বাংলাভূমি ডেস্ক ॥
ব্রিটেনের ম্যানচেষ্টারে পপ কনসার্টে আত্মঘাতী বোমা হামলার পেছনে বড় ধরনের নেটওয়ার্ক দেশটির ভেতর থেকেই সক্রিয় বলে মনে করছেন ঢাকার নিরাপত্তা বিশ্লেষক ও বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব পিস এ- সিকিউরিটিস স্টাডিসের প্রধান অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা আ.ন.ম মুনিরুজ্জামান।
কিভাবে এধরনের নেটওয়ার্ক গড়ে উঠতে পারে সে প্রসঙ্গে বিবিসি বাংলাকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন,ম্যানচেষ্টারে হামলার ধরনটা খুব স্পর্শকাতর ছিল। এধরনের স্পর্শকাতর অপারেশন যদি করতে হয় তার জন্য বেশ কিছু শারীরিক প্রস্তুতির প্রয়োজন হয়। যে কারণে একটা সহায়ক নেটওয়ার্ক ছাড়া এধরনের অপারেশন করা সম্পূর্ণভাবে অসম্ভব। উদাহরণস্বরূপ বলা যায় এর সাথে যেধরনের রসদ বা বিষ্ফোরকের প্রয়োজন হয়, এর জন্য যে মুভমেন্টের প্রয়োজন হয় বিভিন্নক্ষেত্রে এধরনের সাপোর্ট দেয়ার জন্য একটা নেটওয়ার্ক গড়ে ওঠে আর এর মাধ্যমেই এই অপারেশনটা করা হয়।
ম্যানচেষ্টারে হামলায় আন্তর্জাতিক সম্পৃক্ততার বিস্তার প্রসঙ্গে সাবেক এই সেনা কর্মকর্তা বলেন, ‘এই হামলায় আন্তর্জাতিক সম্পৃক্ততার সম্ভাবনা বেশ বড় ধরনের। এর কারণ হচ্ছে আত্মঘাতী বোমা হামলায় যাকে সন্দেহ করা হচ্ছে সে শুধু ব্রিটেনের ভিতরে ছিলো তা নয় বরং এ হামলা করার কিছুদিন আগে সে লিবিয়াতে সফর করেছে। বর্তমানে আইএসের বিভিন্ন ঘাঁটি আছে তার মধ্যে লিবিয়াতে বিভিন্ন জায়গাতে তারা ঘাঁটি তৈরির প্রচেষ্টা করছে এবং সেখানে বড়ধরনের প্রভাব বিস্তারও করতে পেরেছে। কাজেই আইএসের সাথে ম্যানচেষ্টার বোমা হামলাকারীর লিবিয়ার মাধ্যমে এধরনের যোগাযোগ হয়ে থাকার সম্ভাবনা আছে’।
যুক্তরাজ্যের ম্যানচেষ্টারে পপ কনসার্টে আত্মঘাতী বোমা হামলায় একটি নেটওয়ার্ক কাজ করেছে বলে জানিয়েছে বৃটিশ পুলিশ। কিন্তু এই নেটওয়ার্ক কিভাবে তৈরি হয়েছে কিংবা এর সাথে আইএস অথবা আন্তর্জাতিক কোন সন্ত্রাসী গোষ্ঠী জড়িত কিনা সেসব বিষয়ে তারা কিছু জানায়নি।
সূত্র: বিবিসি বাংলা।

