সুখের পরিবর্তে বিষাদে ছেয়ে যাচ্ছে সম্পর্ক!

প্রকাশিত: February 1, 2016 | সময়: 12:01 pm

বাংলাভূমি২৪ ডেস্ক ॥
ঢাকা: সদ্য প্রেমে পড়ার কিছু দিনের মধ্যেই মনে হয়, এটাই জীবনের সত্যিকারের প্রেম। কিছু সুন্দর মুহূর্ত পেরোতে থাকে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে খুব শিগগিরই হয়তো খেয়াল করবেন, সম্পর্কে আনন্দের নয়, যন্ত্রণা আর বিষাদ ছেয়ে গেছে। সম্পর্কের ধরন এবং দুজনের আচরণগত বৈশিষ্ট্যের কারণেই সম্পর্ক বেগতিক হয়। বিশেষজ্ঞরা এখানে জানাচ্ছেন তেমনই বৈশিষ্ট্যের কথা যা সুখ নয়, অশান্তি এনে দেয় মনে।
১. ক্ষমাশীল নন : দুজনের মধ্যে একজন বা দুজনই ক্ষমাশীল না হলে সেখানে বিবাদ ও বিতর্ক লেগেই থাকে। ভুল হতেই পারে। কিন্তু দুঃখপ্রকাশ করলে তা অপরজন গ্রহণ না করলেই ঝামেলার শুরু। প্রত্যেকের আত্মবিশ্বাস কমতে থাকে। অপরের প্রতি চাওয়া-পাওয়া নিঃশেষ হতে থাকে। আসতে থাকে আক্ষেপ।
২. বিপরীতমুখী : দুজনের প্রতি দুজনের আকর্ষণ থাকতে হবে। আর এ কাজে বেশ রসদ জোগায় মনের মিল। আবার দম্পতি বা প্রেমিক-প্রেমিকার সব বিষয়ে মিল থাকতে হবে এমন কোনো কথা নেই। তবে সমস্যা হলো, যদি অনেক বিষয়ে দুজনের পছন্দ পুরোপুরি বিপরীতমুখী হয় তাহলে দূরত্ব বাড়তে থাকবে। ছোট-খাটো অমিল দুজনে সামলে নেওয়া যায়। কিন্তু মত ও পছন্দের বিস্তর পার্থক্য থাকলে দুজন কেবলই দূরে যেতে থাকে। সে সম্পর্কে আর সুখ খুঁজে পাওয়া যায় না।
৩. প্রতিশ্রুতি নেই : একটা মানুষের সঙ্গে আপনি সারাদিন আনন্দের সময় কাটাচ্ছেন। কিন্তু সেখানে কোনো প্রতিশ্রুতি নেই। এ ক্ষেত্রে কেউ-ই অপরকে নিয়ে স্বস্তিতে থাকতে পারবেন না। সেখানে নিরাপত্তাহীনতা দেখা দেবে। অথবা সম্পর্কটা কোথায় গড়ায়, স্রেফ তা দেখার ইচ্ছা কারো থাকলে ক্রমেই তা কষ্টকর সম্পর্কে রূপ নেবে।
৪. ভারসাম্যহীন : এটা ঠিক যে ভালোবাসা ধর্ম, মত, ধনী-গরীব মানে না। কিন্তু সম্পর্ক যখন পরিপক্কতার দিকে যাবে তখন আর্থ-সামাজিক বিষয় গুরুত্বপূর্ণ প্রভাবক। দুজনের সামাজিক অবস্থানে বিস্তর ফারাক থাকলে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক সত্যিই সহজ নয়। দুজনের স্ট্যাটাস ভিন্ন হলে মানিয়ে নেওয়া সুখকর হয় না।
৫. দোষারোপ করার অভ্যাস : যদি একজনের এই অভ্যাস থাকে, তবে সম্পর্কে অশান্তি আসতে বাধ্য। এ ধরনের সঙ্গী-সঙ্গিনী ক্রমাগত অপরের কাজে-কর্মে দোষ ধরতে থাকেন। অতি সামান্য বিষয় নিয়ে অকারণে বাজে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। সম্পর্ক মুহূর্তেই বিষিয়ে ওঠে। সব সুখ-শান্তি হারিয়ে যায়। সূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস