এক মাসেই ৭২টি জেলা ইউনিটে কমিটি করবে ছাত্রলীগ

প্রকাশিত: June 11, 2017 | সময়: 11:08 am

বাংলাভূমি ডেস্ক ॥
দায়িত্ব নেয়ার পর গত প্রায় দুই বছরে ১০৯টি জেলা ইউনিটের মধ্যে ৩৭টিতে সম্মেলনের মাধ্যমে কমিটি গঠন করা হলেও আগামী এক মাসেই বাকি ৭২টি জেলা ইউনিটে কমিটি গঠন করা সম্ভব এবং এই সময়ে তারা তা করবে বলেও জানান ছাত্রলীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক।

শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে ছাত্রলীগের বর্ধিত সভা ও প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তারা এ কথা বলেন।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ছাত্রলীগ সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ বলেন, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের বর্তমান কমিটি দায়িত্ব নেয়ার পর গত প্রায় দুই বছরে ১০৯টি জেলা ইউনিটের মধ্যে ৩৭টিতে সম্মেলনের মাধ্যমে কমিটি গঠন করা হয়েছে। বেশ কয়েকটি ইউনিটে কমিটি গঠন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। বাকি ৭২টিতে চাইলে সম্মেলনের মাধ্যমে কমিটি গঠন সম্ভব। সভাপতির বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করে সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসেন বলেন, চাইলে সবই সম্ভব। আমাদের অভিভাবক জননেত্রী শেখ হাসিনা যেভাবে চাইবেন আমরা সেভাবেই করব।

ছাত্রলীগের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী আগামী মাসেই কেন্দ্রীয় কমিটির মেয়াদ শেষ হবে। সেই হিসেবে মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বের তিন মাসের মধ্যেই বর্ধিত সভায় কমিটির মেয়াদ বাড়ানো বা সম্মেলনের তারিখ ঘোষণা করার কথা। কিন্তু আজ থেকে শুরু হওয়া বর্ধিত সভার কার্যবিধিতে এসব বিষয়ের কোন রকম উল্লেখ নেই। এ ধরণের কোন পরিকল্পনা আছে কিনা জানতে চাইলে ছাত্রলীগ সভাপতি বলেন, যে কোন সিদ্ধান্তই নেয়া হতে পারে। এটা সভায় আলোচনার পরে বোঝা যাবে।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সাইফুর রহমান সোহাগ বলেন, জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে সারাদেশে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যস্ততা সত্ত্বেও নিয়মিত বর্ধিত সভা ও প্রশিক্ষণ কর্মশালা হচ্ছে। এবারও ১১ ও ১২ জুন আমরা নিয়মিত এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচি করব।

দুই দিনব্যাপি এই বর্ধিত সভায় কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যন্ত গতিশীল করার লক্ষ্যে নেতা-কর্মীদের প্রতি দিক নির্দেশনামূলক পরামর্শ থাকবে। থাকবে একজন ছাত্রনেতার চারিত্রিক গঠন, ব্যক্তিত্ববোধ সৃষ্টিসহ নানা দিক নির্দেশনা।

ছাত্রলীগ সভাপতি বলেন, ছাত্রলীগকে তৃণমূল পর্যায়ে গতিশীল করতে চট্টগ্রাাম, রাজশাহী, খুলনা ও রংপুর বিভাগে বিভাগীয় প্রতিনিধি সভা ও প্রশিক্ষণ কর্মশালা করেছি। যেগুলোতে একেবারেই ওয়ার্ড-ইউনিয়ন থেকে শুরু করে সর্বস্তরের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। আমরা তাদের সমস্যার কথা শুনেছি, সমাধানের নানা পদক্ষেপ নিয়েছি। কমিটি গঠন, কমিটি পূর্ণাঙ্গ করা এবং যেখানে কমিটি নেই সেখানে সম্মেলনের তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। ধারাবাহিকভাবে বাকি বিভাগগুলোতেও এই প্রতিনিধি সভা ও প্রশিক্ষণ কর্মশালা করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মেহেদি হাসান রনি, আদিত্য নন্দী, আল-আমিন, মাকসুদ রানা মিঠু, মশিউর রহমান শরিফ, কর্মসূচি ও পরিকল্পনা সম্পাদক রাকিব হোসেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি আবিদ আল হাসান, সাধারণ সম্পাদক মোতাহার হোসেন প্রিন্স প্রমুখ। মানবকণ্ঠ