দলে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগ আমলে নেননি খালেদা

প্রকাশিত: May 10, 2016 | সময়: 2:49 pm

স্টাফ রিপোর্টার ॥

ঢাকা : দলের মধ্যে পদ এবং মনোনয়ন নিয়ে বিভিন্ন নেতাদের নামে যে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগ উঠেছে তা আমলে নেননি বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন এবং কমিটি গঠনে অর্থ কেলেঙ্কারির বিষয়ে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা বেলাল আহমেদ, সহ-দপ্তর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপুকে অভিযুক্ত করে কয়েকটি গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

অনেকে মনে করছেন, স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ, সাবেক যুগ্ম মহাসচিব মো. শাজাহান, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স এবং চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস অর্থ কেলেঙ্কারির নেপথ্যে রয়েছেন।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। বেলাল-টিপু দপ্তর থেকে প্রতিবাদলিপি পাঠানো হয়েছে। সিনিয়র নেতারাও এটিকে দলের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র বলে মন্তব্য করেছেন।

সোমবার রাতে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশানের কার্যালয়ে দলটির সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী অনুষ্ঠিত বৈঠক শেষ হয় রাত সাড়ে ১১টায়। বৈঠক নিয়ে দলের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।

তবে বৈঠক সূত্রগুলো জানিয়েছে, অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগ তদন্ত করে দোষীদের বহিষ্কার করতে অধিকাংশ নেতারা চেয়ারপারসনের কাছে দাবি জানিয়েছেন।

স্থায়ী কমিটির এক নেতা বৈঠকে কেলেঙ্কারিতে যুক্ত নেতাদের বিষয়ে বলেছেন, ‘প্রয়োজনে তাদের শুট করা উচিত।’ তবে এ দাবির বিপক্ষে অবস্থান নেন মির্জা আব্বাস ও গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া নেতাদের অর্থ কেলেঙ্কারির তদন্তের দাবি নাকচ করে দিয়ে বলেছেন, ‘এটা সরকারের এজেন্টদের প্রচারণা, আর কিছু সংবাদমাধ্যম এটি নিয়ে বাড়াবাড়ি করছে।’

দলের পুনর্গঠন প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে জানিয়ে বৈঠক সূত্র আরো জানায়, দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী ব্যাপক আকারে পালনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

এ ছাড়া সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী নিয়ে হাইকোর্ট যে রায় দিয়েছে বিএনপির অবস্থান তার পক্ষে। চলমান ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে মাঠে থাকার সিদ্ধান্তে রয়েছে বিএনপি।