বাংলাভূমি২৪ ডেস্ক ॥ নিম্নমানের ঔষধ উৎপাদন করায় ও জিএমপি সঠিকভাবে অনুসরণ না করায় ৪৪টি ঔষধ কোম্পানির লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী ডা. আ ফ ম রুহুল হক। তিনি বলেন, “৬২টি কোম্পানি নিম্নমানের ঔষধ উৎপাদন ও জিএমপি সঠিকভাবে অনুসরণ না করার অভিযোগ পাওয়া যায়।
এর মধ্যে ২০টি কোম্পানীর লাইসেন্স ও ৩০টি কোম্পানির গ্রুপভিত্তিক ঔষধের রেজিস্ট্রেশন সাময়িকভাবে বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া উক্ত ৬২টি ছাড়াও ঔষধ উৎপাদন ও জিএমপি অনুসরণ না করায় আরো ২৪টি কোম্পানির লাইসেন্স সাময়িকভাবে বাতিল করা হয়েছে।” মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের ১৯তম অধিবেশনে লিখিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী সংসদকে এ তথ্য জানান।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “সরকারী ঔষধ বিশ্লেষক দ্বারা কোনো ঔষধ মান-বর্হিভূত ঘোষিত হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান/ব্যক্তি-ব্যক্তিবর্গের বিরুদ্বে ঔষধ আদালতে মামালা দায়েরসহ প্রচলিত ঔষধ আইনের আওতায় অন্যান্য শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় এবং সংশ্লিষ্ট ঔষধের উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ সাময়িকভাবে বাতিল করা হয়। এছাড়া জানুয়ারী ২০১২ থেকে জুন ২০১৩ পর্যন্ত ড্রাগ কোর্টে ১৩টি মামলা দায়ের করা হয়েছে বলেও জানান স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী। মন্ত্রী জানান, দেশে বর্তমানে ২৬৭টি অ্যালোপ্যাথিক, ২৬৮টি ইউনানী, ২০৪ টি আয়ুর্বেদিক, ৭৯টি হোমিওপ্যাথিক ও ২৬টি হার্বাল ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানসহ মোট ৮৪৪টি ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
ডা. আ ফ ম রুহুল হক বলেন, “দেশের জনগণ যাতে সঠিকমানের ঔষধ পায় সে ব্যাপারে বর্তমান সরকার আন্তরিক ও সদা সচেতন। ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাগণ ঔষধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ও দেশের বিভিন্ন ঔষধের বাজার হতে নিয়মিতভাবে ঔষধের নমুনা সংগ্রহ করে পরীা/বিশেষণের জন্য সরকারী ঔষধ বিশ্লেষকের নিকট প্রেরণ করে থাকেন।

