লাইফস্টাইল ডেস্ক ॥
ঢাকা: বৈশাখের শেষ দিনগুলোতে বৃষ্টির দেখা মিলেছে। তারপরও গরম কিন্তু কমছে না। আর গরম মানেই শরীরে ঘাম, ময়লার অতিরিক্ত ঝামেলা। তবে খুব সহজেই এ ঝামেলা এড়ানো সম্ভব। অন্য যেকোনো ঋতুতে আমরা সাধারণত একবেলা গোসল করি। আর সেটা চাকরিজীবী ও কর্মজীবীরা সকালে অফিসে বেরুনোর আগে, আর সাধারণ আমজনতা দুপুরে খাওয়া-দাওয়ার আগেই সাধারণত করে থাকেন।
কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গরমের ঘাম, ময়লা, অস্বস্তি থেকে বাঁচতে দিনে দু’বার গোসল করা জরুরি। কীভাবে সেটা, আর কী কী মেনে চলা উচিত গোসলের সময় সে বিষয়গুলোতেও একবার চোখ বুলিয়ে নিতে পারেন। হয়ত এসব নিয়ম মেনে একটু হলেও স্বস্তি পাবেন।
দু’বার গোসল : কর্মক্ষেত্রে যাবার আগে সেটা সকাল ৬টা থেকে ১০/১১টা হতে পারে; একবার ভালো করে গোসল করে নিন। ঠাণ্ডা শরীর নিয়ে বাইরে বেরিয়ে রোদে গরম হতে হতে অফিস/কর্মস্থলে পৌঁছাবেন। ঘাম কম ঝরবে।
সারাদিনের কাজ শেষে যখনই বাসায় ফিরুন, একটু থেমে আরেকবার গোসল করুন। হতে পারে সেটা বিকেল ৩টা থেকে রাত ১০/১১টার মধ্যে যেকোনো সময়। এরপর খাওয়া-দাওয়া, অন্যান্য কাজ সেরে ঘুমাতে যান, দেখবেন নির্বিঘ্ন ঘুম এনে দিয়েছে দারুণ প্রশান্তি!
গোসলের আরো কিছু টিপস :
ক. ঘর্মাক্ত শরীর নিয়ে বাইরে থেকে ফিরেই গোসল করবেন না। শরীরের ঘাম শুকানোর জন্য পর্যাপ্ত সময় দিন। এরপর গোসলে যান।
খ. গোসল শেষে ভেজা শরীর ঠিকমতো না মুছে কিংবা শুকানোর আগেই জামা-কাপড় পরিধান করা উচিত নয়।
গ. গোসলের পরপরই ফ্যানের নিচে দাঁড়ানো ঠিক নয়। একটু সময় প্রয়োজন না থাকলে ফ্যানটা বন্ধ রাখুন। অথবা ফ্যানের নিচে না দাঁড়িয়ে অন্যত্র ৫/১০ মিনিট কাটিয়ে আসুন।
ঘ. কারো কারো সারা বছরের অভ্যাস গরম পানিতে গোসল করা। এটা শরীরের জন্য খুব বেশি ভালো নয়, আর গরমকালে তো নয়ই। স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানিতে গোসল করাটাই বুদ্ধির কাজ।
ঙ. গরমের দিনে যেকোনো সাবানের চেয়ে কার্যকরী হচ্ছে অ্যান্টিসেপটিক সোপ, তাই চেষ্টা করুন এই ধরনের সাবান ব্যবহার করতে। এতে ঘামাচি-চুলকানির বিড়ম্বনাও অনেকাংশে এড়ানো সম্ভব।

