রাত পোহালেই নির্বাচন, বিজিবির টহল শুরু > শেষ মুহূর্তে উৎসব মুখর প্রচারণা

প্রকাশিত: June 25, 2018 | সময়: 7:44 pm

মোঃ নজরুল ইসলাম আজহার ॥
গাজীপুর: গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে সর্বশক্তি নিয়ে রবিবার শেষ দিনের প্রচারণা চালিয়েছেন মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীরা তবে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্রধান দুই প্রার্থী আওয়ামীলীগের মোঃ জাহাঙ্গীর আলম সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হওয়ার ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করলেও বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হাসান উদ্দিন সরকার তাদের কর্মী-সমর্থক ও পোলিং এজেন্টের ভয়ভীতি প্রদর্শণ ও নির্বাচন আচরণবিধি লঙ্গনের অভিযোগ করেছেন। এমন পরিস্থিতির মধ্যে দিয়েই আগামীকাল মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের দ্বিতীয় নির্বাচন। গতকাল রবিবার প্রচার-প্রচারণা শেষ দিনে আওয়ামীলীগ ও বিএনপি মনোনীত দুই মেয়র প্রার্থী পৃথক পৃথক সংবাদ সম্মেলন করেছেন। এবারই প্রথম দলীয় প্রতীকে অনুষ্ঠিত নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সর্ম্পন্ন করার জন্য নির্বাচন কমিশন সকল প্রস্তুতি শেষ করেছেন। আজ সোমবার দুপুর থেকেই ভোট কেন্দ্রগুলোতে ব্যালট পেপার, ব্যালট বাক্সসহ যাবতীয় নির্বাচনী সমঞ্জাম পাঠানো হবে। এদিকে নির্বাচন শান্তিপূর্ণ করতে প্রায় ১২ হাজার বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হবে। ইতোমধ্যে নগরীর বিভিন্ন স্থানে বিজিবি টহল দিতে শুরু করেছে।
এদিকে গাজীপুর সিটি নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার রকিব উদ্দিন মন্ডল জানান ভোট গ্রহণ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে নির্বাচন কমিশন সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। রবিবার রাত ১২টা থেকে সবধরণের নির্বাচনী প্রচারণা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রশাসন কঠোর নজরদারি করছে। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি আরও জানান গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ভোট গ্রহণের আগের দিন সোমবার থেকে পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি, আনসারসহ প্রায় ১২ হাজার নিরাপত্তা কর্মী মাঠে থাকবে। স্থানীয় নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায় ৪২৫টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ৩৩৭টি ঝুঁকিপূর্ণ এবং বাকী ৮৮টি কেন্দ্র সাধারণ বলে চিহিৃত করা হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোর জন্য ২৪ জন এবং সাধারণ কেন্দ্রের জন্য ২২ জন করে সশস্ত্র পুলিশ দায়িত্ব পালন করবে। এছাড়া থাকবে পুলিশের টহল দল ও সাদা পোশাকের গোয়েন্দারা। সব মিলিয়ে ভোটের দিন প্রায় ১২ হাজার নিরাপত্তা কর্মী দায়িত্ব পালন করবে। রিটার্নিং অফিসার রকিবউদ্দিন মন্ডল জানান নির্বাচন আচরণবিধি প্রতিপালন পর্যবেক্ষণ ও নির্বাচন আচরণবিধি লঙ্ঘনকারীকে তাৎক্ষণিক সাজা দিতে প্রতিটি কেন্দ্রে একজন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া ১৯টি সংরক্ষিত মহিলা কেন্দ্রে একজন করে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবে। অপরদিকে ১৯টি মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স, ১০টি র‌্যাবের টহল টিম এবং ২৯ প্লাটুম বিজিবি মোতায়ন থাকবে।
এদিকে গত ১৮ জুন মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীদের নির্বাচনের দ্বিতীয় পর্যায়ের আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু হয়। নির্বাচনে সাতজন মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও প্রধান দুই প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামীলীগের মেয়র প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম ও বিএনপির মেয়র প্রার্থী হাসান উদ্দিন সরকারের মধ্যেই মূলত মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে। মেয়র প্রার্থীদের পাশাপাশি কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত ওয়ার্ডের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের প্রচারণার শেষ দিনে ছিলো উৎসব মুখর পরিবেশে। প্রার্থীদের কর্মী সমর্থকদের প্রচার প্রচারণায় মিছিল আর শ্লোগানে নিজ নিজ এলাকা মুখরিত হয়ে ওঠে।
নির্বাচনে জয়ের ব্যাপারে আওয়ামীলীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম জোর আশাবাদ ব্যক্ত করলেও বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী হাসান উদ্দিন সরকারের সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে আশংকা রয়েছে বলে তিনি জানান। গতকাল রবিবার বিকালে আওয়ামীলীগের মনোনীত মেয়র প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম তার নগরীর ছয়দানার বাসভবনে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ করতেই বিএনপি প্রার্থী ভোটারদের কাছে ভোট না চেয়ে নানান অযোক্তিক অভিযোগ করে চলছেন। নির্বাচনী প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর বিএনপির নেতা কর্মীদের বিরুদ্ধে কোন মামলা বা হামলা করা হয়নি। অথচ তিনি মিথ্যা কথা ও অজুহাত তুলে ভোটারদের বিভ্রান্ত করছেন। এমনকি পোলিং এজেন্ট নিয়োগ না করেই তাদের কেন্দ্র থেকে বের করে দেয়ার কাল্পনিক অভিযোগ করতেও পিছ পা হচ্ছেনা। তিনি বলেন মাননীয় প্রধান মন্ত্রী কেন্দ্রীয় সরকারে আছেন। তার সহযোগিতা নিয়ে যারা নির্বাচনে আমাকে সমর্থন দিয়েছেন তাদেরসহ সকলকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে গাজীপুর মহানগরীর সার্বিক উন্নয়ন সম্পন্ন করব। জাহাঙ্গীর আলম বলেন, এ যাবত নির্বাচনী আচরন বিধি লঙ্ঘনের একটি উদাহরণ বিএনপির প্রার্থী দিতে পারবেন না। তিনি আমাকে, আমার পরিবার, দল ও প্রতীককে যে ভাষায় আক্রমণ করে কথা বলেছেন তা তাঁর মতো সিনিয়র ব্যক্তির কাছে আশা করি না।
জাহাঙ্গীর আলম মহাগরীর সালনায় রবিবার সকালে প্রচারণার শেষ দিনের প্রথম কর্মসূূচি শুরু করেন। তিনি বলেন নির্বাচনে নৌকার পক্ষে ব্যাপক জোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। গাজীপুরের মানুষ উন্নয়নের পক্ষে ভোট দিবেন, নৌকা মার্কায় ভোট দিবেন গাজীপুরের মানুষ আর বিভ্রান্ত হবেন না।
পরে তিনি কোনাবাড়ি, বাসন এলাকার চান্দনা-চৌরাস্তায় পথসভায় বক্তব্য রাখেন। এখানে জাহাঙ্গীর আলম বলেন এ অঞ্চলেই আমি বেড়ে উঠেছি। নেতা হওয়ার স্বপ্ন দেখেছি। এখানকার মানুষের ভোট পাওয়া আমার অধিকার। তাদের ভালোবাসাতেই আজ আমি জাহাঙ্গীর আলম হয়েছি। আপনাদের জন্যই ঐতিহ্যবাহী আওয়ামীলীগের মেয়র প্রার্থী হতে পেরেছি। আপনারা নিশ্চয়ই আমার এবং প্রধানমন্ত্রীর সম্মান রাখবেন।
বাসনের পথসভায় জাহাঙ্গীর বলেন, গাজীপুরে এখন হাঁটা চলার মতো রাস্তাঘাট নেই। বর্তমান মেয়র কিছুই করেন নি। তিনি বলনে, এই অনুন্নয়ন কোনো মানে হয় না। আমি এর অবসান চাই।
এখন আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আছেন। নির্বাচিত হলে তাঁর পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরে তা বাস্তবায়নের কথা তিনি বলবেন।
বিকালে জাহাঙ্গীর আলম গাজীপুর শহরের শিববাড়ি এবং আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে, টঙ্গী মিলগেট, গাছা বাজার ও বোর্ডবাজার এলাকায় পথসভায় বক্তব্য দেন। জাহাঙ্গীর আলমের পক্ষে সকালে মহানগর আওয়ামীলীগের সহসভাপতি এ্যাড. আমজাদ হোসেন বাবুলের নেতৃত্বে আইনজীবীরা আদালত পাড়ায় ব্যাপক গণসংযোগ করেন। এছাড়া শহরে দলীয় নৌকার প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম ছাড়াও প্রচারণায় অংশ নেন আওয়ামীলীগ নেতা কাজী আলিমুদ্দিন, আব্দুর রউফ নয়ন, এ্যাড. ওয়াজউদ্দিন মিয়াসহ নেতৃবৃন্দ প্রচার কাজে অংশ নেন।
অপরদিকে গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হাসান উদ্দিন সরকার বলেন, গত ২০ জুন নির্বাচন কমিশন ও তাদের নিয়ন্ত্রিত প্রশাসন প্রার্থীদের সাথে মতবিনিময় সভায় যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন নির্বাচনী মাঠে তার বাস্তবায়ন হচ্ছে না। বরং খুলনা স্টাইলে নির্বাচন করার প্রস্তুতি চলছে। পুলিশ ২০ দলীয় জোট নেতাকর্মীদের গণগ্রেফতার ও হুমকি-ধমকি দিয়ে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড বানচাল করে দিচ্ছে। তিনি অভিযোগ করেন ইতোমধ্যে ২০ দলীয় জোটের ৭৫ জন নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আওয়ামীলীগের মেয়রপ্রার্থীকেও পুলিশের গাড়িতে দেখা যাচ্ছে। খুলনার কারচুপির অভিজ্ঞতা সম্পন্ন পুলিশ সদস্যদের ইতিমধ্যে গাজীপুরের নির্বাচনী দায়িত্ব পালনের জন্য আনা হয়েছে। কিন্তু শত বাধা সত্বেও আমরা নির্বাচনে আছি এবং শেষ পর্যন্ত থাকবো। সরকার ও নির্বাচন কমিশনের নোংরা চরিত্র জাতির সামনে তুলে ধরবো।
হাসান সরকার রবিবার সকালে টঙ্গী থানা বিএনপি কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন। তিনি আওয়ামীলীগের গোপন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে বলেন, বাহির থেকে সিল মেরে ভেতরে ঢুকানো হবে। কেন্দ্রে কেন্দ্রে পোলিং এজেন্টদের পুলিশ দিয়ে আটকে রেখে জোরপূর্বক তাদের বানানো রেজাল্ট শীটে স্বাক্ষর নেয়া হবে। যতক্ষণ পর্যন্ত স্বাক্ষর না দিবে ততক্ষণ পর্যন্ত এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বের হতে দেবে না। খুলনার মত কারচুপি যাতে ধরা না পড়ে সেজন্য ইতিমধ্যে তারা একটি সুবিন্যাত রেজাল্ট শীট তৈরি করে রেখেছে। তাদের দলীয় ৫০ জন কাউন্সিলরকেও চূড়ান্ত করে রেখেছেন বলে তিনি জানান।
ঝড়-বৃষ্টি ও সকল বাধা উপেক্ষা করে ভোটারদের কেন্দ্রে আসার আহবান জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা আওয়ামীলীগের সকল অপকৌশল জেনে গেছি। আমরা তাদের এসব অপকৌশল প্রতিহত করার চেষ্টা করবো। তিনি মঙ্গলবার সকাল ৭টার মধ্যে ধানের শীষ প্রতীকের সকল এজেন্টকে ভোট কেন্দ্রে নির্বিঘেœ আসার আহবান জানান এবং কেন্দ্র পাহাড়া দেওয়ার জন্য ২০ দলীয় জোটের সকল নেতাকর্মীকে কেন্দ্রের পাশে অবস্থান নেওয়ার অনুরোধ জানান।
হাসান সরকার বলেন, আওয়ামীলীগ মুক্তিযোদ্ধের চেতনার কথা বলে। কিন্তু বাস্তবে তারা মুক্তিযোদ্ধাদের কতটুকু সম্মান করে ? এই নির্বাচনে আমি হয়তো শেষ মুক্তিযোদ্ধা হবো। আগামীতে হয়তো আর কোন মুক্তিযোদ্ধাকে আপনারা নির্বাচনে পাবেন না। তাই সকল মুক্তিযোদ্ধাকে আমার পক্ষে ভূমিকা রাখার আহবান জানাই।
তিনি বলেন, সুনামের সাথে বেঁচে থাকতে চাই। মানুষের ঘৃণা নিয়ে বেঁচে থাকতে চাই না। জীবনের এই শেষ নির্বাচনে জীবন দিয়ে হলেও গাজীপুরবাসীর ইজ্জত রক্ষা করবো। তিনি সাংবাদিকদের সঠিক চিত্র তুলে ধরার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, মহান আল্লাহ্র পরে আপনারা আমাদের ভরসা। আপনারা সঠিক চিত্র তুলে ধরতে পারলে এবং ন্যুনতম সুষ্ঠু ভোট হলে সম্মানজনক ভোটে বিজয়ী হবো।
তিনি ভোটারদের প্রতি আস্থা রেখে বলেন, শত উস্কানি ও উৎপীড়নের মধ্যেও ভোটাররা স্বত:স্ফূর্তভাবে ভোট কেন্দ্রে আসবে বলে আমি বিশ^াস করি।
সার্বক্ষনিক গোয়েন্দা তৎপরতার সমালোচনা করে হাসান সরকার বলেন, আমি কাপুরুষ নেতা নই। আমার এখানে গোপন কিছু নেই। আমি কলকাতা হোটেলে গিয়ে ঘুরাঘুরির মুক্তিযোদ্ধা নই। আমি প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে এবং প্রশিক্ষণ দিয়ে দেশে এসে শত্রুর মোকাবেলা করেছি। আমি অন্যায়ভাবে নির্বাচিত হওয়া প্রত্যাশা করতে পারি না। বাংলাদেশে যে কয় জনের অধিক নির্বাচন করার অভিজ্ঞতা রয়েছে আমি তাদের থেকে কম নই।
তিনি বলেন, আমি এ যাবত যথাযথভাবে আচরণবিধি মেনে নির্বাচনী প্রচার প্রচারণা চালিয়ে আসছি। আপরদিকে আওয়ামীলীগ আচরণবিধির কোন তোয়াক্কা করছে না। তাদের মন্ত্রী-এমপিরাও আচরণবিধি লঙ্ঘন করে প্রচার প্রচারণা চালাচ্ছেন। ইতিমধ্যে নির্বাচন কমিশন বহিরাগতদের নির্বাচনী এলাকায় অনুপ্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে। কিন্তু আওয়ামীলীগ প্রার্থীর পক্ষে খুলনার বিতর্কিত ভোটের মেয়রসহ কেন্দ্রীয় নেতাদেরকেও আজকে (রবিবার) প্রচারণা করতে দেখা গেছে। তিনি বলেন, খুলনার ওই মেয়র এখনো গাজীপুরে অবস্থানের মধ্যে গভীর রহস্য নিহীত। তাকে ভোট কারচুপির প্রশিক্ষণের জন্য এখনো গাজীপুরে রাখা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে গাজীপুর জেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি সালাহ উদ্দিন সরকার, জেলা যুগ্ম সম্পাদক সোহরাব উদ্দিন, টঙ্গী থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম শুক্কুর, জেলা হেফাজতে ইসলামের যুগ্ন সম্পাদক মুফতি নাসির উদ্দিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন ।
সংবাদ সম্মেলন শেষে হাসান উদ্দিন সরকার টঙ্গী ও গাজীপুর শহরসহ বিভিন্ন স্থানে গণসংযোগ ও পথসভায় বক্তব্য রাখেন।