লক্ষ্যে বর্তমান সরকার বিশেষ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। বিস্তারিত সমীক্ষার মাধ্যমে সারাদেশের মহাসড়কে মোট ২২৭টি দুর্ঘটনাপ্রবণ স্থান চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে বিভিন্ন মহাসড়কে ৩৭টি দুর্ঘটনাপ্রবণ স্থানের প্রতিকারমূলক কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী জানান, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ প্রকল্পের আওতায় ৩১টি এবং জয়দেবপুর-চন্দ্রা-টাঙ্গাইল-এলেঙ্গা মহাসড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ প্রকল্পের আওতায় ১৫টি, মোট ৪৬টি দুর্ঘটনাপ্রবণ স্থানের প্রতিকারমূলক কাজ চলছে।
এ ছাড়া অবশিষ্ট ১৪৪টি দুর্ঘটনাপ্রবণ স্থানের প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ১৬৫ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। এই প্রকল্পের আওতায় ২০১৭ সালের জুনের মধ্যে ১৪৪টি দুর্ঘটনাপ্রবণ স্থানের প্রতিকারমূলক কাজ সম্পন্ন করা হবে বলে সংসদকে জানান প্রধানমন্ত্রী।
পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ ভিত্তিতে পৃথক সার্ভিস লেনসহ ঢাকা-চট্টগ্রাম এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের লক্ষ্যে সমীক্ষা সম্পন্ন করা হয়েছে। ডিজাইনের কাজ চলছে বলেও জানান তিনি।