আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥
রোহিঙ্গা সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে অসামঞ্জস্য শক্তির অপব্যবহারে কারনে মিয়ানমারের সেনাপ্রধানের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করার কথা জানিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। অন্যদিকে জাতিসংঘ বলেছে, মুসলমানদের বিরুদ্ধে আক্রমণ শুধুমাত্র তাদের তাড়িয়ে দেওয়া এবং তারা যেন আর নিজ ভূমিতে ফিরে না আসে তার একটি কৌশল মাত্র।
মিয়ানমারে সামরিক উৎপীড়ণ থেকে বাঁচতে আগস্ট মাসে, প্রায় ১০ লক্ষ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করে। ইইউ নেতারা সতর্ক করে দিয়ে বলে, সঙ্কট নিরসণ না হলে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হবে। সকল দিক বিবেচনা করে পরিস্থিতিটিকে নেহাতই জাতিগত পরিশুদ্ধি আক্ষা দিয়েছে জাতিসংঘ । বুধবার এএফপি’র এক সমীক্ষায় এ সকল তথ্য জানানো হয়।
সোমবার ইইউ রাষ্ট্রদূত কর্তৃক অনুমোদিত সমঝোতাপত্রটি পররাষ্ট্র মন্ত্রীদের এক বৈঠকে স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা রয়েছে। চুক্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, এতো দ্রুত একটি গোষ্ঠী এক দেশ থেকে অন্য দেশে শরণার্থী হয়ে যাওয়া সম্পুর্ন নির্দেশ করে মিয়ানমার সংখ্যালঘুদের বহিষ্কার করার জন্যে ইচ্ছাকৃত এমন পদক্ষেপ নিয়েছে।
ইইউ বর্তমানে নিপীড়নের জন্য মিয়ানমার ব্যবহার করতে পারে এমন অস্ত্র এবং সরঞ্জাম রপ্তানি নিষিদ্ধ করেছে। ইইউ দপ্তর থেকে আরও বলা হয়, সংকট অবস্থার অবনতি হলে কর্তৃপক্ষ অতিরিক্ত ব্যবস্থা বিবেচনা করবে।
গত কয়েক সপ্তাহে বাংলাদেশে উদ্বাস্তু আগমন হ্রাস পেলেও, সোমবার নতুন ১১ হাজার মানুষের আগমনের সঙ্গে সঙ্গে পুনরায় তা বেড়ে গেছে । আরব নিউজ

