সবাই সহায়ক সরকার চায়: ফখরুল

প্রকাশিত: July 10, 2017 | সময়: 2:40 pm

স্টাফ রিপোর্টার ॥
প্রধানমন্ত্রীর অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না বলেই বিএনপি সহায়ক সরকার চায় বলে মন্তব্য করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
সোমবার দুপুরে নয়াপল্টনের ভাসানী ভবনে নগর বিএনপি(উত্তর) সদস্য সংগ্রহ কার্যক্রম ২০১৭ উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না এই দাবি অতীতে আওয়ামী লীগের ছিল। দেশের রাজনীতিতে সংস্কৃতি চালু হয়ে ছিল যে নির্বাচনকালিন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে জনগণ যাকে ইচ্ছে তাকে ভোট দিতে পারতো। কিন্তু এরা (আওয়ামী লীগ) অনির্বাচিতভাবে ক্ষমতায় এসে সেই তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা বাতিল করেছে। তাই সরকারকে বলবো দাম্ভিকতা ও অহংকার ছেড়ে মানুষের কথা চিন্তা ভাবনা করে আলোচনার ব্যবস্থা করুন। কারণ সবাই এখন সহায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন চায়।
মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, বিরাজনীতিকরণের মাধ্যমে দেশকে গণতন্ত্র ও রাজনীতির বাইরে নিয়ে যেতে এই সরকার উঠে পড়ে লেগেছে। এদের চরিত্র দ্বিমুখী।মুখে গণতন্ত্রের কথা বলে আর কাজ করে আরেক। তর্ক-বির্তক-যুক্তি বিশ্বাস করে না, পেশী শক্তি বিশ্বাস করে।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ জিয়াউর রহমান সর্ম্পকে কটু কথা বলে অথচ জিয়াউর রহমানেই আওয়ামী লীগকে রাজনীতি করার সুযোগ দিয়েছেন। আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধন করেছিল।
দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্য বিএনপির মহাসচিব বলেন, সরকারের প্রধান অস্ত্র হচ্ছে মিথ্যা মামলা। দেশে কোনো সরকার নাই। চলছে একব্যক্তির দুঃশাসন, একব্যক্তির শাসন। এ থেকে বেরিয়ে আসতে সবাইকে রুখে দাড়াতে হবে। ভয় পাওয়ার কিছু নেই। ভয় দেখিয়েও কোনো লাভ নেই। তাই আসুন ঐক্যবদ্ধ। এখনও কোনো ভেদাভেদ নাই। একটাই কাজ এই সরকারকে সরিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্টা করা।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ চুতর্থ সংশোধীনার মাধ্যমে ৭২ এর সংবিধানে বিচারপতি অভিসংশনের ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির হাতে দিয়ে ছিল ।