বাংলাভূমি ডেস্ক ॥
রাজধানীতে যানবাহনে স্টিকার লাগানো নিষেধাজ্ঞা থাকলেও মানছেনা তা কেউই। খোদ পুলিশ তার নিজের মোটর সাইকেলে পুলিশ স্টিকার লাগিয়ে ঘুরছে। আর সাংবাদিক, আইনজীবীরা তার বাহিরে নয়।
২০১৬ মে মাসের ৫ তারিখে, পুলিশ কমিশনার আসাদুজ্জামান মিয়া বলেছিলেন, পুলিশ, আইনজীবী, সাংবাদিকসহ কেউ যদি গাড়িতে ইষ্টিকার লাগায়, তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তার পর থেকে কিছুদিন স্টিকার লাগানো বন্ধ হলেও, সে আইনের তোয়াক্কা করছে না কেউই।
মোহাম্মদপুর জোনের সার্জেন্ট বিডি২৪লাইভকে বলেন, মাঝে মাঝে আমরা চেক করি, আমাদের সিনিয়য়ের অনুমতি পেলে। স্টিকার লাগানোর জন্য কোন জরিমানার নিয়ম না থাকায় আমরা কেউই জরিমানা করতে পারিনা।
ট্রাফিক পুলিশ বেলাল বলেন, স্টিকার লাগানো থাকলে আমরা সিগন্যাল দেই না, বুঝা যায় না উনি কে যাচ্ছে, অনেক সময় অবৈধ্য মাল চলে যায়, কিন্তু কি করার আছে। আমরাতো আর বুজতে পারছি না।
কিছু দিন আগে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পরে। সেখানে দেখা যায়, গাড়িতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টিকার ব্যাবহার করে নিজেকে রাস্তার মাস্তান দাবি করে। এবং বাবার বয়সী এক মুরব্বিকে নিজের পা ধরে মাফ চাওয়ানো হয় এক বাস চালককে।
কিন্তু পরে খোঁজ নিয়ে জানা যায় ঐ লোক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন শিক্ষক নয়।
সমাজের এসব পেশার মানুষের স্টিকার ব্যবহার করে নানা ধরনের অপরাধ ঘটছে। একটি গোষ্ঠী এ পদ্ধতি বেছে নিয়েছে। তারা যেন এ সুযোগ আর নিতে না পারে সে জন্যই এই নিষেধাজ্ঞা করা হয়ে ছিল। যা পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত অব্যাহত থাকার কথা ছিল, কিন্তু নির্দেশ দেওয়ার আগেই বন্ধ করতে পারে নাই স্টিকার লাগানো।

