স্টাফ রিপোর্টার ॥
ঢাকা: নির্বাচন কমিশন গঠনে সার্চ কমিটি প্রথম বৈঠকেই দুটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর একটি হলো ৩১ দলের কাছ থেকে মঙ্গলবারের মধ্যে নাম চেয়েছে। কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ৩১টি দলের কাছে রোববার নাম চেয়ে চিঠি দিতে পারে মন্ত্রী পরিষদ বিভাগ।
নাম চাওয়া ছাড়াও কমিটি বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে বসবে। তাদের কাছ থেকেও পাঁচটি নাম নিবে। এছাড়াও সার্চ কমিটির সদস্যরাও পাঁচটি করে নাম প্রস্তাব করবেন। এরমধ্যে যেসব নাম একাধিক দলের ও কমিটির সদস্য এবং বিশিষ্ট নাগরিকদের কাছ থেকে আসবে তাদের নাম প্রাথমিকভাবে বিবেচনা করে তালিকা সংক্ষিপ্ত করা হবে।
এর বাইরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে তারা সাবেক মুখ্য সচিব, সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব, সাবেক যুগ্ম সচিবদের নাম নিবে। সেখান থেকে একজন প্রতিনিধি দেওয়া হবে। এছাড়াও অবসরপ্রাপ্ত জেলা জজদের মধ্য থেকেও একজনকে নিয়োগ দেওয়া হতে পারে। সেই জন্য সুপ্রিম কোর্টের নিবন্ধকের অফিস থেকে সাবেক জেলা জজদের নাম চাইবে।
সূত্র জানায়, পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট কমিশনার করার জন্য সেখানে একজন অবসরপ্রাপ্ত জেলা জজ, একজন সচিব, একজন যুগ্ম সচিবের নাম থাকবে। সেখান থেকে দুইজন কমিশনার করার জন্য চারটি নাম বাছাই করা হতে পারে।
সূত্র জানায়, এই সব নাম বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কাছ থেকে আসতে পারে। এছাড়াও নাগরিক সমাজের কাউকে প্রতিনিধি করা হবে কিনা সেইসব নামও বিভিন্ন দল দিতে পারে। সবদিক বিবেচনা করেই প্রথমে সার্চ কমিটি সব নাম সংগ্রহ করবে।
৩১টি দলের কাছ থেকে ৫টি করে নাম নিলে মোট সংখ্যা হবে ১৫৫টি। বিশিষ্ট জনদের কাছ থেকে পাঁচটি করে নাম। তাদের কাছ থেকে নাম নেওয়ার মূল কারণ অন্তত পরে বিএনপি ও অন্যান্য রাজনৈতিক দল যেন অভিযোগ করতে না পারে যে পক্ষপাতিত্ব করা হয়েছে। এই কারণে কমিটির আহ্বায়ক গতবারের চেয়ে এবার আরো বৃহৎ পরিসরে কাজ করছে। চেষ্টা করছেন কাজটি আরও নিরপেক্ষভাবে করার। নাম বাছাইয়ের ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করছে।
সূত্র জানায়, তারা সব নাম পাওয়ার পর কমিটির সদস্যরাও নিজেরা নাম দিতে পারবেন সেই সঙ্গে তারা যে নাম পাবেন এতে মতামত দিবেন। সংখ্যা ঘরিষ্টতার ভিত্তিতে দশটি নাম চুড়ান্ত করা হবে। কমিটির পরিকল্পনা রয়েছে নির্ধারিত দিনের সকালেই কিংবা তার একদিন আগেই রাষ্ট্রপতির কাছে নাম সুপারিশ আকারে পাঠানো। এই জন্য তারা প্রথম দিনেই নাম চাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

