প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার হুমকির অভিযোগ

প্রকাশিত: September 10, 2013 | সময়: 3:16 am

স্টাফ রিপোর্টার ॥ মোবাইলফোনে প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার হুমকি দেয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন নৌকা সমর্থক গোষ্ঠীর সভাপতি হুমায়ুন কবির মিজি। তার মোবাইলফোনে একই সঙ্গে তাকেও হত্যার হুমকি দেয়া হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেছেন। আর এ হুমকির বিষয় নিয়ে রাজধানীর রমনা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন মিজি।

‘নরসিংদীতে বেগম খালেদা জিয়ার মিথ্যাচার বক্তব্যরে প্রতিবাদে ‘নৌকা সমর্থক গোষ্ঠী’ সোমবার সকালে রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনিস্টিটিউট মিলনায়তনে এক আলোচনা সভার আয়োজন করে। সভা চলাকালীন সংগঠনের সভাপতি হুমায়ুন কবির মিজির মোবাইলফোনে দুইটি রবি নম্বর (০১৮৩৭৭১৮৯৭৯) ও (০১৮৩৩৪২১০৪৯) থেকে তাকে ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার হুমকি ও গালগালি করা হয়েছে বলে দাবি করেন মিজি।

এ বিষয়ে নতুন বার্তা ডটকমকে হুমায়ুন কবির মিজি বলেন, দুপুর ১২ টার দিকে তার মোবাইলফোনে ওই দুটি নম্বর থেকে কয়েকবার ফোন আসে। তিনি ফোন রিসিভ করলে অপর পাশ থেকে তাকে ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার হুমকি ও গালাগালি করে।

মিজি বলেন, “আমি তখন ফোন হাজী মোহাম্মদ সেলিম ভাইয়ের কাছে দিলে তখনও একই ধরনের গালাগালি ও হুমকি দেয়া হয়।”

কে বা কারা এটা করতে পারে জানতে চাইলে মিজি বলেন, “আমি তো তার পরিচয় জানি না। তবে কথা শুনে মনে হয়েছে নোয়াখালীর ভাষা।”

তাকে ও প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার হুমকি বিষয়ে রাজধানীর রমনা থানায় জিডি করা হয়েছে বলেও জানান মিজি।

এ বিষয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষেদের সদস্য ও দফতরবিহীন মন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেন, “কে মারবে আর কাকে মারবে সেটা হিসেব করে তো আর বাংলাদেশে রাজনীতি করা যাবে না।”

রোববার নরসিংদীতে বিএনপি চেয়ারপারসন ও বিরোধীদলীয় নেতা বেগম খালেদা জিয়ার বক্তব্যরে দেয়ার আগেই তার বক্তব্যের বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের অভিযোগ এনে আলোচনা সভার ঘোষণা দিয়েছিল সংগঠনটি। রোববার দুপুরে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংগঠনটি জানানো হয়েছিল, ‘নরসিংদীতে খালেদা জিয়ার মিথ্যাচার বক্তব্যের প্রতিবাদে’ সোমবার সকালে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স মিলনায়তনে আলোচনাসভা হবে। তাতে প্রধান অতিথি থাকবেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ও দফতরবিহীন মন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত। বিশেষ অতিথি থাকবেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য বাবু সতীশ চন্দ্র রায়।

রোববার বিকেলে নরসিংদীর বালুর মাঠে এক জনসভায় খালেদা জিয়া বক্তৃতা দেয়া শুরু করেন বিকেল সোয়া পাঁচটায়। তবে এর আগে দুপুরেই সংগঠনটির পক্ষ থেকে মিথ্যাচারের অভিযোগ এনে আলোচনাসভার ঘোষণা দেয়া হয়।