বাংলাভূমি ডেস্ক ॥
মিয়ানমারের রাখাইনে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য ‘সেফ জোন’ বা নিরাপদ অঞ্চলের যে প্রস্তাব বাংলাদেশ দিয়েছিল তাতে সাড়া দেয়নি দেশটির সরকার। বাংলাদেশ অভিমুখী রোহিঙ্গাদের ঢল থামাতে এবং গৃহহীন ও নির্যাতনের শিকার নিরীহ রোহিঙ্গাদের খাদ্য, বাসস্থান, সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য রেডক্রসের আন্তর্জাতিক কমিটির মাধ্যমে মিয়ানমার সরকারের কাছে এ প্রস্তাব দিয়েছিল বাংলাদেশ। এ অনুরোধ মিয়ানমারের কাছে পাঠানো হয় বলেও নিশ্চিত করে রেডক্রস।
মিয়ানমার সেনাবাহিনীর চলমান বর্বর নির্যাতনে প্রাণ বাঁচাতে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা মুসলিমদের জন্য জরুরি সহায়তা হিসেবে ৭ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার চেয়েছে জাতিসংঘ। গতকাল শনিবার জাতিসংঘের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, মিয়ানমারের রাখাইন থেকে ২ লাখ ৯০ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করেছে। তাদের সহায়তায় বাংলাদেশের প্রয়োজন ৭ কোটি ৭০ লাখ ডলার।
জাতিসংঘ এবং আন্তর্জাতিক অন্যান্য সংস্থা চলতি বছরের শেষ পর্যন্ত এই তিন লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীর জীবন বাঁচাতে সহায়তা সরবরাহ প্রয়োজন হতে পারে বলে মত প্রকাশ করেছে।
ঢাকায় জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়ক রবার্ট ওয়াটকিনস বলেন, বাংলাদেশে পালিয়ে আসা নতুন রোহিঙ্গাদের জন্য জরুরি ভিত্তিতে ৬০ হাজার নতুন আশ্রয় কেন্দ্র, খাবার, বিশুদ্ধ পানি ও অন্যান্য সেবা প্রয়োজন। এ ছাড়া ধর্ষণের শিকার নারী ও তরুণীদের জন্য মানসিক স্বাস্থ্যসেবা জরুরি হয়ে পড়েছে। রোহিঙ্গাদের সহায়তায় জাতিসংঘের জরুরি রেসপন্স ফান্ড ইতোমধ্যে ৭০ লাখ মার্কিন ডলার অনুমোদন দিয়েছে। আমোদেরসময়

