বাংলাভূমি ডেস্ক ॥
বিবিয়ানা, জালালাবাদ ও মৌলভীবাজারের গ্যাস ক্ষেত্রে শেভরনের ব্যবসা কিনতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। তবে গ্যাস তোলার দায়িত্ব শেভরনকেই দিতে চায় সরকার। এই সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা, তবে সতর্কতার সাথে শেভরনের সম্পত্তির দাম নির্ধারণ করার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।
উৎপাদন অংশীদারিত্বে চুক্তি বা পিএসসি অনুযায়ী বিবিয়ানা, জালালাবাদ ও মৌলভীবাজার গ্যাসক্ষেত্র যে গ্যাস তোলা হয় তার ৮০ ভাগ পায় বাংলাদেশ, বাকি ২০ ভাগ শেভরনের কাছ থেকে কিনে নিতে হয়। পেট্রোবাংলার হিসেবে প্রতিদিন তোলা ২৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের প্রায় ষাট ভাগ যোগান দেয় শেভরন। জ্বালানি খাতের এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ বাংলাদেশকে না জানিয়ে শুরুতে চীনা একটি কোম্পানির সাথে শেয়ার বিক্রির উদ্যেগ নিয়েছিল সেভরন। সরকারের আপত্তির মুখে সে উদ্যেগ ভেস্তে গেছে। এরই মধ্যে সেভরনের সম্পত্তি ঠিক করতে পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের নিয়োগ দেয়া হয়, ওই প্রতিষ্ঠানের প্রাথমিক প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সেভরনের সম্পত্তি কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, অবশ্যই এটা একটা ভলো ক্ষেত্র। শেভরনের কোম্পানিতে প্রায় ৯০ ভাগ বাঙালিরা কাজ করছে। আমরা বাঙালিদের ওখানে পাচ্ছি।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক বদরুল ইমাম মনে করেন, সরকার সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তবে মজুদ গ্যাসের দাম ঠিক করার ক্ষেত্রে দক্ষতার পরিচয় দিতে হবে।
তিনি বলেন, বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্র থেকে বাংলাদেশের পুরো গ্যাস উৎপাদনের প্রায় অর্ধেক আসে। বাংলাদেশের গ্যাস বাদ দিয়ে শেভরনের যে গ্যাস আছে সেটার দাম নিধারনের ক্ষেত্রে যথাযথভাবে নিরুপন করতে হবে।
তবে প্রযুক্তি আর দক্ষতায় এগিয়ে থাকা শেভরনকে দিয়েই গ্যাস তোলার কাজ করানো হলে বাংলাদেশ উপকৃত হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
সূত্র : ডিবিসি টিভি

