স্টাফ রিপোর্টার ॥
আজ ৯ ডিসেম্বর। বিশ্বব্যাপী আর্ন্তজাতিক দুর্নীতি বিরোধী দিবস। দেশের দুর্নীতির উপর নজর দেওয়ার এটাই প্রকৃত সময়। সমীক্ষা অনুযায়ী, বর্তমানে বাংলাদেশের প্রতিটি খাতে দুর্নীতি মহামারি আকার ধারণ করেছে। আরো বেশি দুশ্চিন্তার কারণ হলো দুর্নীতি দমনে যে ধরণের গুরত্ব দেওয়া উচিৎ কর্তৃপক্ষ সে ধরণের গুরত্বই দিচ্ছে না।
জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বব্যাপী প্রতিবছর ঘুষ হিসেবে ১ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার আদান-প্রদান হয়। তবে ধারণা করা হয়,এই ঘুষের পরিমাণ ২.৬ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার। যা বৈশ্বিক জিডিপির চেয়ে ৫ শতাংশ বেশি। আর উন্নয়নশীল দেশে উন্নয়ন কাজে যে পরিমাণ অর্থ ব্যয় হয় তার প্রায় ১০ গুণ লোপাট হয় দুর্নীতিতে।
উন্নয়নশীল দেশ থেকে দ্রুতই উন্নত দেশে পরিণত হতে থাকা দেশের প্রধান বাধা দুর্নীতি। বাংলাদেশ যখন একই প্রক্রিয়ায় এগিয়ে যাচ্ছে তখন দুর্নীতি দমন কাঠামোকে আরো শক্তিশালী করা উচিত। যাতে দুর্নীতি প্রতিরোধ করে তা সমূলে উৎপাটন করা যায়। সরকার ঝুঁকি নিয়ে যদি এই কাজটি না করে তাহলে কে করবে?
দীর্ঘমেয়াদী টেকসই উন্নয়নের সুফল ভোগ করতে হলে সমাজের প্রতিটি খাত ও সরকারের মধ্য থেকে দুর্নীতি বিতাড়িত করতে হবে। অন্যথায় উন্নয়নের একটি বিশাল অংশ দুর্নীতিবাজদের পকেটে চলে যাবে। যা অর্থনীতি তথা পুরো দেশের জন্যই ক্ষতিকর।
এছাড়াও দেশের দরিদ্র্র জনগোষ্ঠীর উপর দুর্নীতি ব্যাপকভাবে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। দুর্নীতি নির্মূল করা একটি নৈতিক ও অর্থনৈতিক দায়িত্ব।

