পেনশনপ্রাপ্তদের ব্যাংকের লাইনে দাঁড়াতে হবে না

প্রকাশিত: December 22, 2015 | সময়: 10:38 am

স্টাফ রিপোর্টার ॥
সামরিক-বেসামরিক সব পেনশনপ্রাপ্তকে আর প্রতি মাসে ব্যাংকের লাইনে দাঁড়াতে হবে না। ঘরে বসেই পেনশনপ্রাপ্তরা জানতে পারবেন তার অ্যাকাউন্টে পেনশনের টাকা জমা হয়েছে কিনা। সংশ্লিষ্ট ব্যাংক কর্তৃপক্ষ পেনশনপ্রাপ্তদের মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমে জানিয়ে দেবে এ তথ্য। পেনশনপ্রাপ্তরা সুবিধামতো সময়ে নিজের পেনশনের টাকা তুলতে পারবেন। আর এ সুবিধা পেতে পেনশনপ্রাপ্তকে তার জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি ও পিপিও বই সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষণ অফিস বা ব্যাংকে জমা দিতে হবে। সম্প্রতি পেনশন ব্যবস্থাকে আরও সহজতর করতে অর্থ মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত পরিপত্র জারি করেছে। অর্থ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (বাজেট-১) মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী স্বাক্ষরিত পরিপত্রে বলা হয়েছে, সরকার পেনশন ব্যবস্থাপনাকে অটোমেশনের আওতায় এনে ইএফটির (ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার) মাধ্যমে সরাসরি পেনশনপ্রাপ্তদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানোর পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানোর বিষয়টি সংশ্লিষ্ট পেনশনারকে এসএমএসের মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে জানানো হবে। টাকা জমার বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে পেনশনার সুবিধামতো সময়ে অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা উত্তোলন করতে পারবেন। এ সুবিধা দেয়ার জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ তথ্যভাণ্ডার প্রণয়ন করা আবশ্যক উল্লেখ করে পরিপত্রে বলা হয়- এ লক্ষ্যে সব সামরিক-বেসামরিক পেনশনারকে তার পেনশন নতুন করে অনলাইনে নির্ধারণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এ জন্য পেনশনারকে তার জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি এবং পিপিও বই সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষণ অফিস বা ব্যাংকে জমা দিতে হবে। সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষণ অফিস বা ব্যাংক পেনশনারের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে অনলাইনে পেনশন নির্ধারণের কাজ সম্পন্ন করবেন। এরপর পেনশনার শনাক্তকরণ নম্বর পাওয়া যাবে, যা পেনশনারের পিপিও বই ও ডি-হাফে লিখতে হবে। এটি করা না হলে হিসাবরক্ষণ অফিস বা ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়। ভবিষ্যতেও একই পদ্ধতি অনুসরণ করার নির্দেশনা দিয়ে পরিপত্রে বলা হয়, ভবিষ্যতে নতুন জাতীয় বেতন স্কেল অথবা অন্য কোনো কারণে কোনো অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারীর পেনশন নির্ধারণ বা পুনর্র্নিধারণের প্রয়োজন হলে সে ক্ষেত্রেও এ পদ্ধতি অনুসরণ করে অনলাইনে পেনশন নির্ধারণ বা পুনর্র্নিধারণ করতে হবে। এটি চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ ২০১৫ জারি তারিখ থেকে কার্যকর হবে বলেও পরিপত্রে বলা হয়।